× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

দুই বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না বালাগঞ্জের গ্রাম পুলিশরা

বাংলারজমিন

বালাগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি
১১ জুন ২০২১, শুক্রবার

সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত গ্রাম পুলিশরা দীর্ঘ দুই বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ অংশের বেতন-ভাতাদি পাচ্ছেন না। এ ছাড়া মহল্লাদার এবং দফাদারগণ ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মে নিয়োজিত থাকলেও জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ উপজেলায় ২৭ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারীসহ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৪৯ জন গ্রামপুলিশ কর্মরত রয়েছেন। ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা না পাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। গ্রাম পুলিশ সদস্যরা বলছেন, ‘থানা হাজিরা বাবদ সপ্তাহে ৩শ’ টাকা করে প্রতি মাসে ১২শ’ টাকা এবং মোট বেতনের অর্ধেক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দেয়া হয়। এই টাকা বকেয়া থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমরা অভাব-অনটনে দিনাতিপাত করছি। একেকজনের ১ লাখ টাকার উপরে বেতন বকেয়া রয়েছে। এ বিষয়ে সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব ও পরিচালক, স্থানীয় সরকার) মো. ফজলুল কবীর বলেন, ‘বিষয়টি মানবিক।
আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউএন’র কাছে চিঠি প্রেরণ করেছি তারাই সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।’ বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মফুর বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই।’ তাদের পাওনা বেতনের বিষয়টি হিসাব করে রাখার জন্য ইউএনওকে বলেছি। বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার বলেন, ‘গ্রামপুলিশরা বারবার আমার কাছে আসছেন। উপজেলা পরিষদ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তাদের জন্য একটা কিছু করতে হবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর