× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ৪ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
কলকাতা কথকতা

মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের প্রাণপুরুষের কোভিড আক্রান্ত দেহের ব্যবচ্ছেদ হল এশিয়াতে প্রথম

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা
(৪ সপ্তাহ আগে) মে ১৫, ২০২১, শনিবার, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

এশিয়াতে প্রথম কোভিডে মৃত কোনো ব্যক্তির মরদেহের ব্যবচ্ছেদ হল কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার দুপুরে। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে কোভিডে মৃত ভারতে মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ব্রজ রায় এর দেহের ব্যবচ্ছেদ হল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই পোস্টমর্টেম ঐতিহাসিক, কেননা এই প্রথম কোভিড আক্রান্ত কারো দেহের পোস্টমর্টেম হল। এর ফলে হিস্টো প্যাথলজিকাল পরীক্ষায় জানা যাবে ভাইরাস কি ভাবে মানবদেহে হানা দেয়, কোন পথে তা ফুসফুসে পৌছায়, তার গতি প্রকৃতি ইত্যাদি। ১৩ মে মরণোত্তর দেহদান সংস্থা গণদর্পনের প্রাণপুরুষ ব্রজ রায়ের মৃত্যু হয় শম্ভুনাথ পন্ডিত হাসপাতালে। ব্রজ বাবু লিখে গেছিলেন, করোনায় তার মৃত্যু হলে দেহটি যেন গবেষণার কাজে লাগে। তাকে নিয়ে লেখা ছড়াটির যেন পূর্ণ মর্যাদা মিলল শুক্রবার। ছড়ায় লেখা হয়েছিল- বলো দেখি মানুষের মৃতদেহ কে কে চায় / শেয়াল, শকুন আর আমাদের ব্রজ রায়।
১৯৮৬ সালে বিজ্ঞানী জে বি এস হল ডেনের ৯৫ তম জন্মদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রজ বাবুর সংস্থা গণদর্পনের। ৩৪ জন প্রথম দিনই দেহদানের অঙ্গীকার করেন। ১৮ জানুয়ারি ১৯৯০ সালে বাংলা তার প্রথম মরদেহটি গবেষণার জন্যে পায়- সুকুমার হোমচৌধুরীর দেহ। অতঃপর ৩১ বছর পরে দেহদান আন্দোলনের প্রাণপুরুষের দেহটি কোভিড গবেষণার নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন করল।         

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md Ibrahim Osman
১৮ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:০৫

it might be happy if I would within those great human.

খালিদ চৌধুরী
১৭ মে ২০২১, সোমবার, ৭:১৬

মরনোত্তর দেহদানের জন্য ব্রজ রায়কে শ্রদ্ধা।

এ,টি,এম,তোহা
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২:৪৬

জ্যোতি বাবু আপনি এতটা রেগে গেলেন গেলেন কেন? যে দেশে খালে বিলে কোভিড প্যাসেন্টের লাশ পাওয়া যায়, কুকুরে টেনে হিছঁড়ে খায়, সেদেশে গত এক বছরেও কোন মেডিকেল স্টুডেন্ট বা গবেষক কোভিড রোগীর মৃতদেহ না দেখে কী বলেছেন, হাুর্ট কালো হয়ে যায়, রোগীর শরীরে ছত্রাক বাসা বাঁধে। নিশ্চয়ই মৃতদেহ কেটে কুটে দেখেছেন। তাহলে ব্রজবাবুর বডি কেন প্রথম হবে-আমি সেটা জানতে চেয়েছি। জানতে চাওয়া মূর্খতা হলে দুনিয়ার সব বিজ্ঞানী, গবেষক মূর্খ। কারণ তারাও জানেনা বলে জানার জন্য গবেষণা করে।

সৌম্যজ্যোতি ঘোষ
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ১:৪৪

তোহা সাহেব আপনাকে বলছি। ভারতে মরণোত্তর দেহদানে আইনী প্রক্রিয়া আছে। দাতাকে জিবীত অবস্থায় অঙ্গীকার করতে হয়। ব্রজবাবু সেই আন্দলোনের প্রাণপুরুষ। বিজ্ঞানের প্রয়োজনে এই সামাজিক দায়িত্ববোধ কজনের আছে? আপনার মতো আলটপকা কথা বলার অশিক্ষিত লোকই সমাজে বেশী।

এ,টি,এম,তোহা
১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ৯:৪৯

হাসপাতালে শত শত কোভিডে মৃতদেহ। ওয়ারিশ-বেওয়ারিশ মৃতদেহ পড়ে আছে। গবেষণায় এতদিন কী লাশের অভাব ছিল যে ওনার লাশটাই প্রথম?

অন্যান্য খবর