× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৫ আগস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

সরকারি জায়গা দখল করে দোকান বানাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে
২১ জুন ২০২১, সোমবার

সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতনের বিরুদ্ধে। জেলা প্রশাসকের কাছে এ নিয়ে গণস্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই জায়গায় লাল নিশান টানানো হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন শেখ হাসিনা সড়কের পাশে স্থানীয় সীমনা বাজার সংলগ্ন টান-মনিপুর গ্রামের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জায়গাটিতে ৪০ বছর আগে তদানীন্তন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর ক্যাম্প ছিল। বিডিআর ক্যাম্প বিলুপ্ত হওয়ার পর থেকে সেখানে ৩০টিরও বেশি স্থানীয় ভূমিহীন পরিবারকে আশ্রয় দেয়া হয়। এ কারণে স্থানীয়ভাবে জায়গাটি ‘শিবির’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। সরজমিন দেখা গেছে, আশ্রয় শিবিরের সম্মুখভাগে সড়ক সংলগ্ন ৩৩ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের পাঁচটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সিমেন্টের খুঁটি ব্যবহার করে উঠানো এসব ঘরে টিনের চালা দেয়ার পরই স্থানীয় ভূমি অফিসের লোকজন লাল নিশান টানিয়ে দেয়।
আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দা মজিদা বেগম বলেন, ‘আমরা গরিব বইলা চেয়ারম্যান আমরার কথা চিন্তা করে নাই। আমরার থাকবার জাগা ঢাইক্কা দিয়া ঘর তুইল্লা ফালাইতাছে। এভাবে ঘর উডাই ফেললে আমরার চলতে-ফিরতে অসুবিধা অইবো।’ স্থানীয় লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, এভাবে ঘর তুলে আশ্রয় শিবির ঢেকে দেয়ার ফলে আশ্রয় শিবিরে থাকা দরিদ্র মানুষগুলো বিপাকে পড়বে। সরকারের উচিত চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্মিত ঘর অপসারণ করা। অবশ্য অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান রতনের দাবি, আরএস জরিপ অনুযায়ী এই জায়গাটি তার দাদার। ত্রিপুরার রাজা মানিক্য বাহাদুরের কাছ থেকে এই জায়গাটি খাজনা মূলে বন্দোবস্ত নিয়েছিলেন তার দাদা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা পিছু লেগেছে বলে দাবি তার। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আশ্রাফ আহমেদ রাসেলকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর