× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩০ জুলাই ২০২১, শুক্রবার, ১৯ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

ভ্যাকসিন উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জুন ২৪, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৩২ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

আজ বৃহস্পতিবার চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক সম্মেলনে এই সহায়তা চান বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়। এই অনুষ্ঠানে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং আই সভাপতিত্ব করেন।

চীনা উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেন। ড. এ কে আব্দুল মোমেন এসময় বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশ, যেসব দেশের টিকা উৎপাদনে সক্ষমতা আছে, সেসব দেশকে টিকা উৎপাদনে সহায়তা দিন। করোনা নিয়ে তথ্য আদান-প্রদান, করোনা প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয়, টিকাকে জনগণের সম্পত্তি ও কোভ্যাক্স উদ্যোগকে আরো শক্তিশালী করতে প্রস্তাব দেন ড. মোমেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:০২

খুব দরকারি প্রস্তাব। যেসব দেশের সামর্থ্য আছে টিকা উৎপাদন করতে প্রতিটি উদ্ভাবক কোম্পানির উচিত সেসব দেশে উৎপাদন কারখানা বা ল্যাবরেটরি খোলা উচিত। বিশ্বের চাহিদা মেটাতে অত্যাবশ্যক।

সুলতান
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:৪৩

নিজেরা দেশের সম্পদ লুট করার ধান্দায় ভেস্ত, এখন ভ্যাকসিন উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। হা হা হা ...........

Md. Abbas Uddin
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:০৩

শুধু ভ্যাক্সিন বা টিকা দিয়েই করনা নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। টিকায় এন্টিবডি তইরী হলেও তাহার কার্যকারীতা দীর্ঘ মেয়াদী কিনা তাহা এখনো নিশ্চিত নয়। তাছাড়া টিকাও এখন সহজলভ্য নয় যে সকল মানুষকে টিকা দেয়া নিশ্চিত করা যাবে। তাই আগে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিশেষ করে সকল মানুষকে মাস্ক পরতে বাধ্য করুন। সারাবছর মাস্ক পরানো এবং শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা ও হাত দোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা বা আচরন পরিবর্তনের মাধ্যমেই লকডাউনকে বিদায় করা যাবে এবং আমরা অনেকটা পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারব ইনশাআল্লাহ। অন্যথায় করনাকে এইভাবে জিইয়ে রেখে আমরা পারিবারিক, সামাজিক, শিক্ষা, কর্মস্থল কোন কিছুতেই পূর্বের মত স্বাভাবিক পরিবেশ আশা করতে পারি না। জনাব বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক করনায় সফল যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সরকার তাহা ফলো করলে জাতি উপকৃত হবে। সময় নষ্ট করার আর সুযোগ নেই। দীর্গদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জীবন আজ ধ্বংসের মুখে, অভিজ্ঞ ডাক্তারদের চেম্বার বন্ধ থাকাতে জটিল সমস্যা নিয়ে রোগীরা ডাক্তার দেখাতে পারছে না। করনায় কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে মনে হচ্ছে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা হচ্ছে। জরূরী ভিত্তিতে ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় দেশের সকল মানুষকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরার আওতায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে পুলিশকে পুরোপুরি ক্ষমতা দিতে হবে। যাহারা মাস্ক পরবে না কিংবা পুলিশকে ফাঁকি দেয়ার জন্য মাস্ক নাকের নীচে, থুঁতনির নীচে এবং পকেটে রাখবে তাদের থেকে বড় অংকের (যেমনঃ ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা) জরিমানা আদায় ও জেল দিতে হবে।

অন্যান্য খবর