× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৭ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

৩০ জুনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে না দিলে আন্দোলনের হুশিয়ারি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জুন ১৯, ২০২১, শনিবার, ৭:৩১ অপরাহ্ন

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ৩০শে জুনের মধ্যে খুলে দেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছে শিক্ষক-কর্মচারী- অভিভাবক ফোরাম নামে একটি সংগঠন। একইসঙ্গে খুলে দেয়া না হলে আগামী জুলাইয়ের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচির হুশিয়ারি দিয়েছে তারা। আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ অন্যরা। এতে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আর সময় দেয়া যাবে না। এক সপ্তাহই যথেষ্ঠ। আমরা শাহবাগের মোড় থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রা করব। হাঁট-বাজার, ব্যাংক, অফিস-আদালত সব কিছু খোলা, শুধু বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আজকে পরীক্ষা নিচ্ছেন না, অটোপাস দিচ্ছেন, এটা জঘন্য ভুল।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সরকার জাতিকে মেরুদণ্ডহীন করে দিচ্ছে।
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Sakhawat
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৭:৩৮

সহমত

md.yeakub ali
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ৬:৩৬

open all educational institutions immediately without further arguments.

আবুল কাসেম
১৯ জুন ২০২১, শনিবার, ৭:৪৭

করোনা বৈশ্বিক মহামারি। সারা পৃথিবীর জীবন যাত্রায় এর বিরূপ প্রভাব অস্বীকার করার জো নেই। তবুও জীবন যাত্রা থেমে নেই। এই যে আমাদের শহরে ও সীমান্ত এলাকায় এখন দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে করোনা, তার মধ্যেও কোনো কিছুই থেমে নেই। আসলে এটাই বাস্তবতা। মানুষ থেমে থাকার প্রাণী নয়। জড়তা ছিন্ন করে স্থবিরতা কাটিয়ে জীবন চলমান রাখতে পারার মধ্যেই মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও কৃতিত্ব। আবহমানকাল থেকে ভয়কে জয় করেই মানুষের বসবাস এই পৃথিবীতে। আর এমন নয় যে, ভাইরাস জনিত মহামারি পৃথিবীকে এই প্রথম কাবু করেছে। এর আগেও অনেকবার অনেক নামে ভাইরাস মানুষের উপর হামলে পড়েছে। মানুষও তা সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। এবারেও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে করোনা ভাইরাস মহামারি জয় করার ব্যাপক তোড়জোড় চলছে বিশ্বব্যপী। আমাদের দেশের বাস, ট্রেন সহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচল করছে। বাস রোডে দীর্ঘ যানজট ও যাত্রী সাধারণের প্রচণ্ড ভীড়ও দেখা যায়। কাঁচা বাজার, মাছ বাজারে তিল ধারনের ঠাঁই নেই। রাস্তায় বেরোলে মানুষে মানুষে ধাক্কা লাগা কোনো ব্যপারই না। মার্কেট, দোকান পাট, হোটেল, রেস্তোরাঁ, অফিস, ব্যাংক সবকিছুই চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে ব্যাংক লেনদেনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে নির্ধারিত নিয়ম কানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এখনো মানুষ নিজের প্রয়োজনে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটছে তো ছুটছে প্রতিনিয়ত। শুধু ঘরবন্দী শিক্ষার্থীরা। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে তরুণ ও যুবক বয়সীদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বয়স্কদের তুলনায় বেশি। তাই টিকা পেতে বয়ষ্কদের অগ্রাধিকার। সুতরাং, সবকিছুই যেখানে সচল শুধু সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। আবার শিক্ষাবিদরাই বলেন, 'শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড।' তাহলে জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে চুরমার করে দেয়ার এই আয়োজন কেনো, কার স্বার্থে? কোন অদৃশ্য শত্রু এসব কলকাঠি নাড়ছে। দীর্ঘদিন শিক্ষার স্বাভাবিক রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে টগবগে উদ্দীপ্ত শিক্ষার্থীদের জ্ঞান প্রদীপ ধীরে ধীরে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ছে। তাদের অধিকাংশই ‘ভার্চুয়াল বিষ’ (!) প্রযুক্তির নেতিবাচক থাবায় নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। আদরের সন্তানরা এখন অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার কারন। স্বাস্থ্য বিধি বিধান মেনে সবকিছুই যখন চলছে তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে কিভাবে স্বাস্থ্য বিধি বিধান মেনে চলতে হবে তার রোডম্যাপ নির্ণয় করে অনতিবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়া রাধ করা আবশ্যক। তাছাড়া কেউই হলফ করে বলতে পারেননা যে, অমুক নির্দিষ্ট দিনে বা নির্দিষ্ট সালের নির্দিষ্ট তারিখে আমরা করোনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারবো। কতো বছর ধরে করোনা পৃথিবীকে শাসন করবে তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই বলে কি অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে? আমাদের ছেলে মেয়েরা যদি ভবঘুরে হয়ে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে দেশের প্রশাসন চালাবে কারা? কোনো ভিনদেশের মানুষ এসে আমাদের প্রশাসন নিশ্চয়ই চালাবেনা। তাহলে আমাদের ছেলে মেয়েদের শিক্ষা বিমুখী করার তোড়জোড় থেকে ফিরে আসতে হবে এবং কালবিলম্ব না করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে না হলেও পর্যায়ক্রমে খুলে দিতেই হবে। এক্ষেত্রে কোনো রকম ওজর-আপত্তি, টালবাহানা ও ইনিয়েবিনিয়ে অহেতুক শিক্ষা জীবন ধ্বংসের আয়োজন থেকে বিরত থাকতে হবে। নাহয় আমাদের বাচ্চাদের ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার অন্য কোনো উপায় নেই।

অন্যান্য খবর