× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার, ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

রাজশাহীতে একদিনে ১৬ জনের মৃত্যু

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার

রাজশাহীতে সর্বাত্মক লকডাউন আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০শে জুন মধ্যরাত পর্যন্ত শুধুমাত্র মহানগর এলাকায় কার্যকর হবে জনসাধারণের চলাচলে এই কঠোরতা। গতকাল বিকালে জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একদিনে ১৬ জন মারা গেছে। গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তারা মারা যান। এটি একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে ২৩ দিনে করোনা সংক্রমণ ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪৫ জনে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৬ জনের মধ্যে করোনা পজেটিভ ছিলেন ৮ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৭ জন এবং বাকি একজন নেগেটিভ থাকার পরও মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে রাজশাহীরই ৮ জন।
চাঁপাই নবাবগঞ্জের ৩ জন, নওগাঁ ও নাটোরের দুজন করে ৪ জন এবং বাকি একজন অন্য জেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন এবং ছাড় পেয়েছেন ৪২ জন। রামেকের করোনা ইউনিটে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৪১০। এদের মধ্যে ১৮১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী। বিকাল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, রাজশাহীতে করোনার প্রভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১১ই জুন থেকে জনসাধারণের চলাচলে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা চলছে। সেটি এক সপ্তাহ থাকলেও পরে আরো ৭ দিন বাড়ানো হয়। তবে দুই সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে আরো এক সপ্তাহ বৃদ্ধি করা যৌক্তিক মনে হয়েছে। সেজন্য সর্বাত্মক লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ফলে আগামী ৩০শে জুন মধ্যরাত পর্যন্ত লকডাউন বলবৎ থাকার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সকলের সঙ্গে সমন্বয় করেই এমন সিদ্ধান্ত। যদিও এটা মেনে নেয়া জনসাধারণের জন্য কষ্টকর হচ্ছে। তবে জীবিকার চেয়ে জীবন গুরুত্বপূর্ণ। তাই সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আব্দুল জলিল বলেন, আমরা চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মানাতে। উপজেলা পর্যায়েও কিছুটা কঠোরতা থাকবে। তবে জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্তদের বের হতে বাধা নেই। এর বাইরে কেউ বের হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর