× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৮ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে স্ট্যাটাস, সরাইলে যুবক গ্রেপ্তার

বাংলারজমিন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
৮ মে ২০২১, শনিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ  মাধ্যম ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেয়ায় রতন রায় (৩৯) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সরাইল থানায় মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার উপজেলার অরুয়াইল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রতন অরুয়াইল সদরের অবনি রায়ের ছেলে। রতনের দাবি তার আইডি হ্যাক হয়েছে। এ কাজটি তিনি করেননি। মামলা ও পুলিশ সূত্র জানায়, রতন অরুয়াইল বাজারের একজন কাপড় ব্যবসায়ী। গত শুক্রবার রতন তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কটাক্ষ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। এটি দেখে মুসলমানদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসে। তরিৎ অভিযান চালিয়ে ওইদিন বিকেলে অরুয়াইল বাজার সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে রতনকে গ্রেপ্তার করেন সরাইল থানা পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রতনের কথা বার্তায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। রতন একবার বলছেন তার আইডিটি হ্যাক হয়েছে। আবার বলছেন তিনি ডিভাইস থেকে ওই স্ট্যাটাসটি ডিলেট করে দিয়েছেন। পুলিশ গ্রেপ্তারের পর রতন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছিলেন এ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। তার কোন বন্ধু বান্ধব মোবাইল সেটটি নিয়ে এ কাজটি করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ায় এস আই মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রতনের বিরুদ্ধে সরাইল থানায় একটি মামলা করেছেন। শনিবার আদালতের মাধ্যমে রতনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে ধর্মকে নিয়ে কটাক্ষকারী রতনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে অরুয়াইলের জনৈক যুবলীগ নেতার দৌড়ঝাঁপ ও তদবিরের বিষয়ে সমালোচনামুখর এখন গোটা অরুয়াইল। ছাড়িয়ে নিতে তদবিরকারী রতনের পরিবারের কাছে মোটা অংকের টাকা চাওয়ার বিষয়টিও চাউর হচ্ছে সর্বত্র। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন বলেন, এটা রতনের ভেরিফাইড আইডি। আইডি হ্যাক হয়ে থাকলে আবার ডিলেট করবেন কিভাবে? প্রাথমিকভাবে ধরে নেয়া হয়েছে একাজটি রতনই করেছে। তবে টেকনোলজি ব্যবহার করে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বিষয়টি সম্পর্কে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
nasym
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১১:৩১

IF YOU check facebook post OF ANY HINDU in bangladesh,YOU would often find ANTI islam comments.always THEIR target IS muslims,quran,AND muhammad.they do it freely,without fear.because hindus ARE protected BY GOVT.for EXAMPLE if anyONE checks post OF sujan bhattacharjo OR binoy dhar,THEY ARE two among millions, HOW DARE THEY ARE TO hurt 90 percent OF BANGLADESHI PEOPLE.they ARE enjoy safe gourd FROM govt untill people come out on THE street TO protest.

মোঃ হাবিবুর রহমান
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৭:৫৯

কিছু কিছু মানুষ আছে, আজাইরা থাকতে ভালো লাগেনা। ঝামেলা পাকাইতে মন চায়। এখন বোঝা যাবে ঝামেলাটা কেমন লাগে।

Nizam
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৭:০৫

দেশের মানুষকে এটা বুঝাতে হবে একজন প্রকৃত হিন্দু লোক কখনও এধরনের কাজ করবে না, কোন ধর্মকে আঘাত করে কিছু বলে শান্তি নষ্ট করার ব্যাপারে কোন ধর্মেই অনমোদন দেইনি - কিন্তু তার পরও যারা এই ধরণের কর্ম করে বেড়াচ্ছে তারা মানুষের বাচ্ছা নয় তারা হচ্ছে জানোয়ারের বাচ্ছা

Probir
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৫:১৮

I think this man doesn't know his father name.

আনিস উল হক
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৩:৫৭

Smsulislam।তারা মূর্খ।ধর্মের সহনশীলতা, মানবিক বিধান গুলোর চর্চাকে তারা ধর্ম মনে করেনা। পরধর্মের নিন্দা ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোকেই তারা ধর্মচর্চা বলে মনে করে। পবিত্র কোরানের ১০৯ নং সূরা কাফিরূনের শেষ আয়াতে বলা 'তোমাদিগের দীন তোমাদিগের;আমার দীন আমার '।৬ নং সূরা আন'আাম এর ১০৮ নং আয়াতে বলা হয়ছে -' আল্লাহ্কে ছাড়িয়া যাহাদিগকে তারা ডাকে তাহাদিগকে তোমরা গালি দিওনা, কেননা, তাহারা সীমালংঘন করিয়া অজ্ঞানবশত আল্লাহকেও গালি দিবে; এইভাবে,প্রত্যেক জাতির দৃষ্টিতে তাহাদিগের কার্যকলাপ সুশোভন করিয়াছি'। ২নং সূরা বাকারার ২৫৬ নং আয়াতের প্রথম লাইন হোল- ' দীন সম্পর্কে জোর-জবরদস্তি নাই;' সূত্রঃ আল-কুরানুল করীম,ইসলামিক ফাউন্ডেশন।বাংলাদেশ।

Palash
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৩:৪২

দেশের মানুষকে এটা বুঝাতে হবে একজন প্রকৃত হিন্দু লোক কখনও এধরনের পোষ্ট দিবে না। যে এই ধরণের পোষ্ট দিবে হয় সে ইহুদিদের দালাল নয় একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য যারা চায় না যে বাংলাদেশে সব ধর্ম বর্ণের লোক শান্তি ও সম্প্রীতির সাথে বসবাস করুক। এদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে ভবিষ্যতে সুনামগঞ্জের শাল্লার মতো ঘটনা ঘটানোর সাহস পাবে না। জাতির পিতা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করেছিলেন সেটি সফল করতে হবে।

Samsulislam
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১:৪০

হুজুর রা তো প্রতিদিন ই হিন্দু ধর্মসহ অন্যান্য ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে।পুলিশ তো দেখলাম না এদের কাউকে গ্রেফতার করতে?

আনিস উল হক
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১:৩১

কোনো ধর্মকে অবমাননা করে কেউ প্রগতিশীল হতে পারেনা। ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থও ধর্মহীনতা নয়। একটি রাষ্ট্র যেমন শুধুমাত্র এক ধর্মালম্বী মানুষ দিয়ে গঠিত হয়না তেমনি একটি রাষ্ট্রের ও কোনো ধর্ম থাকতে পারেন না। কোন ভূখণ্ডে বসবাসকারী নানা ধর্ম নানান বিশ্বাসের মানুষ মিলে মিশে তাদের প্রত্যেকের সম্মিলিত স্বার্থ ও কর্তব্য এবং ব্যক্তি অধিকার নির্ধারণ ও নিশ্চিত করে একটি সামাজিক চুক্তি করে সেই চুক্তির উপর ভিত্তি করে সেই ভূখণ্ডে যখন বসবাস শুরু করে তখনই একটি রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটে। মহানবী(সাঃ) যেমন ইহুদীদের সাথে মদিনা সনদ স্বাক্ষর করেছিলেন। বর্তমান পৃথিবীর ৭৫০ কোটি অধিবাসীকে কোন একটি ধর্মবিশ্বাসে কি বিশ্বাসী করে তোলা যাবে বা তা হতে কি বল প্রয়োগ করা যাবে? আমাদের একথাও মনে রাখতে হবে বর্তমান পৃথিবীতে ধর্মের সংখ্যা চার সহস্রাধিক। বাংলাদেশেও অনেক ধর্ম চালু আছে। এখন আমাদের বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাসী মানুষকে কি আমরা কোনো একটি ধর্মে বিশ্বাসী হতে তাদের উপর বল প্রয়োগ করতে পারব? না তা বাস্তব সম্মত? তাই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে সুস্থ ভাবে টিকিয়ে রাখতে হলে এ দেশের সকল ধর্মের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। দেশের কোন ধর্মকে কেউ অবমাননা করলে অবমাননাকারীর বিরুদ্ধে পেনাল কোডে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে ভাবে প্রয়োগ করতে হবে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রের অন্যতম নীতি।

রাজা
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১:৫১

অরুয়াইলের জনৈক যুবলীগ নেতার দৌড়ঝাঁপ ও তদবিরের বিষয়ে সমালোচনামুখর এখন গোটা অরুয়াইল, কেন রে ভাই নেতার নাম বলতে কি ভয় খাইলেন ? নাম প্রকাশ করেন ঐ ন্যাতার ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১২:২৯

নাম তো 'তপন রায়'---এমন কথা বলতেই পারেন ! উনিতো আর জঙ্গী হবেন না ! প্রগতিশীল! আবার বাঙালি ও বটে ! গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল না! হাজার হোক বাঙালি প্রগতিশীল তো ! মুসলিম পরিচয় বাদ দিয়ে আমার সবাইযকে বাঙালি হতে হবে এটাই সমস্যা সমাধান ! বছর দুয়েক আগে একজন দিদি ট্রাম্পের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে---! কিন্তু কোথাও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে বলে শুনিনি ! মুসলিম নামের কেউ এমনটি করলে নিঃসন্দেহে সে জঙ্গী এবং দেশদ্রোহী হত ! নয় কি? ভুল বললাম ?

অন্যান্য খবর