× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার, ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসিটাই জীবনের বড় পাওয়া’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জুন ২০, ২০২১, রবিবার, ১:০৮ অপরাহ্ন

একটি ঘর পেয়ে দুঃখী মানুষের মুখে যে হাসি দেখতে পাই সেটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে ৫৩ হাজার ৩৪০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমির মালিকানাসহ গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছি। এরমধ্যে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে কক্সবাজারে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। আমাদের সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছেন। আমাদের পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা এ কাজে এগিয়ে এসেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি, বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করব। এর জন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছি।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, বস্তিবাসীর জন্য ঢাকায় ভাড়ায় থাকার জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। অর্থনৈতিক নীতিমালায় আমরা তৃণমূলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। গ্রাম পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া। তাদের খাদ্য, শিক্ষা ও বাসস্থান নিশ্চিত করা। তৃণমূল মানুষের জীবন জীবিকা নিশ্চিত করছি।
তিনি বলেন, ক্ষমতা থেকে নিজে খাব, নিজে ভালো থাকব, এটা নয়। ক্ষমতা আমাদের কাছে ভোগের বিষয় নয়। কীভাবে মানুষকে ভালো রাখা যায় এটা হলো বড়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেখানে জমি পাব না। এই তহবিল থেকে জমি কিনে দেব। ঘরে করে দেব। এভাবে আমরা চাচ্ছি, বাংলাদেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না। কোথাও কেউ গৃহহীন থাকলে আমাদের জানাবেন। আমরা তাদের ঘরবাড়ি করে দেব। আমি মনে করি, এতটুকু করলে আত্মা শান্তি পাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Abbas Uddin
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৭:১৪

মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর করনা নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও করনা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের উদাসীনতায় করনা আবার উর্ধমূখী! অনেকেই সন্দেহ করছেন যে একটি মহল ইচ্ছা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে জাতিকে মেধাহীন ও ধ্বংস করছে। জনগণের সন্দেহ করার কারণও রয়েছে। দেশে যদি করনা থেকেই থাকে তবে সরকার যেসব বিধিনিষেধ দিয়েছেন তাহার কঠোর বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন ? বিধিনিষেধগুলি মানা হচ্ছে কিনা তার নিয়মিত কঠোর নজরদারী হচ্ছে না কেন? করনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে জনগণ যাহাতে সহজে বুঝে তার জন্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাইকিং করা হচ্ছে না কেন ? যাহারা স্বাস্থ্যবিধি না মানে বিশেষ করে মাস্ক না পরে কিংবা মাস্ক পরলেও নাকের নীচে, থুঁতনির নিচে, পকেটে মাস্ক রেখে দেয় তাদের থেকে বড় অংকের (যেমন ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা) জরিমান ও জেল দেয়া হচ্ছে না কেন (বিদেশের মত জেল ও বড় অংকের জরিমানা দিলে এমনিতেই ভয়ে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতো) ? করনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বাদ দিয়ে পুলিশকে পূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না কেন? উপরোক্ত কাজগুলির বাস্তবায়ন করাতো সরকারের জন্য তেমন কঠিন কিছু ছিল না। ঘনভসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে চাইলে ৩টি জিনিষ সম্ভব না হলেও অন্তত সঠিক নিয়মে সকল মানুষকে বাধ্যতামূলকভাবে যেকোন মূল্যে মাস্ক পরার আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে জনাব বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক করনায় চালুকৃত সফল কর্মিসূচীগুলি (যেমনঃ মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও হাত দোয়ার প্রশিক্ষণ) বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যাহাতে জাতি উপকৃত হবে। এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে জাতির উপকারে আসবে। ভবিষ্যতে রূপান্তরিত শক্তিশালী করনা কিংবা অজানা অন্য কোন ভাইরাসের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৩টি স্বাস্থ্যবিধি বড় ধরনের কাজে আসবে। টিকার আশায় বসে না থেকে জনগণকে স্বাস্ত্যবিধির ব্যাপারে প্রশিক্ষণই রক্ষাকবচ হইতে পারে ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া রূপান্তরিত ভাইরাসের ক্ষেত্রে সকল সময় সকল টিকাই যে কাজ করবে কিংবা টিকার এন্টিবডি দীর্ঘ মেয়াদী হবে তার নিশ্চয়তাও বৈজ্ঞানিকগণ এখন পর্যন্ত দিতে পারেন নাই।

Md.Mosharaf
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ২:৪৫

Thanks

অন্যান্য খবর