× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ৪ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ফতেনগরে দরিদ্র সংখ্যালঘুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলো সালমা আদিল ফাউন্ডেশন

বাংলারজমিন


১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার

অসম্প্রদায়িকতার অনন্য নজির স্থাপন করে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ফতেনগর গ্রামের দরিদ্র বৌদ্ধ ও হিন্দুদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে সালমা আদিল ফাউন্ডেশন (এসএএফ)।

মঙ্গলবার (১১ মে, ২০২১) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর হাতে ঈদ সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

এসময় সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মো. গোলাম আজাদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মৃদুল বড়ুয়া, স্বপন বড়ুয়া, বিশ্বজিৎ বড়ুয়া, কালু দে, কার্তিক দে এবং অমূল্য রঞ্জন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় এম পি জনাব নজরুল ইসলাম চৌধরী ( এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি) বলেন
করোনা মহামারীর এই দুর্যোগের সময় মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ঈদ উৎসবে বৌদ্ধ ও হিন্দু সম্প্রদায় এর সাথে ঈদ আনন্দকে সার্বজনীন ভাবে ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ একটি ব্যতিক্রমী সুন্দর দৃষ্টান্ত। সালমা আদিল ফাউন্ডেশন এর এই অসাম্প্রদায়িক উদ্যোগের তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ সম্পর্কে সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সালমা আদিল বলেন, “সামাজিক স্টিগমা কিংবা অন্য যেকোনো কারণেই হোক, ঈদের আগে আমাদের দেশে কেবল দরিদ্র মুসলমানদের মধ্যেই উপহার/খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করতে দেখা যায়। কিন্তু অসাম্প্রদায়িক চেতনার জায়গা থেকে আমরা মনে করি, ঈদের মতো বড় উৎসবের আনন্দ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যেই ছড়িয়ে দেওয়া উচিৎ। আর সেই ভাবনা থেকেই ফতেনগর গ্রামে বসবাসরত গরিব মুসলমানদের পাশাপাশি বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী অস্বচ্ছল পরিবারগুলোর মাঝেও প্রথমবারের মতো ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছে সালমা আদিল ফাউন্ডেশন।“     

সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের অসাধারণ এই উদ্যোগটিকে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ সর্বস্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন। করোনা মহামারির কারণে নিম্নবিত্ত মানুষেরা যখন নানা কষ্টে দিন পার করছেন, তখন ভিন্ন ধর্মের দরিদ্র মানুষের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার অনন্য এই নজির সামর্থবান অন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও উৎসাহিত করবে বলে আশাবাদ তাদের।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর