× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

এক ফেরিতে পার হলো তিন সহস্রাধিক যাত্রী

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মে ১০, ২০২১, সোমবার, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে সকাল থেকেই ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ভোর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটে জড়ো হন কয়েক সহস্রাধিক যাত্রী। যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সকাল ১০টার দিকে ঘাটে ভিড়ে ফেরি যমুনা। এতে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স ফেরিতে ওঠার সাথে সাথে তিন সহস্রাধিক যাত্রী হুড়মুড়িয়ে উঠে পড়ে। এরপর ফেরিটি বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘরমুখো মানুষের স্রোত রোধ করতে ঘাটের প্রবেশ মুখে গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। যাত্রীরা সেই ব্যারিকেড উপেক্ষা করে এক কিলোমিটার পথ হেঁটে ঘাটে জমা হয়। এ সময় তারা ঘাটে দাঁড়িয়ে ফেরি ছাড়তে হবে বলে স্লোগান দেয়।
এদিকে ফেরিঘাট দিয়ে পার হতে না পেরে ঘাটের পাশের কনকসার এলাকাসহ আশপাশের এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে নদী পার হচ্ছে মানুষ।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবৈধভাবে পারাপারের কারণে ৬টি ট্রলার জব্দ করেছে নৌপুলিশ।

শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। তবে অরিরিক্ত যাত্রীর চাপে সকাল ১০টার দিকে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স ও ৩ হাজার যাত্রী নিয়ে ফেরি যমুনা বাংলাবান্ধা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Desher Bhai
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৭:৪৪

This is an example of a failed state.

Monir
১০ মে ২০২১, সোমবার, ৪:৩০

পরিবহন চালু থাকলে এতটা খারাপ হতোনা ।

Mahmud
১০ মে ২০২১, সোমবার, ২:৩৫

বাংলাদেশের এক শ্রেনির মানুষের আক্কেল নিয়ে প্রশ্ন করলে কোন অন্যায় হবে না । ভয়াবহ করোনায় সারা পৃথিবী বিপর্যস্ত । এটা থেকে বাঁচার একটি পথ হচ্ছে মানুষে মানুষে দুরত্ব । এই বেয়াক্কেলগুলোর সেটা না জানার কথা নয় । তারপরও যখন ঠাসাঠেসি করে তারা ফেরিতে ওঠে আর দুরত্বের বালাই ই রাখেনা তাদের সম্পর্কে ভালো কিছু বলার কোন সুযোগ নেই ।

আনিস উল হক
১০ মে ২০২১, সোমবার, ১২:০১

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সুরা বাকারার ১৮নং আয়াত বোধহয় এদের জন্যই প্রেরণ করেছেন - ' ওরা বধির বোবা অন্ধ। ওরা অন্ধকারেই ঘুরপাক খাবে। সুতরাং তারা আলোয় ফিরে আসবে না।'

কাজি
৯ মে ২০২১, রবিবার, ১১:৪১

মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষ ঘরে যাচ্ছে। তিন হাজার এক ফেরিতে। আক্রান্ত হবে না নিশ্চয়তা নেই।

M a Hamid
১০ মে ২০২১, সোমবার, ১২:৩৭

করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা থেকে দেশের জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে l কিন্তু কোনভাবেই গ্রামের মানুষদের আটকে রাখা যাচ্ছে না l তারা নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশ্যে নানা প্রতিকূলতা কে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে l এমতাবস্থায় ফেরি প্রায় বন্ধ থাকায়, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে l বর্তমান অবস্থান প্রেক্ষাপটে মাওয়া এবং আরিচা ঘাটে করোনাভাইরাস বৃদ্ধির সম্ভাবনা ব্যাপক l অতএব মানুষ যেহেতু গ্রামের বাড়ি যাবেই, তাই তাদেরকে আটকে না রেখে সকল ফেরি ফেরিগুলো চালু করে দেয়া যেতে পারে তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে এবং মানুষের অতিরিক্ত চাপ কমে আসবে বলে আমার ধারণা l আর একটা জিনিস নিশ্চিত করতে হবে, এই ঘরে ফেরা মানুষ যাতে কোনোভাবেই করোনাভাইরাস প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় ঢাকা শহরে ফিরে আসতে না পারে l এমনটা করা গেলে ব্যাপক জনঘনত্বের ঢাকা শহর এবং গ্রাম দুটোই সুরক্ষিত থাকবে l অন্যথায় সামনে মহাবিপদ l দয়াকরে মাক্স পড়ুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন এবং সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন, তাতে আপনি, আমি এবং দেশ নিরাপদ থাকবে, ইনশাআল্লাহ l

অন্যান্য খবর