× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ জুন ২০২১, বুধবার, ৫ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

জয়ার আর্জি

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
৯ মে ২০২১, রবিবার

ঈদ হলো ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বেশি লাভের সময়। এই সময় নতুন নতুন পোশাক কেনেন সকলেই। আর এই সময় একটি পোশাক কেনা মানে অনেক পরিবারকে সাহায্য করা। তাদের পাশে দাঁড়ানো। গত বছর লকডাউনে প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছেন, প্রচুর শিল্পীর বাড়িতে হাঁড়ি চড়েনি। বাধ্য হয়ে অনেককে ভিন্ন পেশায় চলে যেতে হয়। সবজি বিক্রি করেও দিন কাটিয়েছেন অনেক তাঁতি শিল্পীরাও। তাই এবার যাতে সেরকম অবস্থায় না পড়েন শিল্পীরা, তারই আর্জি জয়ার।
আসলে ঈদে পোশাক বিক্রি হলে অনেক মানুষ বেঁচে যাবেন, অনেক পরিবারের মুখে উঠবে খাবার । ঈদটা কিছুটা হলেও তাদের আনন্দের হবে, যেটা গত বছর হয়নি। তাই এবার জয়া আহসান এগিয়ে এসেছেন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেছেন অন্তত একটি পোশাক কিনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। এইবারের উৎসবে শপিংকে আনন্দ হিসাবে না দেখে বরং সমাজের এক দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে দেখে একে অপরের প্রতি সহানুভুতিশীল হওয়ার আবেদন করেছেন এ অভিনেত্রী। এই বছর নিজে শপিং মল বা দোকান থেকে পোশাক কেনা সম্ভব না হলে অন্তত অনলাইনে অর্ডার করে সামর্থ্য অনুযায়ী শিল্পীদের সাহায্য করলে সকলের মুখে হাসি ফুটবে, বাঁচবে অগণিত পরিবার। তাত শিল্পর সঙ্গে যুক্ত সব মানুষের মুখে হাসি ফুটবে, আশা জয়া আহসানের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Harun al-Rashid
৯ মে ২০২১, রবিবার, ১:৩৫

গরীবের বাজার করে দেয়ার দরকার পড়লো কেন। চলমান অবস্হায় ঈদ পোষকের আনন্দ না পেলেও ওরা মানিয়ে নেবে। অর্থ সাহার্য্য দিলে তাদের প্রয়োজন মত কাজে লাগাবে।

অন্যান্য খবর