× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার, ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিলো দপ্তরি

বাংলারজমিন

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ কেনার ভাতা বিতরণের টাকা আত্মসাৎ করেছে কুলাউড়ার বরমচাল ইউনিয়নের নন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি রুবেল আহমদ। এমন অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না বললেও অভিভাবকরা ওনার ওপরও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত। এদিকে বিষয়টি সমাধানের জন্য উত্তেজিত অভিভাবকরা দপ্তরি রুবেলকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির একটি রুমে বহিরাগত মহিলা এনে তাবজাদি করার অভিযোগও উঠেছে রুবেলের বিরুদ্ধে। জানা যায়, করোনা মহামারির মধ্যে সরকার গত তিন মাসে এক কোটি মায়ের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হয়েছে। একইভাবে গত সপ্তাহে টাকা আসে কুলাউড়ার নন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মোবাইলেও। জনপ্রতি শিক্ষার্থী ৯শত টাকা করে পায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের নির্দিষ্ট মোবাইলে ‘নগদ’ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। যাদের সিম ছিলনা তারা তাৎক্ষণিক নতুন সিম ক্রয় করে ‘নগদ’ রেজিস্ট্রেশন করেন। ওই সময় দপ্তরি রুবেল কৌশলে ‘নগদ’ এর পিন নাম্বার সংগ্রহ করে রাখে। অনেক অভিভাবকের পুরনো সিম থাকলেও দপ্তরি রুবেল জোরপূর্বক নতুন সিম ক্রয় করায়। আরও জানা যায়, যাদের ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে অথচ পিন নাম্বার নাই তাদের ঘরে গিয়ে বিভিন্ন প্রতারণার কৌশল নিয়ে ওই মোবাইল থেকে টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে সেন্ড করে রুবেল। বিষয়টি জানাজানি হলে কিছুসংখ্যক অভিভাবকের কাছে সাড়ে ৪শত টাকা করে ফেরত দেয়। পরিস্থিতি সামলাতে অন্যান্য অভিভাবকদের টাকা ফেরত দেবে বলে কাকুতি মিনতি করে রুবেল এমনটা জানান একাধিক অভিভাবক। নন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৮৪ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পান বলে জানা যায়। তবে রুবেল কতজনের টাকা আত্মসাৎ করেছে তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে প্রধান শিক্ষক কৃপাময় চক্রবর্তী জানান, অনেক অভিভাবক আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছি। চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টি তিনি সমাধান করে দেবেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুলাউড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি জেনে তাৎক্ষণিক প্রধান শিক্ষককে এনে মঙ্গলবারের (১৫ই জুন) মধ্যে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়ার জন্য বলেছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর