× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

তদন্তের জন্য আরও সময় চায় কমিটি

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
১৪ জুন ২০২১, সোমবার

আম্পায়ারিং ইস্যুতে বিসিবি সভাপতি তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন । তবে বেঁধে সময়ে তদন্ত শেষ করা সম্ভব নয়, জানিয়ে দিয়েছে কমিটি। তদন্ত কমিটিতে থাকা নাঈমুর রহমান দুর্জয় গতকাল জানান, বোর্ড সভাপতির কাছে আরও সময় চাওয়া হবে ।
পাঁচ সদস্যের কমিটিতে দুর্জয় ছাড়াও আছেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ, মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল, বোর্ড পরিচালক শেখ সোহেল এবং প্রধান ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসান। তাদেরকে বলা হয়েছে আগামী ১৫ জুন বোর্ড মিটিংয়ের আগে রিপোর্ট পেশ করতে। গতকাল মিরপুরে গণমাধ্যমকে দুর্জয় বলেন, ‘আমাদের বোর্ড সভাপতি একটি গাইডলাইন দিয়েছেন। স্পেসিফিক কিছু থাকলে পরে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দেখতে বলা হয়েছে। আমরা কাজ শুরু করবো, এখনও কাজ শুরু করিনি। তো সেই গাইডলাইন অনুযায়ী আমরা এগোবো।
আমরা কাজ শুরু করি। এরপর সময় লাগলে আমরা বোর্ড প্রেসিডেন্টের কাছে আরো সময় চাইতে পারি।’
ডিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে এই দলটি বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে। চলতি আসরে আট রাউন্ড হয়ে গেলেও আবাহনীর কোনো ব্যাটসম্যান এখনো এলবিডাব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেননি। আরও অভিযোগ আছে, নির্দিষ্ট কয়েকজন আম্পায়ারকেই আবাহনীর ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়।
দুর্জয় বলেন, ‘কাজ শুরু করলে এইরকম যত অভিযোগই আসবে সেসব নিয়ে আমরা কাজ করবো। তাছাড়া আমরা এটাও দেখবো যে কারা কোন আম্পায়ারকে কোন ম্যাচে রাখছে। এটা তো যারা আম্পায়ার ঠিক করে তাদের সাবজেক্ট। আমরা সেটাও দেখবো। এখন তো ক্রিকেটের সিস্টেমেই চালু আছে যে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক বা টিম ম্যানেজমেন্ট আম্পায়ারিংয়ের ওপর রিপোর্ট দেবে। এখন হয়ত তদন্তে সেই রিপোর্টগুলো বের হয়ে আসবে। আমরা সেই রিপোর্টগুলোও খতিয়ে দেখবো।’
বড় দলের পক্ষে সিদ্ধান্ত যাওয়া প্রসঙ্গে দুর্জয় বলেন, ‘আসলে এই জিনিসিগুলো অনেক আগে থেকেই ছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ছোট দল-বড় দলের বৈষম্য দেখা গেছে। এখন ডিআরএসের কারণে অনেকটা স্বচ্ছতা আছে। তো আমার মনে হয় এখন যদি আমরা ঘরোয়া ক্রিকেটেও এই প্রযুক্তিগুলো যুক্ত করি তবে সমস্যা অনেকটা সমাধানের পথ পাবে। ক্রিকেটকে সামনের দিকে এগোতে হলে অবশ্যই আম্পারিংকে কনসিডারেশনে নিতে হবে। এটা এমন একটা জায়গা যেখান থেকে ক্রিকেট উন্নতি করতে পারে আবার ক্ষতিও হতে পারে। আম্পায়ারদের মানও যেন ভালো হয় সেদিকটা নজরে রাখতে হবে।’
একটা সময় ছিল বড় দলগুলি সুবিধা পেত। আমি ব্যাক্তিগতভাবে জানি, আমি যখন খেলতাম তখন আবাহনী, মোহামেডান, বিমান এমন বড় দলের বিপক্ষে আমাদের একজন ব্যাটসম্যানকে দুই-তিনবার আউট দিতো। কিন্তু সেই সময়টাতো এখন নাই। এখন প্রযুক্তি আসছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর