× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

করোনার মধ্যেও রেকর্ড ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জুন ১৯, ২০২১, শনিবার, ৪:২২ অপরাহ্ন

করোনা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় (রিজার্ভ)। বর্তমানে দেশে রিজার্ভ প্রায় ৪৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ গত ১৭ই জুন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন বা প্রায় চার হাজার ৫৪৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে ১১ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এদিকে চলতি অর্থবছরে ১৭ই জুন পর্যন্ত অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রিজার্ভ ২৬.১৫ শতাংশ বা ৯.৪২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের শুরুতে অর্থাৎ ৩০ জুন যা ছিল ৩৬.০৩ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ৩রা মে দেশের রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
ওইদিন রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে চলতি বছরের ২৪শে ফেব্রুয়ারি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৪.০২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। তারও আগে ৩০শে ডিসেম্বর রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ই ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন ডলার এবং ২৮শে অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। বাংলাদেশের রিজার্ভ প্রথম ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে ২০২০ সালের অক্টোবরে। এরপর ধারাবাহিক বেড়ে গত ডিসেম্বরে ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
এম রহমান
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ১১:১২

যতই দিন যাচ্ছে ততই পরিবর্তন দেশের অর্থনৈতিক চেহারা। তাতে জাতি হিসাবে অবশ‍্যই গর্বিত। বতর্মান সরকারের আমলে হাজার কোটি ছাড়িয়ে এখন লক্ষ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়ন করা হয়। প্রায় সব শ্রেণী পেশার মানুষের কথা চিন্তা করা হলেও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিশেষ করে ২০১৩ সালের পূর্বে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের কথা কেউ কোন চিন্তা ভাবনা করেন না বা ভাবেন না।অথচ এই অংশটি চাকুরী জীবনে যেমন আর্থিক কষ্টের মধ‍্যে ছিলেন এখনও আরও বেশী কষ্টের মধ‍্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন। মানবিক কারনে হলেও বর্তমান বাজেটে তাদের কথা ভেবে দেখা উচিৎ। কারন, স্বাধীনতার পর চাকুরীজীবি এই অংশটি সরকারি চাকুরী জীবনে খুবই কম বেতনে কষ্ট করে সংসার পরিচালনা করে দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে গিয়েছেন। আশা করি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি বিবেচণায় নিয়ে এ ব‍্যাপারে বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা গ্রহণ করবেন।

অন্যান্য খবর