× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৬ জুলাই ২০২১, সোমবার, ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

কেউ কেউ পড়াশুনা ছাড়াই আইন বিষয়ে কথা বলে: আইনমন্ত্রী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জুন ২০, ২০২১, রবিবার, ৬:২৬ অপরাহ্ন

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যে কোনো দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি কাঠামো অপরিহার্য। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অন্যান্য গোলের (এড়ধষ) সাথে বৈষম্যহীন আইন ও নীতি প্রয়োগ বিষয়ক গোল ১৬(বি) বাস্তবায়নে বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নের উদ্যোগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।  রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আয়োজিত লেজিসলেটিভ রিসার্চ বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
অন্যান্য সরকারের সময়ে বাংলাদেশে আইন প্রণয়নের বিষয়ে গবেষণার জন্য বিশেষ কোন অর্থ বরাদ্দ না থাকার কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর তিনি গবেষণার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, আমরা কখনো কখনো দুঃখের সাথে লক্ষ্য করি যে, কেউ কেউ আইন বিষয়ে গবেষণা এবং ভালোভাবে পড়াশুনা ছাড়াই আইন সম্বন্ধে কথা বলে থাকেন, আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন। আইন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে বিষয়ে ভালোভাবে পড়াশুনা ও গবেষণা না করে ব্যাখ্যা দেয়া যায় না। দিলে জনগণ বিভ্রান্ত হন।
মন্ত্রী বলেন, এসডিজির গোল- ১৬(বি) বাস্তবায়নে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এর অংশ হিসেবে আইনি গবেষণার মাধ্যমে তারতম্যমূলক আইন ও নীতি চিহ্নিতকরণপূর্বক উহা সংস্কার বিষয়ক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
এ প্রকল্পের আওতায় ১৭৯৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রণীত ১২৮৬টি আইনে কোনো বৈষম্যমূলক বিধান রয়েছে কিনা তা গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিতকরণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ/বিভাগকে গবেষণার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেছেন। গবেষণার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন আইনের বৈষম্যমূলক বিধান, বৈষম্যের বিভিন্নরূপ, যেমন- লিঙ্গ ভিত্তিক বৈষম্য, ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে বৈষম্য, প্রয়োগের মাধ্যমে বৈষম্য ইত্যাদির স্বরূপ উৎঘাটনপূর্বক বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করেছেন।  আইন মন্ত্রণালয় এসব সুপারিশ বিশ্লেষণ করবে যাতে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনয়ন করা যায়। এ ছাড়া সরকার বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নিয়েছে সেখানে এসব সুপারিশ বিবেচনা করা হবে।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন বক্তব্য রাখেন।


এছাড়া কর্মশালায় বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক আইনি গবেষণাকর্ম প্যাকেজ-১, ২, ৩ ও ৪ এর টিম লিডার যথাক্রমে প্রফেসর ড. এম. আহসান কবির (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়), প্রফেসর কে.শামসুদ্দিন মাহমুদ (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়) ও প্রফেসর ড. মো. রহমত উল্লাহ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) নিজ দলের গবেষণাকর্মের ফলাফল উপস্থাপন করেন।

এ সময় আইন মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের কর্মকর্তাগণ ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nasir Tarafder
২১ জুন ২০২১, সোমবার, ১:৩১

Thank you Shobuj Chowdhury. When legal fraternity including the Minister are deeply indulged to lies and hypocracy, general public has every right to speak the truth. Shame on you., how you kick out the CJ and make the judiciary subservient to you and your party.

Desher Bhai
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৮:৫৯

...like Grade 3 pass Singer Momtaz in the parliament.

Nurun Nabi
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৭:১৫

Do you know all schools are closed. How people will know LAW ? Schools are closed. Are you getting Salary Mr. Minister ???

Md. Abbas Uddin
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৭:০৮

অনেকেই সন্দেহ করছেন যে সরকার ইচ্ছা করেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে জাতিকে মেধাহীন ও ধ্বংস করছে। সরকারের উপর সন্দেহ করার কারণও আছে। দেশে যদি করনা থেকেই থাকে তবে সরকার যেসব বিধিনিষেধ দিয়েছেন তাহার কঠোর বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন ? বিধিনিষেধগুলি মানা হচ্ছে কিনা তার নিয়মিত কঠোর নজরদারী হচ্ছে না কেন? করনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে জনগণ যাহাতে সহজে বুঝে তার জন্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মাইকিং করা হচ্ছে না কেন ? যাহারা স্বাস্থ্যবিধি না মানে বিশেষ করে মাস্ক না পরে কিংবা মাস্ক পরলেও নাকের নীচে, থুঁতনির নিচে, পকেটে মাস্ক রেখে দেয় তাদের থেকে বড় অংকের (যেমন ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা) জরিমান ও জেল দেয়া হচ্ছে না কেন (বিদেশের মত জেল ও বড় অংকের জরিমানা দিলে এমনিতেই ভয়ে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতো) ? উপরোক্ত কাজগুলির বাস্তবায়ন করাতো সরকারের জন্য তেমন কঠিন কিছু ছিল না। ঘনভসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে চাইলে ৩টি জিনিষ সম্ভব না হলেও অন্তত সঠিক নিয়মে সকল মানুষকে বাধ্যতামূলকভাবে যেকোন মূল্যে মাস্ক পরার আওতায় আনতে হবে। প্রয়োজনে জনাব বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক করনায় চালুকৃত সফল কর্মিসূচীগুলি (যেমনঃ মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও হাত দোয়ার প্রশিক্ষণ) বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যাহাতে জাতি উপকৃত হবে। এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ হলেও দীর্ঘ মেয়াদে জাতির উপকারে আসবে। ভবিষ্যতে রূপান্তরিত শক্তিশালী করনা কিংবা অজানা অন্য কোন ভাইরাসের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ৩টি স্বাস্থ্যবিধি বড় ধরনের কাজে আসবে। টিকার আশায় বসে না থেকে জনগণকে স্বাস্ত্যবিধির ব্যাপারে প্রশিক্ষণই রক্ষাকবচ হইতে পারে ইনশাআল্লাহ। তাছাড়া রূপান্তরিত ভাইরাসের ক্ষেত্রে সকল সময় সকল টিকাই যে কাজ করবে কিংবা টিকার এন্টিবডি দীর্ঘ মেয়াদী হবে তার নিশ্চয়তাও বৈজ্ঞানিকগণ এখন পর্যন্ত দিতে পারেন নাই।

Shobuj Chowdhury
২০ জুন ২০২১, রবিবার, ৬:৪৭

Yes Sir, you are absolutely correct, there are people who are not only wrong on interpretation of law but also dare to kick them including chief justice.

অন্যান্য খবর