× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ
সিলেট-৩ উপনির্বাচন

সিলেটে হাবিব আতিক, শফি কোটিপতি

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
২২ জুন ২০২১, মঙ্গলবার

সিলেট-৩ উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়া তিন প্রার্থীই ধনাঢ্য। ঢাকা ও সিলেটে রয়েছে তাদের ব্যবসা। ঋণও রয়েছে তাদের। এই তিনজন হলেন- আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমদ চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনে দেয়া প্রার্থীদের হলফনামায় এসব তথ্য জানা গেছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই, আগেও ছিল না। তিনি একজন ব্যবসায়ী। নিজেকে প্রবাসী পল্লী গ্রুপের ডিএমডি বলেও উল্লেখ করেছেন।
পেশা ব্যবসা দেখালেও এ খাত থেকে হাবিবের আয় উল্লেখ করেননি। স্নাতক পাস এই রাজনীতিবিদের কাছে নগদ টাকা আছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার। তার স্ত্রীর কাছে নগদ আছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৭৩০ টাকা। সবমিলিয়ে তাদের কাছে নগদ টাকার পরিমাণ ২ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৩৫ টাকা। ব্যাংকে হাবিবুর রহমানের ৫২ হাজার ২৪৪ টাকা ও তার স্ত্রীর ৯ হাজার ৪৪৮ টাকা জমা আছে। শেয়ারবাজারে আছে ৩৫০০ শেয়ার, যেগুলোর মূল্য ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। কৃষিখাত থেকে কোনো আয় নেই হাবিবুর রহমানের। তবে তার স্ত্রী এ খাত থেকে বছরে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা আয় করেন। হাবিবের নামে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৯৮ টাকার অকৃষি জমি আছে। ঢাকার পূর্বাচলে ৭ কাঠা প্লটের মালিক হাবিব। এর মূল্য ১৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তার কাছে কোনো স্বর্ণ নেই। হাবিবের ব্যক্তিগত কোনো ঋণ বা দেনা নেই। তবে প্রবাসী পল্লী গ্রুপের নামে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঋণ আছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক বিএসসি পাস। পেশায় ব্যবসায়ী আতিক প্রিন্স গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান অ্যান্ড এমডি। প্রিন্স রিয়েল এস্টেট প্রা. লি., প্রিন্স মেডিকেল সেন্টার ও সিলেট সিটি মেডিকেল সেন্টার নামক ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। আতিক ব্যবসা থেকে বার্ষিক ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও নির্ভরশীলরা ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজের নামে ২২ লাখ ৮ হাজার ৪৯৩ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নগদ রয়েছে। নিজের নামে ১০ লাখ টাকার জিপ গাড়ি রয়েছে। ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের প্রাডো গাড়ি-যা তিনি এমডি হিসেবে ব্যবহার করেন, গাড়িটি কোম্পানির নামে। নিজের নামে ৭ লাখ টাকার ১০ ভরি স্বর্ণ ও স্ত্রীর নামে ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার ২৫ ভরি স্বর্ণ, নিজের নামে ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ও স্ত্রীর নামে ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং নিজের নামে ২ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। নিজের নামে সিলেট মেডিকেল সেন্টারের আড়াই লাখ টাকার শেয়ার ও প্রিন্স মেডিকেল সেন্টারের ৩০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি রয়েছে। স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে- নিজের নামে দক্ষিণ সুরমার হরগৌরী মৌজায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকার ১৫ শতক জমি, হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫ লাখ টাকা মূল্যের ধানি জমি। স্ত্রীর নামে ঢাকার সাতারকুল মৌজায় (নিকুঞ্জ) ১০ কাঠা জমি, যার মূল্য ৮০ হাজার টাকা, যৌথ মালিকানায় মোগলাবাজারের জাহানপুরে ৪০ লাখ টাকার ৮ বিঘা জমি রয়েছে। আতিক, তার স্ত্রী ও পুত্র মিলে ৩ জনের নামে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে। হোম লোন হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে যৌথভাবে এই ঋণ নেয়া হয় বলে হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন। আতিক দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের জাহানপুরের বাসিন্দা। স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা শফি আহমদ চৌধুরী বিএ পাস। পেশায় ইনডেন্টিং ব্যবসায়ী শফি চৌধুরী অ্যালবার্ট ডেভিট, প্রাইভেট লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত এমডি। ব্যবসায়ী শফি চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৮০ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৮ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ৫০ লাখ ৮৯ হাজার ৩২৭ টাকা, ঘর ভাড়া থেকে ২৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৫ টাকা ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭৬ টাকা আয় করেন। নিজ নামে নগদ ও জমা মিলিয়ে ব্যাংকে রয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৫১২ টাকা। কন্টিনেন্টাল ট্র্যাভেলস লিমিটেড, কন্টিনেন্টাল ফিশারি অ্যান্ড এগ্রো লিমিটেড, ট্রান্সকম সিকিউরিটি লিমিটেড, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে শেয়ার রয়েছে। অ্যালভার্ট ডেভিট (বিডি) লিমিটেডে রয়েছে ডিপোজিট মানি ও শেয়ার। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত যৌথ মালিকানায় তিনি ৫০০ বিঘা জমির মালিক। রাজধানী ঢাকার গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডে নিজ নামে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা মূল্যের একটি বাড়ি রয়েছে। ৪৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৭ টাকা মূল্যের একটি নতুন (রেইন রোভার জিপ) গাড়ি ও ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি পুরাতন গাড়ি রয়েছে। তিনি দক্ষিণ সুরমার পশ্চিম দাউদপুরের বাসিন্দা। অতীতে এই নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২১ জুন ২০২১, সোমবার, ৫:৫২

স্থাবর সম্পত্তি সহ অনেক অনেক কোটিপতি বাংলাদেশে। যারা পৈতৃক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে এবং নিজের আয় মিলিয়ে। কারণ সম্পত্তির মূল্য বর্তমানে অনেক বেড়েছে। এটা কোন আশ্চর্যজনক খবর মনে করি না।

অন্যান্য খবর