× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

বন্ধ হয়ে যাওয়া সাকিবের কাঁকড়া খামারের জমি ও পাওনা টাকা ফেরত চান মালিকরা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
১৪ জুন ২০২১, সোমবার

বন্ধ হয়ে গেছে সাকিব আল হাসানের কাঁকড়া খামার। ২০১৬ সালে দুই সহযোগীকে নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ‘সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড’ নামে একটি হ্যাচারি কাঁকড়া খামার গড়েন সাকিব। পাঁচ বছরের চুক্তিতে স্থানীয়দের কাছ থেকে ৪৮ বিঘা জমি লিজ নেন সাকিব ও দার দুই ব্যবসায়িক সহযোগী সাহাগীর হোসেন পাভেল ও মো. ইমদাদুল হক। জমির চুক্তিনামার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর।

প্রকল্পে জমি ইজারাদানকারী আবদুল মজিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম জানান, ‘চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস আগে শেষ হয়েছে। আমার বাবা প্রকল্পে সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি দেন। বর্তমানে ১৯ হাজার টাকা বাকি থাকলেও তারা তা পরিশোধ করছে না। মেয়াদ শেষ হলেও তারা নতুন করে চুক্তি করছে না। এমনকি জমিও ফেরত দিচ্ছে না।’
সাকিবের প্রকল্পে ১৭ শতক জমি ইজারা দিয়েছিলেন সুরাত আলী গাজী।
তিনি বলেন, ‘আমি এখনও ৬৫ হাজার টাকা পাব।’ জমি ইজারা দেওয়া আরেক চুক্তিকারী আবুল বাসার বলেন, ‘সাকিব একজন আন্তজার্তিক মানের ব্যক্তিত্ব। তাকে দেখেই আমরা জমিটা দিয়েছিলাম। এখন জমিও ফেরত পাচ্ছি না আবার টাকাও পাচ্ছি না। মৌখিকভাবে আমরা ঘটনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। তিনিও কোনো সুরাহা করতে পারেননি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্পের আরেক অংশীদার ইমদাদুল হক বলেন, ‘প্রকল্পটি এখন বন্ধ। সাকিব আল হাসান সকল বিষয়ে অবগত রয়েছেন। সমস্যার সমাধান করা হবে।’ অপর অংশীদার সাহাগীর হোসেন পাভেল বলেন, ‘প্রকল্পটি চট্টগ্রামের একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে’।

শনিবার একটি সংবাদমাধ্যমকে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমরা লোকসানের মুখে পড়েছি। মহামারির মধ্যে পাঁচ কোটি টাকার অর্ডার বাতিল করা হয়। সরকার থেকে প্রণোদনা হিসেবে ঋণ পেলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করব।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর