× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ

সাবধান আসছে বর্ষা, বাড়তে পারে মিউকরমাইকোসিসের দাপট

শরীর ও মন

সেবন্তী ভট্টাচার্য্য
৫ জুন ২০২১, শনিবার
সর্বশেষ আপডেট: ৯:৫৭ অপরাহ্ন

করোনা অতিমারির মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়েছে ‘মিউকরমাইকোসিস’ নামক ছত্রাক ঘটিত রোগ। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ফুসফুসের সমস্যা কিংবা ক্যানসার আক্রান্ত এমন রোগীদের ক্ষেত্রে মিউকরমাইকোসিসের ভয়াবহতা আগেও ছিল, এখনও আছে বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে বর্ষায় কিন্তু কিছুটা হলেও বাড়তে পারে এই রোগের দাপট। কেন এমনটা বলা হচ্ছে?  বর্ষার মধ্যে এই রোগের দাপট বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ হিসেবে ছত্রাকের চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যকেই দায়ী করেছেন চিকিৎসকেরা। বর্ষাকালে চামড়ার ব্যাগ, জুতো দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় রেখে দেয়া হয় তাহলে দেখা যায় সেখানে ছত্রাক জন্মেছে। এই ঋতুতে যেকোনও ছত্রাকই বৃদ্ধি পায়। এবার যেহেতু কোভিড রয়েছে সেই কারণে মিউকর কিংবা অ্যাসপারজিলোসিস আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ‘করোনা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোগ কমে যাওয়ার কথা।
সাধারণ হিসেব বলে ৪ লক্ষ কোভিড রোগীদের মধ্যে যদি ৪ হাজার জন মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত হয় তাহলে পরবর্তীতে আক্রান্ত কমে ২ লক্ষ হলে এই রোগও ২ হাজার হওয়ার কথা। তবে কম বেশি হতেই পারে। শুধু তো কোভিড নয়। দেখা যাচ্ছে মিউকরমাইকোসিস রোগীরা যেখানে রয়েছে সেই ওয়ার্ডে লিউকেমিয়া, HIV রোগীরাও রয়েছে। তাদের দেহেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম। যেহেতু এটি বায়ুবাহিত ফলে অনায়াসে কোভিড আক্রান্ত নয় এমন রোগীর দেহেও ছড়িয়ে পড়ছে এই ছত্রাকটি।'  চিকিৎসকদের পরামর্শ, কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও পরবর্তী দুই থেকে তিন মাস অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে রোগীকে। কারণ তাঁদের দেহে ইমিউনিটি কিন্তু একেবারে তলানিতে। কোভিডের অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও আনুষঙ্গিক প্রতিরোধ কমে যাচ্ছে শরীরে। সেক্ষেত্রে কোনও রোগী যদি দেখেন মাথা  ব্যথা করছে, কিংবা চোখের পিছনে কিংবা নাকের দুই পাশ যেখানে সাইনাস থাকে সেখানে ব্যথা, সর্দিতে রক্ত এরকম উপসর্গ দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। মিউকরমাইকোসিস প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে চিকিৎসা করলেও ৫০ শতাংশ মর্টালিটি কিন্তু থাকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর