× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

ফিলিস্তিনে হামলায় মার্কিন কংগ্রেসে ক্ষোভের আগুন ঝরালেন রাশিদা তৈয়ব

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মে ১৪, ২০২১, শুক্রবার, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যখন ‘ইসরাইলিদের আত্মরক্ষার অধিকার আছে’ নীতি গ্রহণ করেছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আবেগঘন বক্তব্য রেখেছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেট দলীয় সদস্য রাশিদা তৈয়ব। তার পূর্বপুরুষদের জন্মস্থান ইসরাইলের বোমা হামলায় তেঁতে উঠছে। ভবন মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে মাটির সঙ্গে। রকেট হামলার জবাব দিতে পুরোপুরি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ১১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ অবস্থায় নিজের আবেগকে ধরে রাখতে পারেননি রাশিয়া তৈয়ব। মার্কিন কংগ্রেসে কারো রক্তচক্ষুর ভয় না করে নিজেই যেন ক্ষোভের আগুন ঝরালেন। পশ্চিমা বিশ্ব যখন একচোখা নীতি গ্রহণ করেছে, তখন তিনি তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন ফিলিস্তিন নামে একটি দেশ আছে।
সেখানে শিশু, নারীরাও নৃশংসতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। অথচ পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিন, সেখানকার বেসামরিক জনগণকে হত্যার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে- সে বিষয়টি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন। কংগ্রেসে তার ক্ষোভ ঝরে পড়লো। তিনি নিজদল ডেমোক্রেট থেকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তার প্রশাসন, বিরোধী দল রিপাবলিকান- কাউকেই ছেড়ে কথা বলেননি। বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদে ফ্লোর নিয়ে তিনি নিজ দল থেকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্য নেতাদের তীব্র সমালোচনা করেন। ফিলিস্তিনিরা বর্তমানে গাজা যুদ্ধে যে নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি তা স্বীকার করে বিবৃতি দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। রাশিদা বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন এবং উভয় দলের নেতাদের দেয়া বিবৃতি পড়ে মনে হচ্ছে- ফিলিস্তিনের অস্তিত্ব মোটেও আছে এটা আপনারা হয়তো জানেনই না। ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোকে ঠিক এই মুহূর্তে হামলা চালিয়ে তাদের বাড়িঘর ছিন্নভিন্ন করে দেয়া হচ্ছে, পরিবারগুলো ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। অথচ তাদের কোনো স্বীকৃতি নেই। আপনাদের বক্তব্যে শিশুদের আটক করা ও হত্যা করার বিষয়ের উল্লেখ নেই। নামাজরত মুসলিমদের, পবিত্রতম স্থানে পবিত্রতম দিনে নামাজ আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি পুলিশ বাহিনী যে হয়রান ও সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে তার কোনো উল্লেখ নেই আপনাদের বিবৃতিতে। নামাজ আদায়ের সময় সহিংসতা, কাঁদানে গ্যাস, ধোয়া ব্যবহার করে আল আকসা ঘিরে রাখার বিষয়গুলো আপনারা উল্লেখই করেন নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md Shahedul Islam Mo
১৭ মে ২০২১, সোমবার, ১০:৫৭

জো বাইডেনকে ভালো মনে করছিলাম।এখন দেখে মনে হচ্ছে শয়তানও ওর কাছে ফেইল।তবে রাশিদা তৈয়ব সত্যিই একজন সাহসী মুসলিম।যখন আরবলীগের কাপুরুষরা কোন শক্ত কথা বা সাহসী বিবৃতি কিংবা কোনো প্রতিবাদ করতে সাহস দেখায়নি সেখানে রাশিদা তৈয়বের মতো একজন বীরঙ্গনা আমেরিকার মতো বিধর্মীদের সামনে হুংকার দিয়েছেন এটা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়।বোন,মহান আল্লাহ তোমাকে যাজায়ে কইর দান করুন-আমিন।

sattar
১৬ মে ২০২১, রবিবার, ৮:১৬

এসব রাশিদাকে নিয়ে বেশি লাফানোর আগে মনে রাখবেন তারা সমকামীতা এবং ভ্রুনহত্যার মত জঘন্য কাজকে সমর্থন করে।

azad
১৬ মে ২০২১, রবিবার, ২:২১

Rashida Tayyab, thank you for your courageous statement on behalf of the oppressed Palestinians.

advocate iqbal
১৬ মে ২০২১, রবিবার, ২:০৫

joe biden tumi dojoke jao

Md. Azam Khan
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ৬:২২

শীঘ্রই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্য চলে আসবে ইনশাল্লাহ l ফিলিস্তিনিরা বীরের জাতি, মহান আল্লাহ অবশ্যই তাদের রক্ষা করবে l ইনশাল্লাহ lআমিন

কালাম ফয়েজী
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ৫:৪০

রাশিদা তৈয়ব, নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আপনার সাহসী বক্তব্যের জন্য সাধুবাদ জানাই।

আবুল কাসেম
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ৪:৪০

পৃথিবীতে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে মোটামুটি চার ধরনের মানসিকতার মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। চার প্রকারের মানুষ চারটি মতবাদ স্থীর করে নিয়ে জীবন যাপন করছে। প্রথম মতবাদটি হলো ইসলাম এবং এটির অনুসারীরা হচ্ছে মুসলিম। ইসলাম প্রাকৃতিক মহাসত্যের উপর ভিত্তি করে সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব নবী রাসূল গণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত মতবাদ। মতবাদ হিসেবে ইসলাম সর্বশ্রেষ্ঠ ও শান্তির ধর্ম, আর মুসলিমরা মধ্যমপন্থী ও সর্বোৎকৃষ্ট জাতি। একজন পরহেজগার একনিষ্ঠ মুসলিমের উছিলায় আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী বাসির উপর তাঁর রহমত বর্ষণ করে থাকেন। দ্বিতীয় মতবাদটি হচ্ছে ইসলাম ও মহাসত্যের সম্পূর্ণ বিপরীত নিরেট জাহেলিয়াত। অবিশ্বাস বা নাস্তিকতাই এই মতবাদের মূলকথা। প্রাকৃতিক মহাসত্যের বিপরীতে এই মতবাদ মানব জাতিকে পরিচালিত করতে গিয়ে পৃথিবীতে গড়ার চেয়ে ভাঙ্গনের কাজই করেছে ঢেরবেশি। তাদের সমস্ত কূটনীতি মেকিয়াভেলির (Machiavelli) রাজনীতিকে আশ্রয় করে গড়ে ওঠে। তাদের আইনপুস্তকে শক্তির নাম ‘হক’ এবং দুর্বলতার নাম ‘বাতিল’। তৃতীয় মতবাদটি হচ্ছে শির্ক মিশ্রিত জাহেলিয়াত। এটিও প্রাকৃতিক মহাসত্য থেকে ছিটকে পড়ে অবাস্তব ও কল্পনা প্রসূত একটি ভ্রান্ত মতবাদ স্থীর করে নিয়েছে। এর অনুসারীরা সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করলেও তারা তাঁর মহান ও পবিত্র সত্তার সঙ্গে আরো অনেক উপাস্য বা ইলাহ্ স্থীর করে নিয়েছে। চতুর্থ মতবাদটি হচ্ছে বৈরাগ্যবাদ। এর অনুসারীরা জগত সংসারের দায়িত্বগুলো পরিত্যাগ করে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বসবাস করা সঙ্গত মনে করে। এটিও প্রাকৃতিক মহাসত্যের বিপরীত। ইসলামি মতবাদ ছাড়া বাকি তিনটি মতবাদ সত্য বিচ্যূত হবার কারণে দেখা যাচ্ছে তারা সকলেই ইসলাম ও মুসলিমদের উপর আঘাত হানছে কখনো একযোগে আবার কখনো একজন আঘাত করলে বাকিরা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে ইহুদি, খৃস্টান, মুশরিক, বৌদ্ধ ও নাস্তিক আর সংসার বিরাগীরা রয়েছে। আজ থেকে ৬৬ বছর আগে ইহুদিরা ফিলিস্তিনে মুসলমানদের ভূমি দখল করে নেয়। ফিলিস্তিনী মুসলমানদের জন্য এটা একটা মহা বিপর্যয়। জায়নবাদীরা বৃটেন ও আমেরিকার অস্ত্র ও রাজনৈতিক সমর্থন পুষ্ট হয়ে ৬৬ বছরের পাপের ইতিহাসের বর্ষ পূর্ণ করলো। বিগত মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হটিয়ে জো বাইডেন ক্ষমতাসীন হয়ে মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে জোর প্রচারণা চালান। বড়ো বড়ো বুলি তাঁর মুখে শুনতে পেয়ে বিশ্বের গনতন্ত্রকামী লাঞ্ছিত ও নির্যাতিত মানুষ আশান্বিত হয়েছিলো। কিন্তু, ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও স্বাধীনতার প্রশ্নে এখন বাইডেনের মুখোশ খসে পড়েছে। আমেরিকা ও পশ্চিমা দুনিয়া কি কখনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষাবলম্বন করবেনা? মুসলিমরা অধিকার আদায়ের দাবি করলে হয় সন্ত্রাসী। আরা মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করলে, ঘরবাড়ি ও ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হলেও হত্যা কারীরা আমেরিকা ও পশ্চিমাদের সমর্থন লাভ করে যাচ্ছে। এদিকে, ইসরাইলকে যথার্থ সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণা দিয়ে ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে মুসলিমদের পবিত্র স্থাপনা আলআকসা মসজিদে তারাবির নামাজরত মুসলিমদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। অন্য দিকে ইসরাইলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। এক টুইটারবার্তায় স্বরা ইসরাইলকে একটি জাতিবিদ্বেষী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণেই নয় সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসরায়েল ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবাইকে প্রতিবাদী হতে ও নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান করেছেন। আসলেই ফিলিস্তিন বাসিদের জন্য সুবিচার ও ন্যায়বিচার চাওয়ার সঙ্গে ইসলামের যোগসূত্র খুঁজতে যাওয়া উচিত নয়। অন্তত শুধুমাত্র ধর্মীয় কারণে মানবাধিকার পাবে কি পাবেনা তা নির্ধারিত হলে মানবতার মৃত্যু ঘটবে। ইসরায়েলের দখলদারি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে সাম্রজ্যবাদী, উপনিবেশিকতাবাদী এবং বর্ণবাদী কারণ যুক্ত রয়েছে। সেই কারণেই মানবিক মর্যাদা ও মূল্য বোধের করব রচিত হবার আগেই ইসরায়েলের দখলদারি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আবেগঘন বক্তব্য রেখে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেট দলীয় সদস্য রাশিদা তৈয়ব ফিলিস্তিনের নির্যাতিত নিপীড়িত জনগণের পক্ষে যে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন সেজন্য তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন। মিস্টার জো বাইডেন এতে লজ্জা পেলেও পেতে পারেন। তিনি তাঁর পূর্বসুরিদের মতো ইহুদি সমর্থন বজায় রেখে মানবতা পদদলিত করা থেকে বিরত থাকা উচিত। ইহুদিরা প্রাচীন কাল থেকেই উগ্র স্বভাবের। তাই যুগে যুগে তাদের উপরও প্রকৃতির প্রতিশোধের আঘাত কম আসেনি। ১৯৪১ সালে জার্মানির নাৎসি বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত বাবিন ইয়ার জায়গায় মাত্র দুই দিনে ৩৩,৭৭১ জন ইহুদিকে গুলি করে হত্যা করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এডলফ হিটলার প্রায় ১১ লক্ষ ইহুদি হত্যা করে। মূলত ইহুদিরা অভিশপ্ত জাতি। আল্লাহ তায়ালা তাদের জন্য আসমান থেকে 'মান' ও 'সালওয়া' নামক খাবার দিতেন। তারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের পরিবর্তে আল্লাহর অবাধ্য হয়েছে এবং নবীদের হত্যা করেছে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করছেন, "(স্মরণ করো) তোমরা যখন মূসাকে বলেছিলে, হে মূসা একই ধরনের খাবারের উপর আমরা আমরা কিছুতেই ধৈর্য ধরতে পারবোনা। তুমি তোমার প্রতিপালকের কাছে বলো তিনি যেনো কিছু ভূমিজাত দ্রব্য- তরিতরকারি, পেঁয়াজ, রসূন, ভুট্টা, ডাল উৎপাদন করেন। সে বললো তোমরা কি আল্লাহর পাঠানো উৎকৃষ্ট জিনিসের সাথে একটি তুচ্ছ জিনিসকে বদলে নিতে চাও? তাহলে তোমরা অন্য কোনো শহরে সরে পড়ো যেখানে তোমাদের এসব জিনিস- যা তোমরা চাইবে তা অবশ্যই পাওয়া যাবে। (আল্লাহ তায়ালার আদেশ অমান্য করার ফলে) শেষ পর্যন্ত অপমান ও দারিদ্র্য তাদের উপর ছেয়ে গেলো। এটা একারণে যে, তারা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করতে থাকলো এবং আল্লাহর নবীদের অন্যায়ভাবে হত্যা করতে থাকলো। আর এসব কিছু এজন্যই ছিলো যে, তারা আল্লাহর সাথে নাফরমানি ও সীমালঙ্ঘন করেছিলো।" সূরা আল বাক্কারা, আয়াত-৬১। শুধু নবীদেরকেই তারা হত্যা করে ক্ষান্ত হননি, যারা মানুষকে ন্যায় ও সত্যের দিকে আহ্বান জানাতো তাঁদেরকেও তারা হত্যা করেছে। ইরশাদ হচ্ছে, "নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহর নিদর্শন সমূহ অস্বীকার করে, যারা অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা করে। মানব জাতিকে যারা ন্যায় ও ইনসাফ মেনে চলার আদেশ দেয় তাদেরকেও হত্যা করে তাদেরকে তুমি কঠোর শাস্তির সুসংবাদ দাও।" সূরা আলে ইমরান, আয়াত-২১। আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেও তারা বিদ্রোহ করেছে এবং নবীদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে ও হত্যা করেছে। ইরশাদ হচ্ছে, "বনী ইসরায়েলের কাছ থেকে আমি আনুগত্যের অঙ্গীকার আদায় করে নিয়েছিলাম এবং আমি তাদের কাছে রাসূল প্রেরণ করেছিলাম। কিন্তু, যখনই কোনো রাসূল তাদের কাছে এমন কিছু বিধান নিয়ে হাযির হয়েছে, যা তাদের পছন্দসই ছিলোনা, তখনই তারা (এই রাসূলগনের) একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছে, আরেক দলকে হত্যা করেছে।" সূরা আল মায়েদা, আয়াত-৭০। এজন্যই আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে দুনিয়ার বুকে যাযাবর করে দিলেন। সারা দুনিয়ায় ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে বৃটেন ও আমেরিকার মদদে তারা ফিলিস্তিনের ভূমি জবরদখল করে যে বসতি স্থাপন করেছে সেটাও অচিরেই ইমাম মাহদির হাতে পতন হবে ইনশাআল্লাহ।

M a Hamid
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ৩:১৮

শীঘ্রই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্য চলে আসবে ইনশাল্লাহ l ফিলিস্তিনিরা বীরের জাতি, মহান আল্লাহ অবশ্যই তাদের রক্ষা করবে l ইনশাল্লাহ l

shah jahan
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ২:০৬

Israil is an illegal state. It has no right to exist.

Bashar Patwary
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ২:০৪

আমরা রশিদার বক্তব্য শুনেছি। আমেরিকান লজ্জা আর মানবতা হলো রেড ইন্ডিয়ান হত্যা করা, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেনে মুসলিম হত্যা করা, মুসলমানদের কে লুটেপুটে খাওয়া! ওদের কাছে কেঁদে লাভ কি? বিশ্ব শয়তান আমেরিকা এবং দ্বিতীয় বিশ্ব শয়তান হলো ইংল্যান্ড, জামানী', ফ্রান্স সহ ইউরোপ। সাথে কিছু মুসলিম নামের কুলাঙ্গার শাসকের দল ও আছে! সব মিলিয়ে বিশ্ব হারামখোর দের দখলে আজ বিশ্ব মানবতা! আমি খোদা কে বিশ্বাস করি, আর যদি সত্যিই থেকে থাকে তবে রাশিদাদের আজকের কান্না এবং আমেরিকার আর ইহুদিবাদের নিপাত অনিবার্য। আর আমরাও তো বিবৃতি দিয়েই শেষ! আমাদের হুজুরেরা বায়তুল মোকাররম গেইটের ভিতরেই একটা প্রতিবাদ সমাবেশ করে শেষ! আল্লাহ পাক এদেরকেও হেদায়েত করুন।

Mohammod Milon
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ২:৫৭

Thank You.

হামিম
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১:৪৮

জো বাইডেন কে মনে হয়েছিল মানুষ এখন তো দেখি উনিও ট্রাম্পের উওরসূরী। মুসলিম নেতাদের কে ঐক‍্য হয়ে বর্বর ইসরায়েল কে প্রতিরোধ করতে হবে। মুসলিম নেতারা আপনারা এক হউন দয়া করে।

মোঃ ময়নুল ইসলাম
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৪

বাপের বেটি বটে!

Samsulislam
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৮

শক্তিতে না পারলে সরে যাওয়াই উত্তম।

Morad
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৩০

এরকম সাহস নিয়ে বিশ্বের প্রতিটি নেতা যদি প্রতিবাদ করত, তাহলে জম্বি বাদী ইসরাইলিরা কখনো ফিলিস্তিনি বা মুসলমানদের উপর অত্যাচার করতে পারত না।। মার্কিন নারীকে আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা রইল।

Kazi
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:১১

Israel =Trump = Joe Biden. No difference between Trump and Biden.

মো: হানিফ
১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:৫৭

মানবতার পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরার জন্য সাহসী আমেরিকান এই নারী কংগ্রেস সদস্যকে লাখো সালাম জানাই।

অন্যান্য খবর