× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে-(৪৬)

‘বিএনপি রাজনীতিতে প্রান্তিক অবস্থায় আসার পেছনে মূল কারণ দুটি’

বই থেকে নেয়া

স্টাফ রিপোর্টার
৯ মে ২০২১, রবিবার
সর্বশেষ আপডেট: ৫:২৮ অপরাহ্ন

রোববার ১৪ই অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৮৫
আজ কারাগারে আমার জীবনের প্রথম ঈদ। আজকে আমার অনুভূতি সম্পূর্ণ অন্য ধরনের। সারা জীবনে কোনো ঈদের উৎসবে আমি এত উপহার সামগ্রী পাইনি। গ্রামাঞ্চল থেকে অনেক সাধারণ লোকজন উপহারসামগ্রী নিয়ে এসেছে। এদের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত ও আবেগমথিত হয়ে পড়েছি। আজ দর্শনার্থীদের আগমনে কোনো সীমাসংখ্যা নির্দিষ্ট করা ছিল না। আমার সবচেয়ে বড়ভাই ৮০ বছর বয়স্ক এফ.এইচ.এম. মাসুমের সঙ্গে আমার বিপুলসংখ্যক আত্মীয়স্বজন এসেছেন জেলগেটে। আসলে এ ছিল দুঃখজনকভাবে হলেও হাসনা, আমান ও আনার অনুপস্থিতিতেই আমার জন্য এক উৎসব।
দর্শনার্থীরা সবাই তাদের নিজ নিজ হৃদয়ের উষ্ণতা ও আন্তরিকতা দিয়ে পরিবারের কাছ থেকে আমার বিচ্ছিন্ন থাকার সেই অভাববোধ যতটা সম্ভব মোচন করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।
টেলিফোনে টেপ করা হতে পারে এ আশঙ্কায় আমার নির্দেশানুযায়ী অনেকদিন আগে থেকেই হাসনার সঙ্গে সমস্ত টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ধরনের যোগাযোগশূন্যতা আমাকে ক্ষতবিক্ষত করলেও গত রাতে আমার অনুরোধে নাফিসা টেলিফোনে যোগাযোগ করেছে হাসনার সঙ্গে। ওরা সবাই ভালো আছে, তবে ওদের দিন কাটছে ঋণ নিয়ে। আনা ভর্তি হয়েছে লন্ডনে নতুন একটি ইউনিভার্সিটিতে আর আমান এক ইংরেজ পরিবারের সঙ্গে বাস করছে সামারসেটে।

সোমবার ১৫ই অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৮৬
আমি ঘুমানোর পর সচরাচর স্বপ্ন দেখি না। কিন্তু আজ রাতে চমৎকার এক স্বপ্ন দেখলাম। পরিষ্কারভাবে হাসনাকে দেখলাম, রান্না করতে করতে অন্তর থেকে গান গাইছে গুনগুন করে। অত্যন্ত মিষ্টি গলার সুর, আবেদনময়Ñ আর হাসনাকে মনে হচ্ছিল খুব প্রফুল্ল। কিন্তু গানটিকে মনে হচ্ছিল অচেনাÑ কথাগুলো ঠিক মনে করতে পারছি না। ওর নিজের ঘর থেকে বের হয়ে এলো আনাÑ করিডোরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিবিষ্ট মনে সেও গান শুনছিল। আনাকে জিজ্ঞেস করাতে সে বললো, সে নিজের মাকে কোনোদিন এই গানটি গাইতে শোনেনি। গানের শেষের দিকে আমি যখন হাসনাকে জিজ্ঞেস করলাম, কার উদ্দেশে সে গানটি গাইছে, ঠিক সে সময় আমার ঘুম ভেঙে গেল, আর তিরহিত হলো আমার স্বপ্ন। হয়তো মহান আল্লাহ তা’আলাই এই স্বপ্নের মধ্য দিয়ে আমার ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে খানিকটা শান্তির প্রলেপ বুলিয়ে দিলেন। বড় ভালো লাগলো আমার।

তারেক রহমান এসেছিল পরামর্শের জন্য। তার সঙ্গে কথা বলে একটা জিনিস সব সময় আমার ভালো লেগেছে। বেশির ভাগ সময়ে দেশের বিভিন্ন মৌলিক সমস্যাসমূহ যেমন আমাদের মতো একটি স্বল্পোন্নত দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবনধারণের মান কীভাবে উন্নত করা যায়, কীভাবে তা অর্জন করা যায় সে বিষয়ে তার অনুসন্ধিৎসু ব্যাকুলতা এবং গভীর আন্তরিকতা আমাকে আনন্দ দিয়েছে। যখনই আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে, তার কাছে থাকে অনেক প্রশ্ন। দ্রুত দারিদ্র্যবিমোচন করার সঠিক পন্থা ও কৌশল, নিরক্ষরতার অবসান এবং দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা টেকসই করার জন্য কোন কোন প্রতিষ্ঠানগুলো অতিগুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে সেগুলো আমাদের বিন্যাস করা সম্ভব, এই বিষয়গুলো জানার জন্য তার মধ্যে রয়েছে এক গভীর আগ্রহ। শহীদ জিয়াউর রহমানের মতো সংযমতা এবং ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার অনেকগুলো গুণ তার মধ্যে রয়েছে।

১৬ মঙ্গলবার ১৬ই অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৮৭
ঈদের ছুটির কারণে চারদিন ধরে খবরের কাগজ নেই। অবশ্য আমি সেগুলো একটা মিস করিনি। প্রায় একইরকম খবরে প্রত্যেকদিন ভরা থাকে কাগজ যাতে থাকে অবৈধ সরকারের গুণগান আর আত্মপ্রশান্তির ফিরিস্তি।
বেগম জিয়া খোকনকে বলেছেন তার চারদিকে লোকজনের করা এতসব দুর্নীতি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। অথচ আমরা এতদিন ধরে তার উল্টোটাই শুনে আসছি। এটা এক আজব ধরনের ঘটনা। তার দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

বিশিষ্ট চিকিৎসক ও পিজি হাসপাতালের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. আবদুল হাদী সরকারি এজেন্টদের শারীরিক নির্যাতন ও নাজেহাল হওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন অবস্থায় স্নায়ুবিক দুশ্চিন্তায় জর্জরিত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। যৌথবাহিনী কয়েক মাস ধরে অনবরত ধাওয়া করে আসছিল তাকে। তার একমাত্র অপরাধ তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন বিএনপি সরকারের আমলে এবং আগামী নির্বাচনের জন্য তিনি ছিলেন প্রতিশ্রুতিবান একজন প্রার্থী।

বুধবার ১৭ই অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৮৮
১৯৯১-৯৬ সালের তুলনায় বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক অবদান ২০০১-২০০৬ সালে ছিল নিঃসন্দেহে অনেক কম। এরপর আমরা ক্ষমতায় গেলে বিএনপির সাফল্য হয়তো হবে আরো কমÑ কারণ দলটির শাসন কৌশলে উন্নতির কোনো স্পর্শ লাগেনি। বিএনপির রাজনীতির রক্তধারায় আত্মোপলব্ধি এবং আত্মসংশোধন শব্দ দুটির কোনো অস্তিত্ব নেই। ক্ষমতার দাপট, অর্থলোলুপতা, বিলাসবহুল জীবনযাপন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং দুর্নীতির মাত্রা বোধহয় একই পর্যায়ে থেকে যাবে। আওয়ামী লীগের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য। এরপর যখনই তারা আবার ক্ষমতায় আসবে সেই শাসনকাল হবে আরো নিকৃষ্ট।

বিশ্বপর্যায়ে বিএনপির বন্ধুহীন হয়ে পড়া এবং রাজনীতিতে প্রান্তিক অবস্থায় চলে আসার পেছনে মূল কারণ হলো দুটি। সেগুলো হলো: (১) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে গভীর সখ্যতার কারণে বিএনপিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এমন ইসলামী উগ্রবাদী শক্তির সহযোদ্ধা হিসেবে যাদের মূল লক্ষ্য হলো ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা। যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতের কাছে তা গ্রহণযোগ্য নয়, (২) তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে থাকা লোকজনের দুর্নীতি। বিএনপি যদি এ দুয়ের গ্লানি কাটিয়ে ভারসাম্যময় মধ্যপন্থি গণতন্ত্রের ধারক-বাহক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না এবং কোনোরকমে আসতে সক্ষম হলেও বেশিদিন তা ধরে রাখতে পারবে না। অন্যদিকে জাতি যদি নারী নেত্রীদের ব্যক্তিগত রাজনীতির প্রতি মোহান্ধ থেকে যায় তা হবে জাতির জন্য সমপরিমাণেই বিবাদময়।

বৃহস্পতিবার ১৮ই অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৮৯
আগামী মাসগুলো হবে ক্ষমতাসীন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষাময়। দিন যত যাবে সরকারের সমস্যা ততই ঘনীভূত হতে থাকবে। সামরিক বাহিনীকে অবিলম্বেই তার নিজস্ব লক্ষ্য স্থির করতে হবে। ক্ষমতায় থাকার সিদ্ধান্ত নিলে তাদের গোটা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে প্রবল গণরোষের মুখোমুখি হতে হবে। যদি তারা নিজেদের ভাবমূর্তি বাড়িয়ে স্বস্থানে থেকে যেতে চায় তাহলে অবিলম্বে ব্যারাকে ফিরে গিয়ে দুই মাসের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে মুক্ত, অবাধ ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। সিদ্ধান্তহীনতার শিকার হয়ে এর কোনোটাই না করলে জাতির ওপর নেমে আসবে মহা-অনিশ্চয়তা ও অকল্যাণ।

শুক্রবার ১৯শে অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৯০
মার্কিন যুক্তিরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সাম্প্রতিক সফরের সময় সেনাবাহিনী প্রধান দম্ভভরে এমনভাবে কয়েকটি মন্তব্য করেছেন যে, যেন তিনি নিজেই দেশ চালাচ্ছেন। আইনত এমন কোনো বক্তব্য একজন সেনাপ্রধান দিতে পারেন না। তিনি বলেছেন, তালিকাভুক্ত ২২২ জন দুর্নীতিবাজের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তিনি ছাড় দেবার কে? কোনো আদালত থেকে কোনো আইনে প্রমাণিত হওয়ার আগে তিনি কাউকে দুর্নীতিবাজ বলেন কীভাবে? তিনি বলেছেন যে, দুটি রাজনৈতিক দল পরস্পরের সঙ্গে লড়াই করলেও দুর্নীতির ক্ষেত্রে তারা একে অপরের সহযোগী হয়ে জাতিকে ধ্বংস করেছে। তার হিসেবে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এ সংখ্যা তিনি পেলেন কোথায়? তার নিজের ভাইয়েরা এখন কী ধরনের ব্যবসা করছে? ফ্লোরিডায় তিনি এও বলেছেন যে, দুর্নীতি উচ্ছেদ না হলে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা ঠিক হবে না। তিনি এটা বলবার কে?

শনিবার ২০শে অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৯১
অনেকদিন পরে আমার স্টাফ শহীদ আমার কাছে আসতে শুরু করেছে। যৌথবাহিনীর হাতে নির্যাতনের সময় যে মার সে খেয়েছে, তার ক্ষত ও যন্ত্রণা থেকে এখনো সে পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। হাসনার বোন আসমা অনেকদিন পর এসেছিল এখানে। ওর স্বামীসহ জ্বালানি সচিব ছিল সে এখন খুবই অসুবিধায় আছে। হাসিনার বিরুদ্ধে একজন সাক্ষী হতে তৌফিক রাজি হয়নি।

হাসনা জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে একটা ফেলোশিপ পেয়েছে জেনে আনন্দ লাগছে। এ একটা দারুণ স্বস্তিকর খবর- কারণ অন্ততঃপক্ষে আগামী তিন মাস তাকে হয়তো আর কারো কাছ থেকে টাকা ধার করতে হবে না।

রোববার ২১শে অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৯২
সেনাপ্রধান স্বয়ং বিপদের মুখোমুখি হয়েছেন। এক কোটি টাকা ব্যয়ে নিজের বাড়ি বানাবার সময় তিনি যে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন, সে খবর এখন ইন্টারনেটে ও লোকের মুখে মুখে ঘুরছে। বাড়ি বানাবার অর্থ সংকুলানের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে এবং সেনাপরিচালিত ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়টিও এখন প্রশ্নাতীত নয়। তিনি নিজে পদাধিকার বলে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান এবং তার ভাই হলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের এটা দেখাবার সুযোগ এসেছে যে, এটি একটি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। সেনাবাহিনী প্রধানের সম্পত্তির বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে তার সম্পত্তির বিবরণী দাখিলের জন্য একটি নোটিশ পাঠাতে পারে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে আমাদের অন্য সকলের মতো তাকে জেলেও পুরে রেখে ক্যাঙ্গারু কোর্টে তার জন্য বিচারেরও ব্যবস্থা করতে পারে। কমিশন কি তা করবে? না। এখন না করলেও এটা নিশ্চিত যে, ভবিষ্যতে কোনো একটা আদালতে বিদ্যমান আইনেই তার বিচার হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ জেনারেল মঈনের সকল দোসরকে একদিন একই পরিণতি বরণ করতে হবে।

সোমবার ২২শে অক্টোবর ২০০৭ দিন ১৯৩
দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে সরকার নিজেই সবকিছু এলোমেলো করে ফেলেছে। বড় বড় নেতা, ব্যবসায়ী, ছোটখাটো নেতা, দুর্নীতিবাজ সবাইকে এক মাপে বিচার করে তাদের গোটা উদ্দেশ্য নিয়েই তারা গোলমাল করে ফেলেছে। আইনের ব্যাপক অপব্যবহার করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানকেই তারা করে তুলেছে আত্মঘাতী ও প্রশ্নবিদ্ধ।
আদতেই এক শ্রেণির লোক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সাহচর্য্যরে সুবাদে কোটি কোটি টাকা অবৈধ পথে উপার্জন করেছে এবং নিজেদের কোনো পেশা বা সামাজিক অবস্থানের প্রেক্ষাপট না থাকা সত্ত্বেও রাতারাতি পথের ফকির থেকে পরিণত হয়েছে কোটিপতিতে। তাদের সাজা দেয়া হলেও একদিন তারা নিজেদের সমস্ত অর্থ স্বচ্ছ হিসেবে প্রতিপন্ন করে বের হয়ে আসবে আর আমার মতো আইনজীবী যারা ৪২ বছর পেশায় নিয়োজিত থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে অর্থ আয় করেছে তাদের আগেই তারা নিজেদের স্বচ্ছ হিসেবে জাহির করে সমাজে নিজেদের শুদ্ধ মানুষ বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। জেলে আসার পর তাদের আয়কৃত অর্থের পরিমাণ দেখে আমি সত্যি সত্যি বিস্মিত হয়েছি। জেলের বাইরে এখনো যারা মুক্তভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে চলাফেরা করছে তাদের হাতেও যে কী পরিমাণে অর্থ আছে তা কেবল কল্পনাই করা যায়।

(চলবে..)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর