× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০২১, শুক্রবার, ১২ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক কার্বন উদগীরণ শুন্যের কোঠায় নামানোর আহ্বান

দেশ বিদেশ

 স্টাফ রিপোর্টার
২৪ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার

২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক কার্বন উদগীরণ শুন্যের কোঠায় নামানোর আহ্বান জানিয়েছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক নাগরিক মানব বন্ধনে এ আহ্বান জানান তারা। এতে অংশ নেন সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি), শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এসডিএস), কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (সিডিপি), কোস্ট ফাউন্ডেশন, ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা), কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্লিন) এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এক্সটার্নাল ডেট (বিডব্লিউজিইডি)। মানব বন্ধনে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সিপিআরডি’র নির্বাহী প্রধান মো. শামছুদ্দোহা। এতে বক্তব্য রাখেন কাউসার রহমান, সভাপতি, বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, মীহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। মানব বন্ধনটি সঞ্চালনা করেন সিপিআরডি’র রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোক্যাসি অ্যাসিস্ট্যান্ট আল ইমরান। মো. শামছুদ্দোহা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং এই পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবিলা বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি অনস্বীকার্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক জলবায়ুর এই পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে মানবজাতির অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে চিহ্নিত করেছেন।
প্রাক-শিল্পবিপ্লব পর্যায় থেকে ইতিমধ্যেই পৃথিবীর গড় উষ্ণতা ১.১ ডিগ্রি সে. বেড়েছে। শিল্পোন্নত রাষ্ট্রসমূহ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন তথা জলবায়ু পরিবর্তন সংঘটনে নিজেদের দায়ভার স্বীকার করে নিলেও পৃথিবীর উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ সময় ধরে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি ১৯৯৭ সালে গৃহীত কিয়োটো প্রটোকল অনুসারে কার্বন উদ্গীরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও শিল্পোন্নত দেশসমূহ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। মো. শামছুদ্দোহা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কয়লাসহ অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদন, এগুলোতে বিনিয়োগ, এবং এদের ব্যবহার বন্ধে সুস্পষ্ট ও দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিতকরণের জন্য ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন ভারসাম্য পূর্ণ পৃথিবী গড়ার তাগিদ দেন । কাউসার রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের টাকা ক্ষতিগ্রস্ত অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ গুলোকে সহজ শর্তে প্রদান করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন বাংলাদেশকে তার সকল উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোকে একটি আমব্রেলা পরিকল্পনার অধীন করতে হবে, মুজিব প্রোসপারিটি প্ল্যানটিকেও আমরা একটি আমব্রেলা প্লান হিসাবে তৈরী করতে পারি। নীখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল। বাংলাদেশকে এখনই জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর