× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ জুন ২০২১, বুধবার, ৫ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ঘরের মাঠে এসি মিলানের কাছে বিধ্বস্ত জুভেন্টাস

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
১০ মে ২০২১, সোমবার

মৌসুম শেষে জুভেন্টাসের প্রাপ্তির খাতাটা শূন্য। লক্ষ্য এবার আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লীগে জায়গা করে নেয়া। তবে সেই প্রতিযোগিতায়ও বড় ধাক্কা খেলো আন্দ্রে পিরলোর দল। অ্যালিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে জুভদের ৩-০ গোলে হারিয়ে তিন নম্বরে উঠে এলো এসি মিলান। শীর্ষ চারে থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের লীগ শেষ করার আশায় লাগল বড় চোট।
ইতালিয়ান সিরি’আয় টানা দশম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মৌসুম শুরু করেছিল জুভেন্টাস। বাজে মৌসুম কাটানো জুভদের সে ভাগ্য হয়নি। দীর্ঘ ১১ বছর শিরোপা উঠেছে ইন্টার মিলানের ঘরে।
চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হলেও লীগটির উত্তেজনা কমেনি। বাকি দলগুলোর মধ্যে চলছে চ্যাম্পিয়নস লীগে জায়গা নেয়ার প্রতিযোগিতা।
৩৫ ম্যাচ ৬৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে জুভেন্টাস। ৭০ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি আছে চারে। ৭২ পয়েন্ট নিয়ে এসি মিলান তৃতীয় ও আতালান্তা দ্বিতীয় স্থানে। ৮৫ পয়েন্ট চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলানের। আগামী মৌসুমে ইউরোপ সেরার মঞ্চে জায়গা পেতে হলে চার দলের সঙ্গে লড়াই করে শীর্ষ চারে থাকতে হবে জুভেন্টাসকে।
রোববার রাতে নিজেদের মাঠে মিলানের কাছে পাত্তাই পায়নি জুুভেন্টাস। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলেও, গোল করতে পারেনি তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্রথম গোলটি করে ব্রাহিম ডিয়াজ। ফ্রি-কিক পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করতে পারেননি গোলক্ষক ভয়চেখ স্ট্যাসনি। ডি-বক্সে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হুয়ান কুয়াদরাদোর বাধা এগিয়ে ডান পায়ে শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তরুণ স্প্যানিয়ার্ড।
৫৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মিলানের ফ্রাঙ্ক কেসি। এই মিডফিল্ডারের স্পষ্ট কিক ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন স্ট্যাসনি। ডি-বক্সে কিয়েল্লিনির হাতে বল লাগলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সে দুজনকে কাটিয়ে শট নেন। কিন্তু পর্তুগিজ সুপারস্টারের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
৭৮ মিনিটে গোল করেন আন্তে রেবিচ। সতীর্থের পাস ডি-বক্সের সামনে পেয়ে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই ক্রোয়েট স্ট্রাইকার। তিন মিনিটের ব্যবধানে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ফিকায়ো তোমোরি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর