× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ জুন ২০২১, বুধবার, ৫ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ঝুঁকিতে খুলনাঞ্চল বাড়ছে এইডস পজেটিভ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
৯ মে ২০২১, রবিবার

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ৫ মাসে ৩৯৫ জনকে এইচআইভি/এইডস পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে শনাক্ত হয় ১৬ জন। এ সময়ের মধ্যে এইডস আক্রান্ত দুইজন পুরুষ মারা যান। শনাক্তদের মধ্যে রয়েছে খুলনা মহানগরী খালিশপুর, বয়রা, ময়লাপোতা, গোবরচাকা, বানরগাতী, রূপসা বাগমারা, ফুলতলা, কয়রা, মোংলা, যশোর ও কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এইচটিসি এন্ড এআরটি ফোকাল পার্সন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (মেডিসিন) ডা. দীপ কুমার দাস বলেন, বিনামূল্য খুমেক হাসপাতালে এইডস পজেটিভদের জিন এক্সপার্ট মেশিন দিয়ে ভাইরাল লোড পরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারত সীমান্ত হওয়ার কারণে খুলনাঞ্চল এইডস এর ঝুঁকিতে রয়েছে। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে এইচআইভি-এইডস শনাক্ত পরীক্ষায় কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। একই কারণে সন্দেহভাজন রোগীকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, যারা শনাক্ত হচ্ছেন অধিকাংশই ভারত থেকে আগত, নিষিদ্ধপল্লীতে যাতায়াত, সেক্স ওয়ার্কার। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে অধিকাংশই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই শরীরের রক্ত নেয়ার কারণেও এইডস-এ আক্রান্ত হচ্ছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এইচটিসি এন্ড এআরটি সেন্টারের মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট (ল্যাবরেটরি) মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, ২০১৯ সাল থেকে অক্টোবর ২০২০ সাল পর্যন্ত খুমেক হাসপাতালের এইচটিসি এন্ড এআরটি সেন্টার থেকে মোট টেস্টের সংখ্যা ছিল ৮২০টি। এর মধ্যে পজেটিভ পাওয়া যায় ৩১টি। মারা যায় ৬ জন। মোট এআরভি গ্রহণ করেছে ৫১ জন। ওই সময়ের মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট আইডি সংখ্যা ৩৪৭ জন। এর মধ্যে এআরভি গ্রহণ করা রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮৫ জন। মৃত্যুবরণ করে ২৬ জন। ড্রপ আউট ( নিখোঁজ) ২৭ জন। ওষুধ গ্রহণ করেননি এমন সংখ্যা ২৭ জন। মোট মহিলা রোগীর সংখ্যা ১৩১ জন ও পুরুষ রোগীর সংখ্যা ১৩১ জন। শিশুর মধ্যে রয়েছে পুরুষ ১৪ জন ও মহিলা ১৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গেও রয়েছে ২ জন। তিনি বলেন, আক্রান্ত রোগীরা প্রতি মাসে এসে এআরভি ওষুধ নিয়ে যাচ্ছেন। ওষুধের কোনো ঘাটতি নেই।
ওই প্রকল্পের সূত্র মতে, ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম এইচআইভি আক্রান্ত রোগী ধরা পড়ে। ১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট এইচআইভি/এইডস এর সংখ্যা ৭৩৭৪ জন। এর মধ্যে মারা যায় ১২৪২ জন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর