× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার, ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

অর্থের বিনিময়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগের অভিযোগ

বাংলারজমিন

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার

আগামী ২১শে জুন দশমিনা উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে অর্থের বিনিময়ে সহকারী-প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতি’র দশমিনা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আবদুর রহমান স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে এ অভিযোগ করেন। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান নির্বাচন অফিসের বারান্দায় নিজের আপন ছোট ভাইকে দাঁড় করিয়ে ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকার বিনিময়ে সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগের জন্য নাম নিয়েছেন। এ কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে মাদ্রাসা, এবতেদায়ী ও ননএমপিও কলেজ এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দশমিনা সরকারি কলেজের এক শিক্ষক জানান, নন এমপিও ২ জন শিক্ষক নির্বাচনী দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরদের কোনো দায়িত্বে দেয়া হয়নি। উপজেলা ‘কৃষি দপ্তরের সিনিয়র উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবু হানিফ জানান, তিনি একাধিক নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করলেও এ বছর নির্বাচন কর্মকর্তা তার স্থলে একই দপ্তরের জুনিয়রকে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন। তাই নিজের নাম সহকারী প্রিজাইডিং থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান জানান, আমার ভাই জোবায়ের হোসেনকে মাস্টাররোলে কাজ করানো হচ্ছে।
অর্থ নেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল-আমিন জানান, ইউপি ‘নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা তাই আমি করিনি। তবে তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি আমার কাছে অস্বীকার করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর