× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

বারিধারা মাদরাসা থেকে মনির হোসেন কাসেমীকে অব্যাহতি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ সপ্তাহ আগে) জুন ৯, ২০২১, বুধবার, ৮:০২ অপরাহ্ন

রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী ও মুহাদ্দিস মাওলানা হাবীবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমীকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। বর্তমান নায়েবে মুহতামিম মাওলানা মাসউদ আহমদ ওই দুটি শূন্য পদে তার বর্তমান দায়িত্বের অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠনো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিৃবতিতে বলা হয়, গত সোমবার (৭ জুন) মাদানি সোসাইটি বাংলাদেশের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদিউর রহমানের সভাপাতিত্বে বাদ আছর মাদ্রাসা কার্যালয়ে শুরা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরমধ্যে বারিধারা মাদ্রাসার বর্তমান মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী ও মুহাদ্দিস মুফতি হাবিবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমীকে প্রতিষ্ঠানটির সব পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়।
এ সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মজলিসে শুরার রেজুলেশনে উল্লেখ করা হয় যে, জামিয়ার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, হেফাজতে ইসলাম ইস্যুতে বিতর্কিত হয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হয়ে কারাবন্দি থাকায় মজলিসে শুরা কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে জামিয়ার মুহতামিম পদসহ অন্যান্য সকল পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
মুফতি হাবীবুল্লাহ মাহমুদ কাসেমীকে অব্যাহতিদানের কারণ প্রসঙ্গে রেজুলেশনে উল্লেখ করা হয়, তিনি সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন বিতর্কিত বক্তব্য প্রদান করেছেন। বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হয়ে কারাবন্দি হওয়ায় মজলিসে শুরা কর্তৃক সর্বসম্মতিক্রমে তাকেও স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শুরা কমিটির অন্যতম সদস্য ও বারিধারা মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী বলেন, তারা দুই জন এমন কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য ও কাজের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছেন, যাতে প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে শুরা কমিটিকে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তিনি জানান, বৈঠকে মুহতামিমের শূন্য পদে বারিধারা মাদ্রাসার বর্তমান নায়েবে মুহতামিম মাওলানা মাসউদ আহমদকে তার বর্তমান দায়িত্বের অতিরিক্ত ভারপ্রাপ্ত মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাব শিক্ষা সচিব মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী ও নায়েবে মুহতামিম মাওলানা মাসউদ আহমদের যৌথ সইয়ে পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
৯ জুন ২০২১, বুধবার, ৯:৪৬

রাজনীতি করতে হলে রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে হয় । তখন হক কথা বলার স্বাধীনতা মিলে ।

জ্ঞানী বালক
১০ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:৪১

তাহলে এই মাদ্রাসা থেকে ছাত্ররা কি শিখবে? একজন আলেম যিনি হক কথা বলার জন্য জেলে গেলেন তাকে বহিষ্কার করা হল। তারমানে ছাত্ররা শিখবে হক কথা বলা যাবে না।

Emon
৯ জুন ২০২১, বুধবার, ৯:১১

পৃথীবিতে মানুষ বাঁচবে বা কয় দিন লোভ লালসা ত্যাগ করে সত্যের পথে থাকা সকলের ঈমানি দায়িত্ব.

Borno Bidyan
৯ জুন ২০২১, বুধবার, ৮:২৩

যুগে যুগে বিভিন্ন শ্বাসকরা নিজেদের অপকর্মকে বৈধতা দিতে ইসলামী স্কলারদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করে আসছে! আর যারা তার বিরোধিতা করেছে তাদের ভাগ্যে নেমে এসেছে কঠিন শাস্তি, ভয়াবহ মৃত্যু! তেমনই একজন ছিলেন আমাদের চার ইমামের প্রিয় ইমাম সুন্নী মাজহাবের প্রবক্তা ইমাম আবু হানিফা (রাঃ)! তৎকালীন সময়ের একজন নিকৃষ্ট ও নিষ্ঠুর বাদশা ছিলেন খলিফা মনসুর! ইমাম আবু হানিফা (রাঃ)এর তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে তিনি নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তাকে প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি জালেম শাসকের সমর্থনের দায় এড়ানোর জন্য এ পদ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এতে অপমানে ক্ষুব্ধ হয়ে খলিফা ইমাম আবু হানিফাকে কারাগারে বন্দী করেন। প্রতিদিন তাকে কারাগার থেকে বের করে প্রকাশ্যে দশটি করে চাবুক মারা হতো। চাবুকের আঘাতে তার শরীর থেকে রক্ত বের হতো। সে রক্তে কুফার মাটি রঞ্জিত হতো। পানাহেরর কষ্টসহ বিভিন্নভাবে সত্তর বছর বয়সের বৃদ্ধ ইমামকে নির্যাতন করা হয়। অবশেষে জোর করে বিষ পান করানো হয়। ৭৬৭ ঈসায়ি সালের ১৪ জুন মোতাবেক ১৫০ হিজরিতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

অন্যান্য খবর