× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

এ যেন লাশের মিছিল, একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ভারতে

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মে ১২, ২০২১, বুধবার, ১২:৩০ অপরাহ্ন

চারদিকে শুধু মৃত্যুর হাতছানি। নদীতে লাশ। শ্মশানে লাশ। কবরস্তানে লাশ। যেন লাশের মিছিল চলছে ভারতে। তার সঙ্গে গত ২৪ ঘন্টায় যোগ হয়েছে আরো ৪,২০৫টি লাশ। এ যাবতকালের মধ্যে এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এ আরেক লোমহর্ষক মৃত্যুর মাইলস্টোন।
করোনা মহামারি শুরুর পর বুধবারই প্রথম ২৪ ঘন্টায় মৃতের সংখ্যা ৪২০০ অতিক্রম করে। আর আক্রান্তের সংখ্যা অব্যাহতভাবে ৩ লাখের ওপরে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া। সরকারি হিসাবে সব মিলে ভারতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫৪ হাজার ১৯৭। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা এর ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি হবে। কারণ, অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে বেড পাচ্ছে না। অক্সিজেন সঙ্কট। পরিবহন ব্যবস্থা নাজুক। ফলে বাড়িতেই পড়ে আছেন অনেক রোগী। এমনও রোগী আছেন, যাদের হাসপাতাল পর্যন্ত যাওয়ার সক্ষমতা নেই। ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো মাঝেমধ্যেই খবরে তুলে ধরছে বাড়িতে মরে পড়ে আছেন কোনো ব্যক্তি। কয়েক ঘন্টা বা কয়েকদিন পরে থাকছে মৃতদেহ। স্বজনরা সে অবস্থায় লাশ ফেলে পালিয়ে থাকছেন। লাশ উদ্ধার করছে কর্তৃপক্ষ। এমন অনেক ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়ায়। তবে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছে গঙ্গায় লাশ ভাসিয়ে দেয়ার ঘটনা।  উল্লেখ্য, এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৭ই মে। সেদিন মারা গিয়েছিলেন ৪১৮৭ জন। গত ১৪ দিন বা দু’সপ্তাহের বেশি সময় ভারতে দিনে গড়ে কমপক্ষে ৩৫২৮ জন মানুষ মারা গেছেন। এই সময়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যমতে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪২১ জন। সব মিলে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩৮। এই প্রবণতার মধ্য দিয়ে ভারত হয়তো পিক-এ পৌঁছে গেছে, না হয় পিক-এর খুব কাছাকাছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr.Mohamme
১২ মে ২০২১, বুধবার, ৭:২২

১০১ বছর আগে দুর্দম স্প্যানিশ ফ্লু এর সময় বিহারের মুঙ্গেরে গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছিল অগণিত লাশ। ১০১ বছর পর সোমবার ফের একই দৃশ্য প্রতক্ষ্য করল বিহারের বক্সার। উত্তরপ্রদেশের সীমান্তে অবস্থিত বক্সারের গঙ্গায় ভেসেছে ৩০টি মৃতদেহ। অনেকগুলোই বিকৃত। কোভিডে মৃত রোগীদের সৎকারের ব্যবস্থা করতে না পেরে স্বজনরা এই দেহগুলি ভাসিয়ে দিয়েছেন গঙ্গায়, এমনটাই অনুমান। এ ছাড়া, প্রতিদিন শত শত লাশ ভাশ্তে দেকা যাচ্ছে জার কারনে আতংকিত না হয়ে উপায় নেই। এই অগণিত লাশের শতকার কে করবে, সবাই জেন ম্রিতুর ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গেছে । ভারতের নদীতে লাশের সারির কারণ, শবদেহ পোড়ানোর খরচ এক হাজার থেকে বেড়ে ২০, ০০০ এ পরিনত হয়েছে । তা ছাড়া পুড়তে যে জ্বালানির প্রয়োজন তা মানুষের কাছে নেই । জ্বালানী কাঠের বড়ই অভাব এবং একসাথে এত মৃত্যু সরকারের পক্ষে সামাল দেয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে । বিঁধায়, লাশের সৎকারের জন্য নদীই একমাত্র ভরসা । ভারতে এই মুহূর্তে প্রায় প্রতিদিন ১০, ০০০ মানুষ মারা যাচ্ছে যদিও তারা চার হাজারের বেশি স্বীকার করছে না। কিন্ত পরিতাক্ত মরা লাশ পেট ফুলে এক সময় নিম্নাচলে আসবে এবং যদি এই মুহূর্তে নদী ভাসমান লাশ মুক্ত করা না হয়, তবে মরা লাশের কারনে গাঙ্গেও পশ্চিম বঙ্গে মহা দুর্যোগ সৃষ্টি করতে পারে । তবে ফারাক্কা বাঁধের কারনে হয়ত আমরা এবার ভারতের মহামারী থেকে বেঁচে যেতে পারি । এমতবস্থায়, আমাদের সীমান্ত ভারতে যাতায়াতের জন্য অনিদরিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখা উচিৎ । আল্লাহ মালিক ভারতীয়দের এই মহা দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুন ।

Mamun
১২ মে ২০২১, বুধবার, ৩:৫৩

কুসংস্কারাচ্ছন্ন ভারত নামক এই দেশটি নাকি আবার সুপার পাওয়ার হতে চায়।।

কাজি
১২ মে ২০২১, বুধবার, ১২:৫৭

ভারতে কুসংস্কার ও লাশ গঙ্গায় ভাসিয়ে এরা রোগ বিস্তার করে মৃত্যুর মিছিল আরো বাড়াচ্ছে। গো মূত্র পানের পরামর্শ দেয় বিধায়ক। কতো অজ্ঞ ও কুসংস্কার।

অন্যান্য খবর