× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ জুন ২০২১, বুধবার, ৫ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
রাজধানীতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সমাবেশ

পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের নিরাপত্তার জন্য মোদির হস্তক্ষেপের আহ্বান

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
৮ মে ২০২১, শনিবার

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন এবং নির্যাতনের অভিযোগ এনে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। বলেছে, ভারতের পশ্চিম বাংলায় নির্বাচন পরবর্তী হিন্দুদের শত শত বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, মন্দির ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ধর্ষণের পর হত্যা এবং খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘরে অগ্নিসংযোগে একজন বালক পুড়ে মারা গেছে। ব্যাপক হামলা হওয়ার কারণে হাজার হাজার মানুষ পার্শ্ববর্তী আসাম রাজ্যে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। তারা অবিলম্বে পশ্চিম বাংলায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এ দাবি করেন। সমাবেশে কলকাতার নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে।
তারা যাতে মিছিল বের করতে না পারে সেজন্য সতর্ক ছিল পুলিশ। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট দীনবন্ধু রায় বলেন, এক সময় বাংলার এই হিন্দুরা একটু শান্তিতে বসবাস করার জন্য এদেশ ছেড়ে ভারতে গিয়েছিল। কিন্তু, ৭০% হিন্দুর দেশে গিয়েও হিন্দুরা সেখানে স্বস্তিতে নেই। সংগঠনের  মহাসচিব এডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, বাংলাদেশে যেমন হিন্দুরা নির্যাতিত হচ্ছে তেমন করে ভারতের হিন্দুরা শান্তিতে নেই। তারাও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মমতা বন্দোপাধ্যায় একজন সাম্প্রদায়িক। তিনি মুসলিমদের প্ররোচনায় পশ্চিম বাংলায় হিন্দুদের ওপর নির্যাতন করছেন। এটা মেনে নেয়া যায় না। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক মমতাকে ক্ষমতা থেকে বিদায়ের জন্য পশ্চিম বাংলার হিন্দুদের এক হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পাদক নরেশ হালদার, প্রকাশনা সম্পাদক সাগরিকা মণ্ডল, হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক মহাজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাপস বৈরাগী, সাংগঠনিক সম্পাদক তুলন চন্দ্র পাল, দপ্তর সম্পাদক চয়ন বাড়ৈ, ঢাকা মহানগর হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি অখিল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি প্রদীপ শঙ্কর, সাধারণ সম্পাদক মৃণাল মধু, প্রধান সমন্বয়কারী প্রশান্ত হালদার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুজন গাইন, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল, সাধারণ সম্পাদক তপু কুন্ডু ও প্রচার সম্পাদক বিধান সরকার অর্ঘ্য প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mahmud
৯ মে ২০২১, রবিবার, ৭:৫১

বাংলাদেশে হিন্দুরা আছে জামাই আদরে । বাংলাদেশে হিন্দুরা যে রকম priviledged অবস্থায় আছে , পৃথিবীর আর কোন দেশে সংখ্যালঘুরা এতো priviledge পায় না । তার পরও তাদের সন্তুষ্টি নেই । তারা বাংলাদেশের জনসংখার মাত্র ৮% , কিন্তু সরকারের সচিব থেকে শুরু করে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে , পুলিশে এবং অন্যান্য সংস্থায় সব জায়গায় ১০% থেকে ১৫% জায়গা দখল করে আছে । বেশী আশকারা পেয়ে এখন পেয়ে এখন তারা মাথায় উঠেছে । এদেরকে দমন করার এখনই সময় , তা না হ'লে কিছুদিন পরে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেই রাস্তায় নামতে হবে ন্যায্য অধিকারের দাবীতে । মুসলমানদের বন্চিত করে হিন্দুদেরকে অন্যায্যভাবে এতো সুবিধা দেয়া বাংলাদেশের মানুষ আর সহ্য করবে না । ভারতে মুসলমানরা প্রায় ১৭% হলেও সর্বক্ষেত্রে তারা বন্চিত , অবহেলিত , শোষিত এবং চরম নির্যাতনের স্বীকার । অথচ আমাদের দেশের হিন্দুরা তাদের পক্ষে একটি কথাও বলে না ।

nasir uddin
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৬:২৯

This incident is a magical event. I am surprised they dare doing such thing in Bangladesh?

আবু সাঈদ শুনু
৭ মে ২০২১, শুক্রবার, ৯:২৯

একটা রাজনৈতিক বিষযকে সাম্প্রদায়িক ইসু বানিয়ে দাঙ্গা বাধিয়ে নতুন কোনো ফায়দা হাসিলের পায়তারা। এরা দেশে দেশে উগ্রবাদ ছড়াতে তৎপর। এরা দেশ ও জাতির শত্রু। এরা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ তুলে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে চিহৃিত করতে চায়। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোর জন্য এদের চিহৃিত করে বিচারের আওতায় আনা দরকার।

অন্যান্য খবর