× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

‘দেশ-বিদেশে সরকারের প্রশংসা হলে বিএনপি কষ্ট পায়’

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জুন ২৪, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:৩৭ অপরাহ্ন

দেশ এবং বিদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করা হলে বিএনপি কষ্ট পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকসমূহ দেখুন, প্রতিটি সূচকে শেখ হাসিনা সরকারের অর্জনের ফলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। এটা বাংলাদেশ সরকারের বানানো কোনও সূচক নয়, এটা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার তৈরি সূচক।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি যখন করোনা অভিঘাত মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে, নতুন করে বেড়েছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী, উন্নয়ন উৎপাদনে গতি হয়েছে মন্থর, এমন প্রতিকূলতার মাঝেও শেখ হাসিনা সরকার দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। মানুষের জীবনের সুরক্ষার পাশাপাশি জীবিকার চাকা সচল রেখে, অর্থনীতির গতিপ্রবাহ ধরে রেখে প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা বজায় রাখার মতো চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা আন্দোলনের নামে আগুন-সন্ত্রাস আর জনগণের সম্পদ ধ্বংসের রাজনীতি পরিত্যাগ করুন, তাহলেই বিনিয়োগকারীরা আরো উৎসাহী ও আস্থাশীল হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জামশেদ পাটোয়ারী
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:০৯

আজকাল গবেষণা সংস্থাগুলোও বেচাকেনা হয়।

Md. Abbas Uddin
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:২৮

সরকার ব্যস্ত হেফাজত ও বিরোধীদলকে নিয়ে, করনা ব্যস্ত মানুষের জীবন সংহারে ! কঠোর লকডাউন দেয়ার পর জনগন ভুল সঙ্কেত পাচ্ছে না তো ? বিরোধী দল সহ চারিদিকে সাধারন জনগনের মুখে শুনা যাচ্ছে- "হেফাজত ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের জন্যই লকডাউন দেয়ার উদ্দেসশ্য" ! যদি তাহাই সত্য হয় তবে ভবিষ্যতে যেকোন জরূরী প্রয়োজনে সরকার কোন ঘোষনা দিলে মানুষ তাহা বিশ্বাস করতে চাইবে না এবং জনগনের মধ্যে আইন ভঙ্গ করার একটা প্রবনতা গড়ে উঠার আশংকা রয়েছে যাহা দেশের জন্য কখনো মঙ্গলজনক হবে না। লকডাউনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগনের মধ্যে সন্দেহ থাকার যুক্তিও রয়েছে। কারন নুতন ষ্ট্রেইনের শক্তিশালী করনা মোকাবিলায় যেইরকম প্রশাসনিক কঠোরতা ও শক্তিশালী প্রচারনা (মাইকিং) থাকা উচিত ছিল তাহা দেখা যাচ্ছে না। করনার মত মহামারীর ক্ষেত্রে "মাইকিং" একটি গুরুত্বপূর্ন অস্ত্র হিসাবে কাজ করে আসলেও তাহা বর্তমানে দেখা যাচ্ছে না। অথচ করনায় জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য রুট লেভেল পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে সহজ ভাষায় মাইকিং করা অতীব জরূরী ছিল। যাহারা মাস্ক পরবে না তাদের থেকে বড় অংকের অর্থ (যেমনঃ ২০০০, ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা) আদায় করতে হবে এবং জেলের ব্যবস্থা করতে হবে। এমনকি যাহারা প্রশাসনকে ফাঁকি দেয়ার জন্য মাস্ক নাকের নীচে, থুঁতনির নীচে এবং পকেটে রাখবে তাদেরকেও একই সাস্তির আওতায় আনতে হবে ।ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে কাজ হবে না, অজ্ঞ, মুর্খ্য মানুষগুলোকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে পুলিশকে পূর্ণ ক্ষমতা দিতে হবে। করনায় স্বাস্থ্যবিধি সহ আবেগময় গান তৈরী করে প্রচার করা উচিত ছিল। করনার ক্ষেত্রে সরকারের মেধা ও অর্থ বিনিয়োগ লোকসানের নয় বরং লাভের। এতে যেমনি মানুষের জীবন রক্ষা পাবে অন্যদিকে প্রচারনার মাধ্যমে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি (বিশেষ করে ১০০% মানুষ্কে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান) মানাতে পারলে লকডাউন দিয়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রয়োজন হবে না।

অন্যান্য খবর