× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৫ আগস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ
২৫০০ সনদধারীকে নিয়োগে সুপারিশ

এনটিআরসিএ’র আবেদনের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
২৩ জুন ২০২১, বুধবার

নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদধারী ও অবমাননার আবেদনকারীদের উচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) হাইকোর্টের দেয়া নির্দেশ স্থগিত হয়নি। গতকাল চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে এনটিআরসিএ’র করা আবেদন ২৭শে জুন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আদালতে এনটিআরসিএর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। অপরদিকে, হাইকোর্টে অবমাননার আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মহিউদ্দিন মো. হানিফ। এর আগে গত ৩১শে মে হাইকোর্ট এক আদেশে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদধারী ও অবমাননার আবেদনকারীদের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে এনটিআরসিএ-কে নির্দেশ দেন। এ সময়ে বিজ্ঞপ্তির (এনটিআরসিএ-তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি) কার্যক্রম আবেদনকারীদের (অবমাননার আবেদনকারী) ক্ষেত্রে স্থগিত থাকবে বলা হয়। আইনজীবীদের তথ্যমতে, এর আগে সনদধারীদের নিয়োগ বিষয়ে ২০১৭ সালের ১৪ই ডিসেম্বর হাইকোর্ট ৭ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেন।
পঞ্চম দফা ছিল সম্মিলিত মেধাতালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারীদের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ। দীর্ঘ সময় পেরলেও রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় রিট আবেদনকারী তথা নিয়োগপ্রত্যাশী শিক্ষকরা এটিআরসিএর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পৃথক আদালত অবমাননার আবেদন করেন। নিয়োগপ্রত্যাশী নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় আড়াই হাজার প্রার্থী পৃথক আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে বিভিন্ন সময় হাইকোর্ট আদালত অবমাননার রুল দেন। রুলের পর আবেদনকারীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৮ই মার্চ হাইকোর্ট পঞ্চম দফা বাস্তবায়নে এনটিআরসিকে ১৫ দিন সময় বেঁধে দেন। এ সত্ত্বেও আদেশ বাস্তবায়ন না করে এনটিআরসি ৩০শে মার্চ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা আবেদনের মাধ্যমে আদালতে তুলে ধরা হয়। পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ই মে হাইকোর্ট এক আদেশে সাত দিনের মধ্যে অবমাননার আবেদনকারীদের নিয়োগের সুপারিশ করতে এনটিআরসিএকে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ পূরণে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ৩০শে মার্চ এনটিআরসিএ’র দেয়া তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩১শে মে হাইকোর্ট তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত সংক্রান্ত ৬ই মে দেয়া আদেশ সংশোধন করে ওই আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে এনটিআরসিএ আপিল বিভাগে আবেদন করে, যা গতকাল চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর