× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

‘বিএনপি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জুন ১৯, ২০২১, শনিবার, ৫:৪৫ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১২ বছর আগের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। একযুগ আগের বাংলাদেশ ও আজকের বাংলাদেশের মধ্যে উন্নয়ন ও অর্জনে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বাংলাদেশের এই বিশাল উন্নয়ন-অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলটি নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, মহামারি করোনাকালেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে ২শ মিলিয়ন ডলার এবং সুদানকে সাত দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে। এতেই বোঝা যায় বাংলাদেশের অবস্থান আজ কোথায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় আজ দুই হাজার ২২৭ ডলার, যা কল্পনাও করা যায় না।
শেখ হাসিনা সরকারের অভূতপূর্ব উন্নয়নের সুফল জনগণ পেতে শুরু করছে।
দেশের মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে। আগামী বছর পদ্মা সেতু-মেট্রোরেলসহ বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে বলে জানান সেতু মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়ন-সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি ও তার দোসররা আদাজল খেয়ে মাঠে নামছে। তারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে নিয়ে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। দেশের স্বাধীনতা উন্নয়নবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আজ বিএনপির নেতৃত্বে সংগঠিত হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে দেশের ইমেজ নষ্ট করা। দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা। নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার বুঝতে পেরে তারা দেশের আলোকিত অভিযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়। তারা দেশে-বিদেশে অর্থ বিনিয়োগ করছে দেশের স্থিতিশীলতা ও সম্ভাবনা নষ্ট করে দিতে। ১৫ই আগস্ট ও ২১শে আগস্ট যারা ঘটাতে পারে তাদের কাছে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট করা কঠিন কিছু নয়। এখন তারা সেটাই করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ অতীতের যেকোনও সময়ের চেয়ে এখন শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। দেশের মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, সততা, সাহসিকতার প্রতি আস্থাশীল। জনগণের প্রতিরোধের মুখে যেকোনও ষড়যন্ত্র ভেস্তে যেতে বাধ্য।
সম্মেলনে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্মেলন। এর সঙ্গে কারো যেমন পরাজয়ের গ্লানির সম্পর্ক নেই, তেমনি কারও বিজয়ের উল্লাস নেই। যারা নির্বাচিত হন তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা শেখানো এবং সততা ও কর্মনিষ্ঠা চর্চা। সৎ, নির্ভীক, কর্মনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক কর্মীরাই হলো শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শক্তি। আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে প্রত্যেক কর্মীকে অতীতের মতো জনমানব, গণমুখী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে হবে। সব কর্মীকে প্রকৃত সমাজকর্মী, দেশকর্মী হিসেবে বিকশিত হতে হবে। স্বেচ্ছাসেবক লীগের মধ্যে শৃঙ্খলা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই শৃঙ্খলাকে আরও দৃঢ় করতে হবে, সুসংগঠিত করতে হবে। শেখ হাসিনার নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Maqsoud
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ১০:০৬

হে মাবুদ আপনি ওবায়দুল কে হেদায়েত দান করুন।

Saber Ahmed
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ৬:২১

যত দোষ ঐ নন্দ ঘোষের।বিএনপি না আছে ক্ষমতায়, না আছে আন্দোলনে তবুও তাদের দোষের শেষ নেই।

Md. Abbas Uddin
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ৬:২৫

অনেকেই সন্দেহ করছেন যে সরকার ইচ্ছা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে জাতিকে মেধাহীন ও ধ্বংস করছে। সরকারের উপর সন্দেহ করার কারণও আছে। দেশে যদি করনা থেকেই থাকে তবে সরকার যেসব বিধিনিষেধ দিয়েছেন তাহার কঠোর বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন ? বিধিনিষেধগুলি মানা হচ্ছে কিনা তার নিয়মিত কঠোর নজরদারী হচ্ছে না কেন? করনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে জনগণ যাহাতে সহজে বুঝে তার জন্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাইকিং করা হচ্ছে না কেন ? যাহারা স্বাস্থ্যবিধি না মানে বিশেষ করে মাস্ক না পরে কিংবা মাস্ক পরলেও নাকের নীচে, থুঁতনির নিচে, পকেটে মাস্ক রেখে দেয় তাদের থেকে বড় অংকের (যেমন ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা) জরিমান ও জেল দেয়া হচ্ছে না কেন (বিদেশের মত জেল ও বড় অংকের জরিমানা দিলে এমনিতেই ভয়ে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতো) ? উপরোক্ত কাজগুলির বাস্তবায়ন করাতো সরকারের জন্য তেমন কঠিন কিছু ছিল না। ঘনভসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে চাইলে ৩টি জিনিষ সম্ভব না হলেও অন্তত সঠিক নিয়মে সকল মানুষকে বাধ্যতামূলকভাবে যেকোন মূল্যে মাস্ক পরার আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে জনাব বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক করনায় চালুকৃত সফল কর্মিসূচীগুলি (যেমনঃ মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও হাত দোয়ার প্রশিক্ষণ) বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যাহাতে জাতি উপকৃত হবে। এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে জাতির উপকারে আসবে। ভবিষ্যতে রূপান্তরিত শক্তিশালী করনা কিংবা অজানা অন্য কোন ভাইরাসের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৩টি স্বাস্থ্যবিধি বড় ধরনের কাজে আসবে। টিকার আশায় বসে না থেকে জনগণকে স্বাস্ত্যবিধির ব্যাপারে প্রশিক্ষণই রক্ষাকবচ হইতে পারে ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া রূপান্তরিত ভাইরাসের ক্ষেত্রে সকল সময় সকল টিকাই যে কাজ করবে কিংবা টিকার এন্টিবডি দীর্ঘ মেয়াদী হবে তার নিশ্চয়তাও বৈজ্ঞানিকগণ এখন পর্যন্ত দিতে পারেন নাই।

অন্যান্য খবর