× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৮ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

বন্ধ হওয়ার উপক্রম খুলনার বেসরকারি ১৭ পাটকল

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার

কাঁচা পাট সংকটের কারণে খুলনার বেসরকারি ১৭ পাটকলের উৎপাদনের চাকা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন না হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য, চীন ও ভারতের বাজার হারাতে বসেছে দেশ।
জানা গেছে, পরপর তিন বছর কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ফরিদপুর, শরীয়তপুর, যশোর ও সাতক্ষীরার চাষিরা পাট উৎপাদন কমিয়ে দেয়। গেল মওসুমে বন্যা ও আম্ফানের কারণে পাট উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে বাজারে কাঁচা পাটের সংকট দেখা দেয়। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোকাম দৌলতপুরে প্রতি মণ পাট দুই হাজার চারশ’ টাকার পরিবর্তে পাঁচ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা পাটের মূল্য বেশি থাকায় উৎপাদন সংকটে পড়েছে ফকিরহাটের জয় জুট, মুনস্টার, এএমএম জুট, রূপসার গ্লোরী, সালাম, ওহাব, ডুমুরিয়ার শাহ চন্দ্রপুরী, বটিয়াঘাটার হাবিব জুট, দিঘলিয়ার সাগর জুট, জুট টেক্সটাইল, ফুলতলার আইয়ান জুট, সুপার জুট, মিশু জুট, এফআর জুট ও যশোর জুট প্রডাক্টস। ফকিরহাটের এএমএস জুট ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়েছে।
পাট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুপার জুট মিল পাট কিনতে পারছে না।
উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। তাদের উৎপাদন খরচ হচ্ছে না। বেসরকারি পাটকলগুলোর টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হচ্ছে। ইতিমধ্যেই যশোর-খুলনার ৯টি সরকারি পাটকলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
পাট অধিদপ্তর খুলনার মুখ্য পরিদর্শক সরজিৎ সরকারের কাছে জানতে চাইলে বলেন, বেসরকারি পাটকলগুলো পাট কিনছে কম। এমনিতেই তাদের হাতে পুঁজির সংকট। কাঁচা পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায় পাটকলে পাটের সংকট দেখা দিয়েছে। ৩৬ বছরে এমন সংকট কখনো হয়নি। ২০১৯ সালে কাঁচা পাটের মূল্য ছিল মণ প্রতি দুই হাজার চারশ’ টাকা। এ মওসুমের মূল্য মণ প্রতি পাঁচ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে রূপসাস্থ সালাম জুট মিলের ম্যানেজার বশির আহমেদ জানান, প্রতিদিন এ প্রতিষ্ঠানে ১৬ টন কাঁচা পাটের প্রয়োজন ছিল। গতকাল ও মঙ্গলবার কোনো সরবরাহ নেই। উৎপাদন কমে গেছে। এক সপ্তাহ আগেই শ্রমিকদের ঈদের ছুটি দেয়া হয়েছে। তার দেয়া তথ্য মতে, মধ্যপ্রাচ্য, টারকী ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে চট ও সুতার বাজার সংকুচিত হয়েছে। মিশর ও চীনে অল্প-স্বল্প রপ্তানি হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr.Mohamme
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১২:০৫

কাঁচা পাট সংকটের কারণে খুলনার বেসরকারি ১৭ পাটকলের উৎপাদনের চাকা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আগে ভাবতাম, জাতীয়করণের কারনে সরকারি পাটকল বন্ধ হয়ে গেছে । রুটি রুজি হারিয়েছে কয়েক লাখ শ্রমিক আর খুলনা এখন মৃত । কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে; পাকিস্তান আমলে এরা কি ভাবে পাটকল চালাত বা তারা বিক্রিওবা করত কোথায় ? ইউরোপের বাজারে একটা ছোট পাটের তৈরি কার্পেটের তো অনেক দাম । কোথাও যেন একটা মিসিং লিঙ্ক আছে যা আমাদের খুজে বের করা দরকার। এই ভাবে চললে, পাট চাষ এক সময় নীল চাষে পরিনত হবে । আফ্রিকাতে বাঁধার জন্য দড়ি খুঁজে পাওয়া যায়না । চাকার টায়ার থেকে পোড়া তারই বাঁধনের একমাত্র ভরসা । এগুল বাজারে বিক্রিও হয় । তখন মনে হয়, আফ্রিকাতে পাটের বড় বাজার থাকতে পারে এবং আমাদের সে লক্ষে কাজ করা উচিৎ ।

অন্যান্য খবর