× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
আগাম প্রস্তুতির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
৯ মে ২০২১, রবিবার

বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করা করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন বাংলাদেশেও পাওয়া গেছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) সমপ্রতি ভারতফেরত কয়েকজনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের ওই ভারতীয় ধরনটি শনাক্ত করেছে। ঢাকা ও যশোরের পৃথক ল্যাবে একই নমুনা পরীক্ষা করে এই ধরনটি শনাক্ত হয়। করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বা ধরনটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয়া হয়েছে বি.১.৬১৭। মিউটেশনের কারণে এর তিনটি ‘সাব-টাইপ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে পাওয়া গেছে বি.১.৬১৭.২ ধরনটি। ভারতে প্রথম এ মিউট্যান্ট শনাক্ত হয়েছিল বলে একে ভারতীয় ধরন বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় দুই ডজন দেশে করোনাভাইরাসের এ ধরনটি পৌঁছে গেছে, তাতে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
যুক্তরাজ্যের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ ভাইরাসের ভারতীয় তিনটি ধরনের মধ্যে বি.১.৬১৭.২ ধরনটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা গতকাল দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সমপ্রতি বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারতফেরত কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন বিন্যাস বিশ্লেষণ করা হয়। তার মধ্যে দুটি নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। চারটি নমুনা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের প্রায় কাছাকাছি। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের পরীক্ষায় একই ফল পেয়েছে জানিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই মানুষকে খুবই বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ৬ই মে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে ভারতফেরত ১৬ জনের নমুনা পাঠানো হয়। নমুনা পরীক্ষা করে তাদের ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।

অধ্যাপক আনোয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে গবেষকরা জেনেটিক সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করেন। তাতে দুজনের শরীরে পাওয়া করোনাভাইরাস যে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়।

আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ: করোনার ভারতীয় ধরনটি দেশে আসায় যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে এখনই। যাতে খারাপ কোনো পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক ভিসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে মানবজমিনকে বলেন, ভারতীয় ধরন নিয়ে আমাদের আর বিশেষভাবে কিছু করার নেই। আমরা যেভাবে অন্য ধরন থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করেছি সেভাবে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। যেটা আমরা মানছি না।

কিন্তু ভাইরাস যেন ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের কোনো প্রস্তুতি নেই উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আমরা তো কথাই শুনছি না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা না মেনে দোকানে কেনাকাটা করছি। মাস্ক পরছি না। এ বিষয়ে কি করা উচিত সেটা আমরা গত বছরই বলেছি। হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা এবং অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ানো উচিত। অক্সিজেন নিয়ে তো আমরা কিছুই করছি না। অক্সিজেন তৈরি হচ্ছে কিনা, কতোটা হয়েছে এ বিষয়ে কোনো রিপোর্ট নেই। সবাই চুপচাপ বসে আছে। এখন হাসপাতালগুলোতে অনেক বেড তৈরি করলেও আমরা জায়গা দিতে পারবো না, এসব বললেই আমাদের হয়ে গেল।

তিনি বলেন, ভারতীয় ধরন ছড়িয়ে পড়লে রাস্তায় বহু সংখ্যক মানুষ মারা যাবে। কারণ, আমাদের পর্যাপ্ত হাসপাতাল ব্যবস্থা নেই। একটি মাত্র কোভিড বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করে আত্মতুষ্টিতে ভুগে বেফাঁস কথা বলে ফেলি। আমাদের সরকারকে বলতে হবে, অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা এবং আরো হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়াতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, আমার মতটা একটু ভিন্ন, সাধারণ মতের চেয়ে। সেটা হলো- ভারতের ভ্যারিয়েন্ট বা ধরন যেটা পাওয়া গেছে সেটা বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে। এ বিষয়ে যে সকল গবেষণা হয়েছে সে গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই ভ্যারিয়েন্ট অন্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে ক্ষতিকারক। এটা খুব অল্প সময়ে মানুষের খুব মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি করে। এখন আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ভ্যারিয়েন্টের প্রতি অতোটা সিরিয়াস না হয়ে আমাদের দেশে যে কমন ভ্যারিয়েন্ট আছে সেটা মোবাবিলা করা দরকার। আর ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের বিষয়ে আমাদের আরো বিস্তর গবেষণা করা দরকার। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যতগুলো ভ্যারিয়েন্ট এসেছে প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টেই কোনো না কোনো টিকায় সেটা প্রতিরোধ করা গেছে। সুতারং ভেরিয়েন্টের উপরে অতোটা গুরুত্ব না দিয়ে আমাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ২৫ কোটি ডোজ টিকা এনে মানুষকে দেয়া। এটার উপরে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা চলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ভারতীয় আর ইউকে ভ্যারিয়েন্ট যেটাই হোক না কেন এগুলো নিয়ে চিন্তা না করে কমন ভেরিয়েন্ট যেটাতে বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছে এবং মারা যাচ্ছে সেই ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে আমাদেরকে লড়াই করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের কাজ হবে দু’টি। প্রথমত- সচেতনতা বৃদ্ধি, মানুষজনকে সম্পৃক্ত করা। দ্বিতীয়ত- স্বাস্থ্যবিধি মানা। এবং সর্বশেষ যেটি হলো- আমাদের যতদ্রুত সম্ভব ২৫ কোটি ডোজ টিকা আমদানি করে সাধারণ মানুষকে দেয়া। এটার মাধ্যমে আমরা হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করতে পারবো। সর্বশেষ হলো ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে গবেষণা করা। প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে প্রফেসর মোজাহেরুল বলেন, আমাদেরকে সবচেয়ে আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সগুলোকে প্রস্তুত করতে হবে। এবং সেখানে আইসোলেশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসাগুলো করার ব্যবস্থা করতে হবে। অক্সিজেন, অক্সিজেন মাস্ক, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা এই তিনটি জিনিস উপজেলা হেল্‌থ কম্পপ্লেক্সে নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সেখানে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mustafa Ahsan
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৬:০০

অশেষ ধন্যবাদ সুজায়েত শামীম -আপনি আপনার লেখনির মাধ্যমে চরম সত্যিকার সত্য তুলে ধরেছেন,প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি এহেন বিষয়ে কালবিলম্ব না করে আশু পদক্ষেপ নিতে।আর ঈদের এই সুইসাডাল যাত্রার পরিনতি যে কি হবে ভাবতে চাচ্ছি না।

Kazi
৮ মে ২০২১, শনিবার, ৬:২১

ভারতের অবস্থা তৈরির জন্য বাঙালি উঠে পড়ে লেগেছে। দল বেধে গ্রাম মুখী যাত্রা, ফেরি ঘাটে মাস্ক ছাড়া সমবেত এটি কিসের আলামত ?

সুজায়েত শামীম
৮ মে ২০২১, শনিবার, ২:৩২

পরিস্থিতি বিবেচনায় "যশোর" জেলাকে সাময়িক বিচ্ছিন্ন করা জরুরি আন্তর্জাতিক সংস্থা জিআইসএইড-এর ডাটাবেজ অনুসারে, এরই মধ্যে কমপক্ষে ২১টি দেশে করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সনাক্ত হয়েছে। ভারত লাগোয়া মালদ্বীপ ও নেপালে এটি হয়ে উঠেছি ভয়াবহ দুশ্চিন্তার কারণ। আমাদের দেশেও মিলেছে এর অস্তিত্ব। সীমান্ত জেলা যশোরে ভারত ফেরত ৬ জন করোনা রোগীর শরীরে রয়েছে ভাইরাসের বি.১. ৬১৭.২ ধরণ। তবে কিঞ্চিত স্বস্তিদায়ক খবর হলো দেশে পাওয়া এই ভ্যারিয়েন্টে ই ৪৮৪ মিউটেশনটি নেই। এটা থাকলে খুব ক্ষতিকর হতো; যেটি করোনার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। পত্রপত্রিকার খবরে মতে যশোর শহরের আবাসিক হোটেলগুলোতে ভারত ফেরত পাসপোর্টধারীদের রাখার মত জায়গা খালি নেই। গেল দুই সপ্তায় আসা দেড় সহস্রাধিক ভারত ফেরত পাসপোর্টধারীরা রয়েছেন কোয়ারেন্টাইনে। তারা ইচ্ছেমত হোটেল থেকে বের হচ্ছেন, বাজারে ঘুরছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি। তাদের দেহে ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে কিনা সেটি পরীক্ষা নিরীক্ষার পর্যায়ে আছে; না নেই - সেটিও জানা যায়নি। এদিকে যশোরের ঈদের বাজারে গাদাগাদি করে দেদারসে ঘুরছে মানুষ। অপরদিকে বিভিন্ন স্থলবন্দরে আসা পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাকের ড্রাইভাররা ইচ্ছেমত বন্দরে ঘোরাফেরা করছেন, মানুষের সাথে মেলামেশা করছেন বলে একাধিকবার বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে জানা গেছে। তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা বা গন্ডিভুক্ত রাখার কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা জানা নেই। আমাদের আরো জানা নেই ভারতের সাথে থাকা সীমান্ত পথগুলো বর্তমানে কতটা সুরক্ষিত। আমরা এটাও জানি না সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইতিমধ্যে কতজন মানুষ অবৈধ পথে এপারে চলে এসেছেন। আমার বদ্ধমূল ধারণা; এই মুহূর্তে সীমান্ত পেরিয়ে চোরা পথে ভারতীয় নাগরিকরা যদি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালায়, ভারতের সীমান্তরক্ষীরা তাদেরকে বাঁধা দেবে না। যেমনটি তারা কখনো ফেনসিডিলের বস্তা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশকারী চোরাকারবারিদের বাঁধা দেয় না বা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার কোন খবর কখনো কোন কাগজে আসেতে দেখা যায়নি। বরং গরু ব্যবসায়ী আর সীমান্ত লাগোয়া গ্ৰামের গরীব কৃষকরা থেকে থেকে হয়েছেন সীমান্তের লাশ। মূল প্রসঙ্গে আসি; সবকিছু মিলিয়ে অনুমেয় কালবিলম্ব না করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া না হলে অচিরেই যশোর হয়ে যেতে পারে গোটা রাষ্ট্রের মাথা ব্যথার কারণ। পরিস্থিতি অনুধাবন করে অন্তত টানা দুই সপ্তাহের জন্য যশোর জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া উচিত। যশোর জেলায় কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেয়া যাবে না। এমনকি এই শহরের বুকের ওপর দিয়ে যারা অন্য জেলায় যেতে চান; তাদেরকেও ঠেকাতে হবে। মোটকথা যশোর জেলার ত্রিসিমানায় আপাতত কাউকে ভিড়তে দেয়া যাবে না। কেবলমাত্র পণ্যবাহী গাড়ি, চিকিৎসাসেবা ও জরুরী কাজে নিয়োজিত যানবাহন আওতামুক্ত রাখতে হবে জনস্বার্থে। ইতিমধ্যে যারা আখেরি ঈদ মনে করে রাজধানী ছেড়েছেন, যশোরমুখী হয়েছেন বা এর মধ্যে যারা পৌঁছে যাবেন; তাদের সকলকে ঈদ পরবর্তী ১৫ দিন যশোরবন্দী করে রাখা জরুরি বলেই মনে করছি। আমাদের সামনে কি আছে জানা নেই; তবে যশোরকে যদি দিল্লি রূপে (আল্লাহ মাফ করুক) দেখতে না চায়; তবে ভেবে দেখা উচিত কালবিলম্ব করার সময় নেই। সুজায়েত শামীম

অন্যান্য খবর