× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার, ১৭ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

বাঁধ হস্তান্তরের আগেই দখলের প্রতিযোগিতা

বাংলারজমিন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার

ঝড়-জ্বলোচ্ছাসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অনেকটা রক্ষাকবজ শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী পাউবোর ৩৫/১ পোল্ডারের বেরিবাঁধ। যার পুনঃনির্মাণ কাজ শুরু হয় গত ৪ বছর আগে। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই দখল প্রতিযোগিতায় কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন  স্থানীয় প্রভাবশালীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে  ২০১৭ সালে পোল্ডারের ৬৩ কিলোমিটার দৈঘ্যের বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করে চায়নার (এইচ. সি. ডব্লিউই) নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পার্শ্ববর্তী উপজেলা মোড়েলগঞ্জের খাউলিয়া ইউনিয়ন ও শরণখোলা উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ৬৩ কি.মি. বাঁধের মধ্যে ১৯৮৪ সালে নির্মিত বলেশ্বর ও ভোলা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। খালগুলোর পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য তৎকালীন সরকারের নির্মাণাধীন জরাজীর্ণ ৩২টিসহ প্রায় অর্ধশত স্লুইসগেট (জলকপাটের) নুতন করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু চার বছরেও কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেনি  ঠিকাদার গ্রুপ। এ বিষয়ে, নাম গোপন রাখার শর্তে উপজেলা রায়েন্দা বাজার এলাকার এক সমাজসেবক বলেন, সরকারি কোটি কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ নিয়ে পুনরায় বাঁধের জমি প্রবাভশালীরা দখল করে সেখানে পাকা ইমারত নির্মাণ করছেন।
প্রসাশনের নাকের ডগায় এ প্রতিযোগিতা চললেও তারা দেখেও না দেখার ভান করছেন। যে কারণে ৩৫/১ পোল্ডারজুড়ে জমি দখলের মহোৎসব শুরু হয়েছে। শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা মো. রেজাউল করিম খান রেজা বলেন, অবৈধ দখলদারদের বাঁচিয়ে ঠিকাদার গ্রুপ রায়েন্দা বাজার ব্যবসায়ীদের ক্ষুদ্র স্বার্থ রক্ষা করতে প্রধান খাল দখল করে ৯৫ ফুটের বাঁধ নির্মাণ করেছেন। খালটি রক্ষা করতে না পারলে শুকনো মৌসুমে পানির জন্য হাহাকার পড়বে গোটা উপজেলাজুড়ে। প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, দখলকারীদের সরানোর কাজ ঠিকাদার গ্রুপের নয়। আমরা বিষয়টি ইতিমধ্যে বেড়িবাঁধ কর্তৃপক্ষ (পাউবো)কে অবহিত করেছি। তারা পদক্ষেপ নেবেন। বাঁধ হস্তান্তরে আরও সময় লাগবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, দখলের বিষয়টি জানতে পেরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেছি। শিগগিরই দখলকারী ব্যক্তিদের সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর