× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ৪ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

কেমন আছেন চলচ্চিত্রের আম্মাজান?

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
৯ মে ২০২১, রবিবার

বিশ্ব মা দিবস আজ। এই দিনে সবাই সবার মাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন। বিশেষ এই দিনটিতে খোঁজ নেয়া হয় ‘আম্মাজান’ খ্যাত অভিনেত্রী শবনমের। এখন কেমন আছেন বরেণ্য এই অভিনয়শিল্পী? জানা যায়, বর্তমানে তিনি পাকিস্তানে আছেন। চলতি বছরের শুরুতে তিনি দেশটিতে পাড়ি জমান। এর আগে বাংলাদেশেই ছিলেন। এদিকে কিছুদিন আগে পাকিস্তানের একটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন শবনম। প্রচার চলতি সেই ধারাবাহিক নাটকটির শুটিং ও অন্যান্য কাজের জন্য তিনি পাকিস্তানে যান।
কিন্তু করোনার কারণে শুটিং, কাজ সব আটকে গেছে। শবনম বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। সবার দোয়ায় ভালো আছি এখন। বার্ধ্যক্যজনিত কিছু রোগ ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই। এখন কীভাবে সময় কাটছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একমাত্র ছেলে রনির সঙ্গে সময় কাটে। ওর সঙ্গে গল্প করি। এছাড়া টেলিভিশন দেখা, পত্রিকা পড়া, হাঁটাহাঁটি করা, কাছের মানুষদের খোঁজ-খবর নেয়া- এভাবেই সময় কাটছে। শবনমের স্বামী উপমাহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী, পরিচালক, সুরস্রষ্টা রবিন ঘোষ বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। ১৯৯৯ সালে সর্বশেষ কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শবনম। ছবিটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এবং শবনম এ প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি মুক্তির পর অভিনেত্রীর কাছে অনেক সিনেমার প্রস্তাব গিয়েছিল। মালেক আফসারীর ‘খোদার পরে মা’ সিনেমায় কাজ করার কথা থাকলেও পরে গল্পটি মৌলিক না হওয়ায় সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। শবনম বলেন, সত্যি কথা বলতে ‘আম্মাজান’ এর জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে যেতে পারে এমন কোনো সিনেমার প্রস্তাব পাইনি। তাই পরবর্তীতে আর সিনেমায় অভিনয় করিনি। ক্যারিয়ারে দেড় শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন শবনম। তার অভিনীত প্রথম ছবি ‘হারানো দিন’। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজ ১৯৬১ সালে পরিচালনা করেন ছবিটি। প্রথম ছবিই সুপারহিট। তারপর শুধুই দর্শক মন জয় করে এগিয়ে যাওয়া। তিনিই একমাত্র অভিনেত্রী যিনি কিনা পাকিস্তান চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা নিগার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ১২ বার। এছাড়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তান মিলিয়ে অসংখ্য  সম্মাননায় সমৃদ্ধ হয় তার অর্জনের ঝুলি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
নূর মোহাম্মদ এরফান
১৬ মে ২০২১, রবিবার, ৯:২৬

উনারা তো ছিলেন mixed Religion's তো মধ্যবর্তী জন কি হবেন বা হয়েছেন ? সেই গানের ভাষায় বলতে হয়, হিন্দু বনেগা না মুসলমান বনেগা......? নাকি সোলেমান খানের মত দুইটাই বনেগা। তো শেষ বিদায়ে কবরে নাকি চিতায়?

Kayes
৯ মে ২০২১, রবিবার, ৩:১০

Stay safe madam.

অন্যান্য খবর