× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০২১, রবিবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

করোনার মধ্যে বিমানভাড়া করে মধ্য-আকাশে বিয়ে

রকমারি

মানবজমিন ডেস্ক
২৪ মে ২০২১, সোমবার
সর্বশেষ আপডেট: ৮:১৪ অপরাহ্ন

ভারতের তামিলনাড়ুর একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এর কারণ, রাজ্য যখন করোনা ভাইরাসের জন্য লকডাউনে তখন স্পাইসজেটের একটি বিমান ভাড়া করেন সংশ্লিষ্টরা। এতে উঠে যান বর, কনে, উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজন, অতিথি। তারপর মধ্যাকাশে বিমানের ভিতর অনুষ্ঠিত হয় বিয়ে। এর মধ্য দিয়ে করোনার নিরাপত্তা বিষয়ক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। জবাবে স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষ বলেছে, ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের বার বার আইন মানার কথা বলা হলেও তারা তা শোনেননি। যদি এ কথা সত্য হয়, তাহলে বর, কনে এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএনআই’কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এতে বলা হয়েছে, ঘটনাটি তামিলনাড়– রাজ্যের মাদুরাই এলাকার। ওই এলাকার বর, কনের বিয়ের জন্য বোয়িং ৭৩৭ বিমান ভাড়া করা হয়। এতে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কনেকে মঙ্গলসূত্র পরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন বর। তাদের পিছনে এ সময় অনেক মানুষের জটলা। একটি ছবি তোলার সময় ফটোগ্রাফার বর-কনেকে হাসতে উৎসাহিত করেন। কনেকে ফুল, স্বর্ণালঙ্কার দিয়ে সাজানো হয়। আর বর ছিলেন দক্ষিণ ভারতীয় প্রচলিত পোশাকে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানের ভিতরে আরো অনেক মানুষ। তারা কেউ বসে আছেন। কেউ আনন্দ উল্লাস করছেন। তবে বেশির ভাগের এ সময় মুখে কোনো মাস্ক ছিল না। এমনকি সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখেন নি। পুরো ফ্লাইটে মানুষ ছিলেন গাদাগাদি করে। এ অভিযোগে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন তদন্ত শুরু করেছেন। বিমান সংস্থা ও এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। করোনা বিষয়ক আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে যারা অভিযুক্ত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলা হয়েছে স্পাইসজেটকে। তবে বিমানের ভিতর বিয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মাদুরাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পরিচালক এস সেন্থিল ভালাবান বলেছেন, স্পাইটজেটের বিমান মাদুরাই থেকে ভাড়া করা হয়েছে একদিন আগে। মধ্যাকাশে বিয়ের অনুষ্ঠানের বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা অবহিত নন। অন্যদিকে স্পাইসজেট বলেছে, গত ২৩ শে মে একটি ট্রাভেল এজেন্ট ওই বিমানটি ভাড়া করে। তারা জানায়, বিয়ে পরবর্তী আনন্দ করার জন্য তারা বিমান ভাড়া নিচ্ছে। তবে তাদেরকে করোনা বিষয়ক গাইডলাইন অনুসরণ করতে অনুরোধ বলা হয়। বিমানের ভিতরে কোনো অনুষ্ঠান করতে তাদেরকে বারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে এজেন্ট ও ওই যাত্রীদের বিস্তারিত বলা হয়েছে। তাদেরকে লিখিতভাবে এবং মৌখিকভাবে সবকিছু জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে এবং সব নিয়ম মানতে। বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও যাত্রীরা সেই নির্দেশনা মানেননি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
N I BHUIYAN
২৪ মে ২০২১, সোমবার, ১১:৫১

বাহা বাহা দেওয়ার কিছুই নেই - এইটা টাকা নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই নয় । হয়তো খোজ নিলে দেখা যাবে বিক্ষা চাইলে ফকিরের কাছে মাফ চায়

Dr.Md Abdur Rahman
২৪ মে ২০২১, সোমবার, ৯:১৫

Just punish them.

আবুল কাসেম
২৪ মে ২০২১, সোমবার, ৮:১০

"আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।" মানবতার কবি কামিনী রায় আজ বেঁচে থাকলে বিমান বিবাহ বিলাসিতা দেখে নিশ্চয়ই ভিমরি খেয়ে যেতেন। ভারত বর্তমান সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি করোনায় বিপর্যস্ত। হাসপাতালে অক্সিজেন নেই। লাশ সৎকারের প্রয়োজনীয় কাঠ ও চিতার সংকুলান নেই। হাজার হাজার লাশ নদীতে ভাসছে। চতুর্দিকে হাহাকার। মানবিক বিপর্যয়ে লণ্ডভণ্ড মানুষের জীবন। সেই ভারতে এমন বিলাসিতা বেমানান। অমানবিক না হলে যারা বিমান ভাড়া দিয়েছেন তারা দিতেন না। মানুষের দুরবস্থার সময় যারা এগিয়ে আসে না ধিক্কার তাদের প্রতি। আল্লাহ তায়ালা অর্থ সম্পদ দিয়ে বঞ্চিতদের জন্য তা খরচ করতেও আদেশ দিয়েছেন। লাশরিক আল্লাহর প্রতি যাদের ঈমান আছে তারা কখনো অমানবিক ও ভোগ বিলাসী জীবন যাপন করতে পারেন না। তারা হবেন দয়ার্দ্র হৃদয়ের। কবি কামিনী রায় তাঁর কবিতার চরণে বুঝাতে চেয়েছেন, মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের মাঝেই মানুষের জন্ম আবার সমাজের মাঝেই মানুষের মৃত্যু হয়। তাই মানুষকে সহানুভূতিশীল মনোভাব রাখতে হয়। যে ব্যাক্তি অন্যের কথা না ভেবে শুধু নিজের কথা ভাবে সে ব্যাক্তিকে স্বার্থপর বলা হয়। আর স্বার্থপর ব্যাক্তি সর্বত্র নিন্দিত। সে জীবনের প্রকৃত সুখ কখোনো উপলব্ধি করতে পারে না। সমাজে সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে হলে জীবনের প্রকৃত সুখ উপলদ্ধি করতে হলে মানুষকে হতে হয় সহানুভূতিশীল। রাখতে হয় পরোপকারী মনোভাব। অন্যের আপদে বিপদে এগিয়ে যেতে হয়। অপরকে সহযোগীতা করতে হয়। তবেই জীবন হয়ে ওঠে সুখময়। শুধু ভোগের মাঝেই সুখ খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রকৃত সুখকে উপলবদ্ধি করতে হলে ত্যাগও করতে হয়।

অন্যান্য খবর