× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ জুন ২০২১, বুধবার, ৫ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

প্রেসার কুকারে কোটি টাকার স্বর্ণ!

শেষের পাতা

সোলায়মান তুষার
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে স্বর্ণ চোরাকারবারিরা অভিনব কৌশল অবলম্বন করেছেন অতীতে। কখনো পেটে করে আবার কখনো আন্ডারওয়্যারে করে স্বর্ণ বিদেশ থেকে আসছিল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে। এবার প্রেসার কুকারে করে কোটি টাকার উপরে স্বর্ণের বার নিয়ে দেশে আসার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক চোরাকারবারি। তার নাম বাহার মিয়া। শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুই কেজি দুই গ্রাম স্বর্ণের বার। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া এ চোরাকারবারির সঙ্গে কারা জড়িত তাদের শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্ব থেকে তথ্য পেয়ে শনিবার দুপুরে ঢাকা প্রিভেনটিভ টিমে কর্তব্যরত কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে সতর্কভাবে নজরদারি করতে থাকেন। এরই মধ্যে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দে নামে সৌদি আরব থেকে আসা একটি বিমান। সন্দেহভাজনদের লাগেজ তল্লাশি করতে থাকেন কাস্টমসের কর্মকর্তারা। একপর্যায়ে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় সৌদি আরব থেকে আসা ফ্লাইটের (এসভি-৩৫৮০) যাত্রী বাহার মিয়ার লাগেজে তল্লাশি করা হয়। তার কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি প্রথমে অস্বীকার করেন। কিন্তু তার ব্যাগেজ স্ক্যানিং করলে সেখানে স্বর্ণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ব্যাগেজ কাউন্টারে এনে প্রেসার কুকার ও চার্জার লাইট ভেঙে দুই কেজি দুই গ্রাম স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। জানা গেছে, জব্দ করা এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। ওই যাত্রীর নাম বাহার মিয়া এবং বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। অবৈধভাবে স্বর্ণ আনায় গ্রেপ্তার বাহার মিয়ার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বাহারকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই মামলাটি তদন্ত করছেন রাজধানীর বিমানবন্দর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম। তিনি মানবজমিনকে বলেন, আসামির কাছ থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর