× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৯ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ

নতুন হট স্পট রাজশাহী

দেশ বিদেশ

আসলাম-উদ-দৌলা, রাজশাহী থেকে
১১ জুন ২০২১, শুক্রবার
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার ক্রমেই বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নগরীর চারটি প্রাথমিক আরবান হেলথ কেয়ার সেন্টার ও ৮টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অস্থায়ী কেন্দ্রে করোনার ফ্রি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
গত তিনদিনে র‌্যাপিড টেস্ট রিপোর্টে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে নগরীর জনবহুল বোয়ালিয়া ও রাজপাড়া থানা এলাকায়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ার্ড মাস্টার অফিসের হিসেব মতে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার পরই রাজশাহী মহানগরীর দুই থানা বোয়ালিয়া (সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, উপশহর) ও রাজপাড়া (লক্ষ্মীপুর, ভাটাপাড়া, বহরমপুর, মহিষবাথান) এবং গোদাগাড়ী উপজেলার অবস্থান। গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে গতকাল বিকাল ৩টা পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনা ও করোনা উপসর্গ দিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের ৪ জনই হেলেন রাজশাহীর চারঘাট, গোদাগাড়ী, তানোর ও পুঠিয়া উপজেলার। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে ৮ জনই রাজশাহীর। আগের দিন সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে ৫ জন রাজশাহীর।

রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস মানবজমিনকে জানান, গত ৯ দিনে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৯২ জন। এর মধ্যে ৫৬ জনই মারা গেছেন করোনা শনাক্ত হওয়ার পর। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন। এরমধ্যে রাজশাহীর ১৮, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ১৬, নওগাঁ ৭, নাটোর ১। তিনি জানান, গতকাল দুপুর পর্যন্ত করোনা ওয়ার্ডের ২৭১ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিল ২৯০ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ১৪২, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ১১১, নওগাঁর ১৫, নাটোরের ১৫, পাবনার ৩, কুষ্টিয়ার ৩ জন ও চুয়াডাঙ্গার ১ জন। আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন ১৮ জন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ল্যাবের ইনচার্জ সাবেরা গুলনেহার বলেন, ‘প্রতিদিন গড়ে ৬০০-৭০০ নমুনা আসছিল। কিন্তু চারটি শিফটে পরীক্ষা করা যায় ৩৭৬টি। এর মধ্যে আমরা একদিন ৫ শিফটে পরীক্ষা করেও নমুনা জট ছাড়াতে পারেনি। বাধ্য হয়ে ৪০০টি নমুনা ঢাকার ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ফ্রি র‌্যাপিড টেস্ট চালু হওয়ার পর চাপ কিছুটা কমেছে।  
এদিকে করোনাভাইরাস ঠেকানোর জন্য রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ তেমন অর্থে কাজে আসছে না বলে মনে করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী। তিনি বলেন, রাজশাহীতে সংক্রমণ অনেক হাই। বলা হয়েছিল- এখানে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার জন্য ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু দেখা গেল যে, প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ছে। হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর