× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

বক্সারের পর গাজিপুর, আজও গঙ্গায় ভেসে আসছে লাশ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মে ১১, ২০২১, মঙ্গলবার, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

লাশ! আরো লাশ! গঙ্গায় যেন লাশের সারি। সোমবার বিহারে গঙ্গায় ৪০/৪৫টি গলিত, অর্ধগলিত ভাসমান লাশ উদ্ধার করে তা মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। এরপর আজ মঙ্গলবার উত্তর প্রদেশে আরো মৃতদেহ ভেসে যেতে দেখা গেছে সেই গঙ্গায়ই। ভয়াবহ, গা শিউরে উঠা এ দৃশ্যে আতঙ্কে মুষড়ে পড়েছেন উত্তর প্রদেশের গাজিপুরের মানুষ। তবে আজ কতটি মৃতদেহ ভেসে গেছে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এতে বলা হয়েছে, বিহারের বক্সারে সোমবার উদ্ধার করা হয় ৪০/৪৫টি লাশ। কোনো কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এই লাশের সংখ্যা একশত বা দেড়শত।
সেই ভীতিকর দৃশ্য পাড় করার একদিন পরেই মঙ্গলবার বিহারের বক্সার থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার উজানে উত্তর প্রদেশের গাজিপুরে ভাসতে দেখা গেছে বেশ কিছু মৃতদেহ। এতে ওই এলাকাজুড়ে হতাশা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিহার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের রাজ্যে যেসব লাশ সোমবার ভেসে গিয়েছে তা উত্তর প্রদেশের। কারণ, বিহারে কোনো মৃতদেহ পানিতে ভাসিয়ে দেয়ার রীতি নেই। ভারতের উত্তরাঞ্চলে করোনা ভাইরাস যেহেতু ভয়াবহ অবস্থায় ছড়িয়ে পড়েছে, তাই ধারণা করা হয় এসব মৃতদেহ করোনা রোগীদের। শ্মশান বা কবরস্তানে স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে তা ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে পানিতে। তবে এর ফলে নদী ও নদীকে কেন্দ্র করে যেসব জীবিকা নির্ভর করে তা সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা তীব্র হয়েছে। স্থানীয়রাও মনে করছেন পানিতে এসব মৃতদেহ থেকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে তা এক ভয়ঙ্কর অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তদন্ত করছে। গাজীপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমপি সিং বলেছেন, আমরা এ বিষয়ে তথ্য পেয়েছি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন আমাদের কর্মকর্তারা। তারা সবকিছু তদন্ত করছেন। এসব লাশ কোথা থেকে এসেছে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি।
স্থানীয় একজন বাসিন্দা আখন্দ বলেছেন, আমরা এসব বিষয়ে প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়নি তারা। যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তাহলে আমরাও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবো। ওদিকে বক্সারের ঘটনার উদ্ধৃতি দিয়ে জলশক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত টুইটে বলেছেন, স্থানীয় প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, বক্সারে গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসতে দেখাটা দুর্ভাগ্যের। এ বিষয়ে অবশ্যই তদন্ত হওয়া উচিত। ‘মাতা’ গঙ্গাকে পরিষ্কার রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেখানে এমন ঘটনা অনাকাঙ্খিত।
রিপোর্টে বলা হয়, সোমবার বক্সারে ভেসে যায় কমপক্ষে ১০০ মৃতদেহ। এতে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা, আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। কয়েক ডজন মৃতদেহ চৌসা শহরের কাছে গঙ্গায় ভাসতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে লাশের পাশে পানিতেই বিচরণ করতে দেখা যায় কুকুর।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr.Mohamme
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:৪৩

পরমাণু শক্তিধর ভারত সম্ভবতঃ করোনা মহামারীর কারণে মানবিক বিপর্যায়ের মধ্যে পড়েছে যার উত্তাপ প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের পেটেও ঢুকতে পারে । এই মুহূর্তে কয়েকশত লাশ গঙ্গায় ভাসছে এবং যে গতিতে উপর থেকে নীচে চলে আসছে তাতে সামনের এক সপ্তাহের মধ্যে ভাসমান লাশ গুলো আমাদের সীমান্তে পৌঁছানর কথা । তবে এই লাশের সমস্যা শুধু ভাসমান থাকছেনা । আমাদের বার্ড ফ্লু এর অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় মরা লাশ কুকুর , শিয়াল , বেজী , চিল, কাক, শকুন বা কোন বন্য প্রাণী খেয়ে ফেললে তা দীর্ঘ দিন অবিক্রীত অবস্থায় তাদের পেটে থাকে এবং পায়খানা প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে মহা বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে । করোনায় মৃত ভাসমান লাশের ভাইরাসের পরিনতি ভয়াবহ হবে এটা আমার বিশ্বাস । এমতাবস্থায় , এই মানবিক বিপর্যয় রোধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যাবস্থা নেয়া দরকার । বাংলাদেশ এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসঙ্ঘের দারস্থ হতে পারে ।

কাজি
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ৫:৪৭

মৃত্যুর পর ও মানুষ মাটি চায়। তাই লাশ গুলি ভেসে কিনারে আসে।

অন্যান্য খবর