× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

আদমদীঘি-আবাদপুকুর সড়ক খানাখন্দে ভরা

বাংলারজমিন

এমএ ইউসুফ, আদমদীঘি (বগুড়া) থেকে
২১ জুন ২০২১, সোমবার

আদমদীঘি থেকে আবাদপুকুর যাওয়ার একমাত্র প্রধান সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে একাকার। কয়েক বছর সংস্কার না করায় সড়কটির পুরো অংশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। আর এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে চলাচলের সময় ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।
জানা যায়, রাণীনগর উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানী আবাদপুকুর থেকে পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার আদমদীঘি হয়ে নওগাঁ, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচলের এটিই একমাত্র সড়ক। প্রতিদিন দুই উপজেলার ৩০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করে। আবাদপুকুর থেকে আদমদীঘি যাওয়ার এই ১৪ কিলোমিটার সড়কের পুরো অংশই ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু উপজেলার কুসম্বী বাজার পর্যন্ত সড়কটি পুনঃনির্মাণ করায় সেই দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হয়েছে। কিছু অংশ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ।
কুসম্বী বাজারের দক্ষিণে কিছু অংশ ও রাণীনগর উপজেলার ৮ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন সড়কটির পুনঃনির্মাণ বা সংস্কার না করায় পারইল লস্করের মোড়ের আগে, পারইল ব্রিজের দক্ষিণে, বগারবাড়ি বাজার, আবাদপুকুর এলাকার অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। রাস্তায় চলাচলে প্রায় দিনই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। পথচারী মোস্তাফিজ আহমেদ, আব্দুল আলীম, সামিউল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আবাদপুকুর-রাণীনগর সড়কটির পুনঃনির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। হাজার হাজার মানুষ ও ছোট-বড় যানবাহন নওগাঁ, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচলের জন্য এ সড়কটিই ব্যবহার করে আসছেন। এছাড়াও আবাদপুকুর হাট জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম ধানের হাট। ফলে সড়কটির গুরুত্ব অনেক বেশি। বর্তমানে সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায়ই গাড়ি উল্টে নানা দুর্ঘটনা ঘটছে। আদমদীঘি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান বলেন, সড়কটি আমাদের উপজেলার বেশির ভাগ অংশে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। বাকি কাজের চাহিদা একটি প্রকল্পের আওতায় এনে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি সংশ্লিষ্ট বিভাগ অনুমোদন দিয়ে অর্থ বরাদ্দ দিলেই সড়কটির প্রশস্তকরণ ও পুনঃনির্মাণ বা সংস্কার কাজ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর