× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের কড়া জবাব যুক্তরাষ্ট্রের, ‘পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নে নিজস্ব অধিকার আছে বাংলাদেশের’

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মে ১২, ২০২১, বুধবার, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশকে ‘কোয়াড’ থেকে দূরে সরে থাকতে চীনা সতর্কতার কড়া জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা বলেছে, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নে তার নিজস্ব অধিকার আছে। অনলাইন দ্য কোরিয়ান হেরাল্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। একদিন আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট কোয়াড থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। তার জবাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস। মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, কোয়াড একটি অনানুষ্ঠানিক জোট। কিন্তু অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি মেকানিজম।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এক বিবৃতিতে বলেছেন, কোয়াডে যোগ দেয়া উচিত হবে না দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশের। এতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মঙ্গলবার প্রেস ব্রিফিংয়ে নেড প্রাইস বলেছেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের ওই বিবৃতিকে আমরা নোটে নিয়েছি। আমরা যা বলবো, তা হলো- আমরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করি। নিজেরাই যাতে তাদের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করে বাংলাদেশের এমন অধিকারের প্রতিও আমরা সম্মান জানাই।
উল্লেখ্য, কোয়াডের নেতৃত্বে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা এটাকে একটি সমমনা গণতন্ত্রের দেশগুলোর অভিন্ন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। তারা বলেছে, চীনের মতো দেশগুলো থেকে যেসব চ্যালেঞ্জ আসছে- তা মোকাবিলার জন্য কোয়াড সদস্যদেরকে উন্নততর অবস্থানে নিয়ে যাবে এই সংগঠন।  এই জোটে নিউজিল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়াকেও যোগ দিতে খোলামেলাভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প খোলামেলাভাবে এই জোটকে সরাসরি চীনবিরোধী আখ্যায়িত করে অনুমোদন দেয়ার ফলে অনেক দেশই এতে যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে। এর কারণ, দক্ষিণ কোরিয়া সহ অনেক দেশের জন্যই সবচেয়ে বড় একক বাণিজ্যিক অংশীদার এখন পর্যন্ত চীন।  
নেড প্রাইস বলেছেন, কোয়াডের বিষয়ে আমরা আগেও বলেছি। আমরা বলেছি, কোয়াড একটি অনানুষ্ঠানিক তবে বহুজাতিক একটি অত্যবশ্যকীয় মেকানিজম, যা বর্তমানে সমমনা গণতন্ত্রের দেশগুলোকে নিয়ে আহ্বান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান। তারা মিলে ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে সমন্বয় করবে। একই সঙ্গে আমাদের মৌলিক লক্ষ্য ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে অবাধ ও উন্মুক্ত করে তোলা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Fahima Chowdhury
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১২:১৭

americans are hypocrites. joe biden has been a failiure already on human rights and democracy. Bangladesh will do what is best for its people regardless of which party is in power in Bangladesh.

আঃ রহমান,
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:১১

চিন বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশিদার। তাদের সম্পর্ক কেমন হবে দু'দেশই ঠিক করবে। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাক গলানোর দরকার নেই। যুক্তরাষ্ট্র মানেই গন্ডগোল রক্তের খেলা।

Mahmud
১২ মে ২০২১, বুধবার, ৪:৪১

চীন আমাদের কোয়াডে যেতে নিষেধ করেনি এবং সেটা তারা করতেও পারে না । তারা বলেছে আমরা কোয়াডে গেলে তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক খারাপ হবে । এটা তারা বলতেই পারে । আমরা তাদের উন্নয়ন অংশীদার হবো আবার তাদের বিরোধী একটা জোটে যোগ দিলে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে এটা ভাবা বোকামী ।

ওবাইদুল
১২ মে ২০২১, বুধবার, ৫:৩২

বুঝা গেল বাংলাদেশকে নিয়ে ভালই টানা-হেচরা চলছে। সাধু সাবধান । আগে দেশের স্বার্থ, তাঁর পর অন্য কথা।

Kamruzzaman
১২ মে ২০২১, বুধবার, ৩:২০

সমমনা গনতান্ত্রিক দেশের জোট কিন্তু বাংলাদেশে আদৌ কি কোন গনতন্ত্র আছে? এখানে চলছে চরম ফ্যাসিবাদ.

Zahirchowdhury
১২ মে ২০২১, বুধবার, ২:০১

বিষয়টি চীন এবং বাংলাদেশের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক্ষেত্রে নাক গলানোর সুযোগ নেই।

Anisur rahman
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১:২৯

Very careful. Very tough time is coming soon. World politics turned into south Asia due to Pacific Ocean. The western war policy turned already. They are waiting for implementation through the Asia Pacific countries. China is our development partner. It's need less to say ,our most infrastructure developing by Chinese help and the help we can't ignore. India is our political friend not infrastructure. We can't ignore their sacrifice for our freedom. I hope everything will be okay but need to very careful. Hard language also a part of diplomacy , but not always openly .

Humayon
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১:৪১

USA & China both looking their own interest as supposed to be, Bangladesh should be neutral because world politics more dirty then domestic politics.

Shobuj Chowdhury
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১:২৯

Where is democracy, freedom of speech and voting rights for the people of Bangladesh? How long Bangladesh remains as Banana Republic?

Shobuj Chowdhury
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১:২৯

Where is democracy, freedom of speech and voting rights for the people of Bangladesh? How long Bangladesh remains as Banana Republic?

‌মোঃ মাহাম
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১২:০৫

বাংলা‌দে‌শে গনতন্ত্র , ভোটা‌ধিকার ও মানবা‌ধিকার হর‌ণের দুই শ‌ক্তি আ‌মে‌রিকা ও ভারত ।

Ariyan
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:২৪

China envoy কে এখনই তলব করা হোক

Mustafa Ahsan
১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:২১

একেই বলে ‘মাইনক্য চিপা’ দেখা যাক বাংলাদেশ এখন কোন দিকে যায় ।চিনের কারনে আমরা তবু একটা গুরুত্ব পূর্ন দেশ হইলাম ,মন্দ না।

অন্যান্য খবর