× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ

'এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগির'

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) জুন ২২, ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:২৬ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেছেন , আমরা জানি এসএসসি ও এইসএসসি পরীক্ষার্থীরা ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছে। আমরা এটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছি। আমরা খুব শিগগিরই সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেবো। আর বেশি দিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী আজ মঙ্গলবার ৪৩ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি প্রদান সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে আরো
বলেন, ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষা হয়েছিল সেটার ফলাফল আমরা প্রকাশ করেছি। এইচএসসি বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করেছি।

২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ মোট ১ হাজার ৭৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৮ হাজার ১০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে উপবৃত্তি বাবদ ২৯ হাজার ৩০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৮ জন শিক্ষার্থীকে মোট ৮৮২ কোটি ৯৩ লাখ৫০ হাজার ৬০০ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি বাবদ দেওয়া হয় ১৯৫ কোটি ৯৯ লাখ ২২ হাজার ৪১০ টাকা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী।
এছাড়াও যুক্ত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ডাঃ তাপস কান্তি দত্ত
২২ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:৩৬

জনাব,আবুল কাশেম আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমিও একজন আপনার কাতারের ভুক্তভোগী। আমার সহ লাখো মানুষের মনের কষ্টের কথাগুলোই আপনার লেখনীতে উঠে আসলো।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বিনীত অনুরোধ -কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে সময় ক্ষেপণ না করে সংক্ষিপ্ত আকারে বিষয় কমিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়িয়ে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ পূর্বক পরীক্ষা নিন এবং মাদকাসক্ত ও বখে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি সুন্দর ও সুস্থ জীবন ফিরিয়ে দিন।জীবন,জীবিকার সাথে শিক্ষাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এ শূন্যতা জাতির জন্য মঙ্গলজনক নয়।স্বাস্থ্য বিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে হলেও খোলার সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি।

আবুল কাসেম
২২ জুন ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:৩৯

ব্যাপক আলাপ আলোচনার কথা শোনাতে শোনাতে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা তখনই বাতিলের ঘোষণা আসলো যখন প্রকৃতপক্ষে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছিলো। আচ্ছা, দেশের মধ্যে কি একটা জিনিস বন্ধ আছে কেউ কি দেখাতে পারবেন? সবকিছুই চলমান রাখা হয়েছে। গত বছরের মার্চ মাসের ৮ তারিখে যখন প্রথম করোনা সনাক্ত করা হয়েছে তখন চারিদিকে ব্যাপক উৎকণ্ঠা ও হৈচৈ পড়ে যায়। তখন অনেকেরই অভিযোগ ছিলো করোনার প্রকৃত সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কম করে দেখানো হয়। কিন্তু, দেখা গেলো, যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি দিনে দিনে জোরদার হয়েছে ঠিক তখনই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। যেনো আমাদের শিক্ষালয়গুলোর সঙ্গে করোনার গভীর মিতালি। দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির নেশাগ্রস্ত হয়ে বিপথগামী হয়ে পড়েছে। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যাও করলো ঢাবি শিক্ষার্থী। এমতাবস্থায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষাবিদগণ এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি তোলেন। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে, দাবি সামনে আসলেই করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। মোক্ষম উছিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেষ পর্যন্ত বন্ধ রাখাটাই জরুরি ভাবে সামনে এনে হাজির করা হয়। এই লুকোচুরি, কখনো রোদ কখনো বা বৃষ্টি আবার কখনো আকাশ মেঘে ছেয়ে যাওয়ার খেলা আর কতোকাল চলবে? কতোকাল চলবে শিক্ষার সঙ্গে বৈষম্য? ধনীদের ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়াশোনা করে। দেশের শিক্ষা নিয়ে তাদের চিন্তা ভাবনা করার দরকার নেই। যতো মরন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ও অনার্স কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে কার্যকর একটি পরিকল্পনা বা পদক্ষেপও চোখে পড়ার মতো নয়। শুধু কথামালার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। জাতিকে অশিক্ষিত রাখতে পারার মধ্যে কার লাভ কার ক্ষতি। আজকের প্রথম আলোর অনলাইনে মতামত বিভাগে ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক লিখেছেন, "আষাঢ়ের রোদ-বৃষ্টি খেলার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। এই রোদ তো একটু পরেই বৃষ্টি। স্কুল খোলার দিনক্ষণ নির্ধারণ এবং কোভিডের প্রকোপ বৃদ্ধি তেমনি একটি রোদ-বৃষ্টি খেলাই মনে হচ্ছে। যখন স্কুল খোলার কথা বলা হচ্ছে, তখনই কোভিডের প্রকোপ বাড়ছে। ফলে বারবারই স্কুল খোলার বিষয়টি ভেস্তে যাচ্ছে। আর এই রোদ-বৃষ্টি খেলায় কোমলমতি সোনামণিদের হৃদয় ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তগুলো ক্রমেই তাদের কাছে ফাঁপা বেলুনের মতো অর্থহীন হয়ে পড়ছে। প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়মের খেলা কত দিন চলবে, তা কারও এ মুহূর্তে জানা নেই। টিকাই একমাত্র ভরসা। কিন্তু শিশুর জন্য একদিকে টিকার প্রচলন এখন যেমন হয়নি, অন্যদিকে টিকা প্রাপ্তির ব্যাপারে অনিশ্চয়তা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি। আর দেশে টিকা তৈরির কার্যকর চিন্তা তো এখন শুরুই হয়নি। তাহলে কি এই রোদ-বৃষ্টি খেলায় রোদ পরাজিত হতে যাচ্ছে? আর তাই যদি হয়, তবে দেশ এক ভয়ংকর পরিণতির দিকে যাচ্ছে, যে পরিণতির মাশুল জাতিকে আগামী দশকে দিতে হবে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয়ের নীতিনির্ধারকদের একটু নড়েচড়ে বসা দরকার। কার্যকর পদক্ষেপের বিষয়ে চিন্তা করা দরকার। টিকার বর্তমান বাস্তবতায় চাইলেও আঠারো বছরের বেশি সব মানুষকে আগামী তিন বছরের মধ্যে টিকার আওতায় আনা যাচ্ছে না। আর শিশুদের টিকার আওতায় আনা তো সুদূরপরাহত। উল্লেখ্য, চীন তিন বা তদূর্ধ্ব শিশুর জন্য টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে এবং ফাইজারসহ আরও কিছু টিকার শিশুদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। তাতে কি আমাদের দেশের শিশুদের আশ্বস্ত হওয়ার কোনো সুযোগ আছে? এসব টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল হলে এবং বাণিজ্যিকভাবে বাজারে এলে আমাদের মোট টিকা লাগবে প্রায় ৩০ কোটি ডোজের বেশি, যা আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাহলে কি আগামী তিন বছর আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখব? এ বাস্তবতা যখন বুঝতেই পারছি, তখন আমরা কি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকব? নাকি বিষয়টি নিয়ে ভেবে কোনো উপায় বের করার চেষ্টা করব? কোনো উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করতে হলেও তো দু-এক মাস সময় লাগে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এ বিষয়ে কোনো চিন্তাভাবনা আমাদের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আছে বলে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি। চারদিকে নষ্ট ছাত্ররাজনীতি, মাদক, অশ্লীলতা, ধ্বংসাত্মক ভিডিও গেমে আসক্তি, কিশোর গ্যাংসহ শিশু এবং যুবসমাজ নষ্ট হওয়ার সব উপকরণের ছড়াছড়ি। আমরা যারা স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের অভিভাবক, তারা তো এ এসব কিছুর ভয়াবহতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। তবে যাদের ছেলেমেয়ে বিদেশে পড়ছে কিংবা লেখাপড়ার বৈতরণি পার করেছে, তাদের কথা হয়তো ভিন্ন। এসব বাধার মধ্যেও সাধারণ মানুষের সন্তানদের তো লেখাপড়াটুকুই একমাত্র সম্বল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় আজ সেই সম্বলও হাতছাড়া। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।" শিক্ষাবিদগণের এমন সুপরামর্শে পরেও কিন্তু, আমরা শুনি কর্তৃপক্ষের মধুর বানী। আমাদের ছেলে মেয়েরা যখন আমাদের গলগ্রহ হয়ে পড়ছে তখন কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আমাদের ছেলে মেয়েদের নিরাপত্তার কথা সামনে আনছে। যেনো মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশি।

অন্যান্য খবর