× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩ আগস্ট ২০২১, মঙ্গলবার , ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ
কক্সবাজার বাঁকখালী নদীর তীর দখল

বিচার বিভাগীর তদন্তের নির্দেশ

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
১৬ জুন ২০২১, বুধবার

কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী নদীর তীরে উত্তর মুহুরীপাড়ায় প্রায় ৬০ একর ফসলি জমির জবরদখলের অভিযোগের বিষয়ে বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে, ওই জমিতে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী উত্তর মুহুরীপাড়ায় ‘ভূমিদস্যুদের’ প্রায় ৬০ একর ফসলি জমির ‘জবরদখল’ ঠেকাতে এবং পুনরুদ্ধার করে জমির দখল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। এছাড়া, জবরদখল থেকে এই ৬০ একর ফসলি জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে তা হস্তান্তর করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
ভূমি সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী ভূমি কমিশনার, কক্সবাজার সদর থানার ওসিসহ ১২ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের রিটের শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট ওই ৬০ একর জমিতে স্থিতাবস্থা জারি করেছে।
ফলে দখলকারী চক্র ওই জমিতে কিছু করতে পারবে না। যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে। পাশাপাশি জবরদখলের বিষয়টি অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী উত্তর মুহুরীপাড়ায় প্রায় ৬০ একর ফসলি জমি জবরদখলে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে গত ৩১শে মার্চ হাইকোর্টে রিট আবেদন করে মানবাধিকার ও আইনি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদনটি করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর