× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৮ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ত্রিশালে গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে ২৮০ ফুট সেতু নির্মাণ

বাংলারজমিন

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
৯ মে ২০২১, রবিবার

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ধানীখোলা দক্ষিণ ভাটিপাড়া ও বইলর বাঁশকুঁড়ি গ্রামবাসীর নিজস্ব অর্থায়নে ২৮০ ফুট কংক্রিটের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
গ্রামে সুতিয়া নদীর ৫ কিলোমিটারের দুপ্রান্তে সেতু থাকলেও তার মধ্যবর্তী এলাকার বসতিরা পড়েছিলেন বেকায়দায়। দীর্ঘদিন কলাগাছের ভেলা আর বাঁশের সাঁকোই ছিল নদী পারাপারে তাদের একমাত্র ভরসা। সরকারি অর্থায়নে সেতু নির্মাণে কোনো সহায়তা না পেয়ে স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রম আর নিজস্ব অর্থায়নে নদীটির ওপর নির্মিত হয় ২৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের একটি সেতু।
বিরল ওই দৃষ্টান্তটি স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটিপাড়া ও বইলর ইউনিয়নের বাঁশকুঁড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। সেতুটির নির্মাণকাজ ২০১৯ সালের প্রথম দিকে শুরু হলেও শেষ হয় সাম্প্রতিক সময়ে।
উপজেলা সদরের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে সুতিয়া নদী। সুতিয়ার দুই পারেই রয়েছে বহু স্কুল, কলেজসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। নদী পারাপারে উপজেলা পরিষদ ও থানার মধ্যবর্তী স্থানে আছে একটি সেতু।
অপরদিকে সুতিয়ার উজানে ধানীখোলা ইউনিয়নের ধানীখোলা বাজারে প্রবেশপথে আছে আরেকটি সেতু।  ত্রিশাল উপজেলা সদর থেকে ধানীখোলা বাজারের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। এতে করে স্কুল, কলেজসহ সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে তার মধ্যবর্তী এলাকার বইলর বাঁশকুঁড়, মুন্সিপাড়া, আংরার চর, চরপাড়া ও বকশিপাড়া গ্রামের বসতিরা পড়তেন চরম বেকায়দায়। ওইসব এলাকার লোকজন স্কুল, কলেজসহ সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরসমূহে আসতে চাইলে অতিরিক্ত আরো ৬ কিলোমিটার ঘুরতে হতো। সময় ও খরচ বাঁচাতে দীর্ঘদিন কলাগাছের ভেলায় চড়ে নদী পার হতেন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। তারপর স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের পর কাঠের সাঁকো তৈরি করে তা ব্যবহার করা হয় দীর্ঘদিন। কিন্তু প্রতি বছরই তা সংস্কারের প্রয়োজন  হতো। বছর বছর সাঁকো সংস্কারে দেখা দেয় নানাবিধ সংকট। এরপর একটি দীর্ঘস্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণের পরিকল্পনায় ঐকমত্য হন ওই অঞ্চলের সুতিয়ার দু’পারের মানুষ।
সেতু নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা ইনফিনিটি, লুবনান ও রিচম্যানের পরিচালক মনিরুল হক খান জানান, এখনো নূরী পাথর দিয়ে সেতুর উপরের অংশে ঢালাই ও রঙের কাজ বাকি আছে। এতে ব্যয় হবে আরো আনুমানিক ৪ লাখ টাকা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে আংরার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা পাকাকরণ হয়েছে। আর মাত্র ৪৫০ মিটার রাস্তা পাকাকরণ হলে সেতু পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গতা পাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
৮ মে ২০২১, শনিবার, ১০:৪৭

আশা করি সরকারি ঠিকাদার নির্মিত সেতুর চাইতে টেকসই হবে।

অন্যান্য খবর