× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ৪ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

করোনায় বিধ্বস্ত গ্রামীণ ভারত, অর্থাভাবে লাশ পুঁতে রাখছে গঙ্গার পাড়ে, হতবাক ডোমরাও

অনলাইন


(৪ সপ্তাহ আগে) মে ১৫, ২০২১, শনিবার, ৭:২৫ অপরাহ্ন

ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যে, গঙ্গাতেও বেওয়ারিশ লাশ ভাসতে দেখা যাচ্ছে। শুক্রবারও একই চিত্র দেখা গেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরের গাহমার ঘাটে, পাঁচটি লাশ ঘাটের কাছে পাওয়া যায়। দুটি লাশ গঙ্গার পাড়ে বালিতে আটকে ছিল, একটি ছিল ভাসমান এবং বাকি দুটি ছিল দেহাবশেষ। সেখান থেকে আরও একটু দূরে উন্নাওতে অন্তত ২০০টি লাশ গঙ্গার পাড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। চলতি সপ্তাহেই ওই লাশ দেহগুলো বালিতে পুঁতে দেয়া হলেও মুষলধারে বৃষ্টিতে বালি সরে গিয়ে লাশগুলো বেরিয়ে এসেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির বর্ণনা করে বলা হয়, এই ভয়াবহতা উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের গ্রামীণ মানুষদের অসহায়ত্বকে তুলে ধরছে। গাজিপুর ও উন্নাওয়ের স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং মৃতের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই পরিত্যক্ত লাশগুলোর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ বদঅভ্যাস, গভীর আর্থিক সঙ্কট এবং মৃতদেহ সৎকারের তাড়াহুড়ো। করোনা অতিমারী শহর ছেড়ে গ্রামীণ ভারতে কী ভয়ানক রূপ ধারণ করেছে তার খণ্ডচিত্র হলো এই লাশগুলো। এমন বহু মৃত্যু সরকারিভাবে নথিভুক্তও হয়নি।

বিহার সীমান্ত থেকে ৭ কিমি দূরে গাহমার ঘাটে গত তিনদিন ধরে স্থানীয়রা, পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকরা লাশ সৎকারে ব্যস্ত।

কিছু লাশ জ্বালিয়ে এবং কিছু বালিতে পুঁতে দেয়া হচ্ছে। কমলা দেবী নামে স্থানীয় এক ডোম বলছেন, “এমন দৃশ্য আমি আগে কখনও দেখিনি। নৌকায় চেপে ভাসমান দেহগুলো পাড়ে নিয়ে আসছি আমরা। পঁচা দুর্গন্ধে বাতাসে শ্বাস নেয়া দায়। এখানে গঙ্গা নদী বাঁক নিয়েছে। তাই দেহগুলো নিম্নপ্রবাহে এখানে এসে পাড়ে আটকে যাচ্ছে। অন্তত ৮০টি দেহ তো হবেই।”

প্রদীপ কুমার নামে বাকসার ঘাটের এক নাপিতের ভাষ্য, “করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সৎকারের খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। চিতার কাঠ যেখানে আগে ৫০০ টাকায় মিলতো, এখন সেখানে দেড়-দু হাজার টাকা লাগছে। গোটা সৎকার প্রক্রিয়ার জন্য লাগছে অন্তত ১০ হাজার টাকা। দিন পনেরো আগে এখানে বালির মধ্যে স্থানীয় একজনকে পুঁতে দেয়া হয়েছিল। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি বৃষ্টিতে বালি সরে যাওয়ায় কুকুর তার দেহ খুঁড়ে বের করে। আমি দেখছি, সৎকারের টাকার অভাবে অনেকেই বালিতে দেহ পুঁতে দিচ্ছেন।”

গঙ্গার ঘাটের কাছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অন্তত শ'খানেক কবরের জায়গা খুঁজে পেয়েছে বলে জানিয়েছে। সেখানে বৃষ্টিতে বালির স্তূপ সরে গিয়েছে। স্থানীয় এক জেলে করণ সিং বলছেন, “সপ্তাহ খানেক আগে দিনে ১০০টা দেহ আসতো ঘাটে দাহ করার জন্য। সেগুলোর মধ্যে অর্ধেক বালিতে পুঁতে দেয়া হতো।” কিন্তু বর্তমানে জেলা প্রশাসন বালিতে কবর দেয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ১০:২২

Every body can bury their own relatives dead body in the backyard of their own homes.if they cannot afford wood for burning. It is safe.

Kazi
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ১০:১৬

Today I watch it video in Facebook, he blame Modi as destroyer of the India, while he lectured and promised a prosperous India to public during his election campaign.

Professor Dr.Mohamme
১৫ মে ২০২১, শনিবার, ৮:১৮

গত কয়েক দিনে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও বিহারে গঙ্গায় ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য হাজার হাজার মৃতদেহকে ঘিরে সেখানে চিল, শকুনের দল মচ্ছব শুরু করেছে যা আমি অনেক আগেই আশঙ্কা করছিলাম । এ ছাড়া অত্র অঞ্চলে , ডরা কাঁটা হায়েনারও অভাব নেই যারা বহুদিন এই মরা লাশ খেয়ে বংশ বৃদ্ধি করবে । কোন নিয়ম কানুন না মেনে, কভিদের মরা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং উত্তরপ্রদেশের ২৭ জেলায় গঙ্গার তীরে মাটি চাপাদেওয়া হয়েছে হাজার হাজার মৃতদেহ। কনৌজের মহাদেবী গঙ্গাঘাটের কাছে ৩৫০-র বেশি মৃতদেহ মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। বিহারের বক্সার এর কাছে ৯০০-র বেশি মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে । কুকুর, শেয়ালে অনেক মৃতদেহ টেনে বের করে নিয়ে আসছে। তবে, ভারতিইয়দের মাঝে সম্ভবত কভিদ ভিতি সৃষ্টি হয়েছে জার ফলে, মরা লাশ ফেলে সবাই পালাচ্ছে। অধিকন্তু, গঙ্গার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে মাটি সরে যাচ্ছে আর মৃতদেহ ক্রমান্বয়ে নদীতে ভেসে যাচ্ছে। আমার মনে হয় লাশ কে কবর দেয়ার পদ্ধতি হিন্দু সম্প্রদায়ের জানার কথা না। যার কারনে মাটি সরে গিয়ে মৃতদেহ বেরিয়ে পড়ছে। তার উপর, চিল, শকুন গিয়ে বসছে। এর থেকে সংক্রমণ ও দূষণ দুইই ছড়াবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মৌসুমি বায়ুর প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে গঙ্গার পানি বাড়বে যার ফলে, মাটি চাপা দেয়া লাশ খুব তাড়াতাড়ি পদ্মায় এসে পড়লে আর রক্ষা নেই । এমতবস্থায়, সীমান্তে পাহারা জোরদার করা আশু প্রয়োজন। সব মিলিয়ে ভারতে বিপদজনক পরিস্থিতিবিরাজমান। পার্শ্ববর্তী পচ্চিম বাঙলার কভিদ পরিস্থিতি মারাত্তক আলার ধারন করেছে । আমাদের শজাগ এবং শচেতন হওয়া খুবই জরুরি

অন্যান্য খবর