× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৯ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

বিদেশ যেতে বাধা

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক
১৬ জুন ২০২১, বুধবার

তিনি বেশিদিন চুপচাপ বসে থাকতে পারেন না। আলোচনার কেন্দ্রে থাকতেই বেশি ভালোবাসেন নায়িকা। সেই ভালোবাসাকেই ফের একবার ঝালিয়ে নিলেন কঙ্গনা রানাউত। এবার বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। সমস্যার কেন্দ্রে তার পাসপোর্ট। বেশ বিষয়টা আরও খানিক খোলাসা করে বলা যাক। কঙ্গনা রানাউতের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর। তার আগেই তিনি পাসপোর্ট রিনিউ করাতে চান কারণ সেই সময়ে তিনি ছবির শুটিংয়ের জন্য বিদেশে থাকবেন।
কিন্তু তার এই ইচ্ছাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রিজিওনাল পাসপোর্ট অফিস। কিন্তু কেন? পাসপোর্ট রিনিউ করার সময়ে তিনি জানান তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আছে। মুনাওয়ার আলি নামক এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিলেন। কঙ্গনার বিভিন্ন আপত্তিকর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিরুদ্ধেই ছিল এফআইআর। এই তথ্য জানানোর পর পাসপোর্ট অফিস থেকে তাকে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট রিনিউ করাতে হলে তাকে আদালতের ছাড়পত্র নিয়ে আসতে হবে। যার কারণে বিদেশে যেতে বাধা প্রাপ্ত হয়েছেন নায়িকা। এই মর্মেই আদালতে আসেন কঙ্গনা রানাউত। আবেদন করেছেন যাতে আদালত তার অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত হওয়ার থেকে আটকায়। অভিনেত্রীর আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, কঙ্গনা রানাউত ১৫ই জুন থেকে ৩০শে আগস্ট পর্যন্ত দেশের বাইরে বুদাপেস্ট এবং হাঙ্গেরিতে শুটিং করবেন তার আগামী ছবি ‘ধাকাড’-এর। কিন্তু এখন পাসপোর্ট রিনিউ না করা গেলে তিনি সফর করতে পারবেন না। তার ফলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে এই ছবির প্রযোজক সংস্থাগুলোকে। এই কারণ দেখিয়েই আদালতে আবেদন করা হয়েছে যাতে নায়িকার পাসপোর্ট রিনিউ করার অনুমতি দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, কঙ্গনা রানাউত এখন আটকে আছেন। তিনি আবেদন করেছেন। এখন আমরা আশা করছি এ অবস্থার অবসান ঘটবে এবং পাসপোর্ট রিনিউ করে ছবির শুটিংয়ে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন। এদিকে কঙ্গনা রানাউতের হাতে আছে আরো বেশ কয়েকটি ছবি। তবে কাজের চাইতে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েই বেশি শিরোনামে আসেন তিনি। সবশেষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে টুইটার কতৃপক্ষ তার একাউন্টটিও বন্ধ করে দেন। এরপর অন্য একটি মাধ্যমে টুইটার নিয়েও সমালোচনা করেন কঙ্গনা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর