× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

লকডাউনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস

অনলাইন

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
(১ মাস আগে) জুন ২৫, ২০২১, শুক্রবার, ৩:১০ অপরাহ্ন

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পৌরসভায় চলছে লকডাউন। এছাড়াও ঢাকার সাথে বিচ্ছিন্ন করা হয়ে সড়ক যোগাযোগ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচলে কিছুটা বিধিনিষেধ থাকায় সড়কের কয়েকটি জায়গায় বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। তবে থেমে নেই ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস। উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু-ভূঞাপুর সড়ক দিয়ে ঘাটাইল হয়ে মির্জাপুরের গোড়াই দিয়ে চন্দ্রা যাচ্ছে। অধিকাংশ বাসেই প্রতিটি সিটে যাত্রী দেখা গেছে। একই পন্থায় চন্দ্রা থেকে যাত্রী নিয়ে আবার উত্তরাঞ্চলের দিকে যাচ্ছে। আবার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়েও চলাচল করতে দেখা গেছে অনেক দূরপাল্লার বাস।
এসব বাসের চালকরা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই তারা চলাচল করছেন।
এর আগে দীর্ঘ দিন বাস চলাচল বন্ধ ছিলো। কোন অনুদান পাননি। বাধ্য হয়েই ভয় আর শঙ্কা নিয়ে পেটের তাগিদে তারা সড়কে বের হয়েছেন।
বাসের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ করেই ঢাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন। অফিসিয়াল ও ব্যক্তিগত কাজে ঢাকা যেতে হচ্ছে কয়েকবার যানবাহন পাল্টিয়ে। এতে ভাড়াও লাগছে কয়েকগুণ বেশি।
এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, দূরপাল্লার বাস ঢাকা প্রবেশ করছে না। চন্দ্রার আগেই তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর যেহেতু পুরো টাঙ্গাইল লকডাউন না সেহেতু কিছু বাস চলাচল করছে। তারপরও মহাসড়কে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জাফর আহমেদ
২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ৪:০৬

সরকারের কথা এবং কাজের মাঝে কোনো মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন, সরকার তাদের ডিলেডালা ভাব দেখাচ্ছে, সেটা এখন মানুষ বুঝে তার জন্য এঅবস্থায় এদেশের, মানুষ জানে রাস্তায় নামলে কি হবে, কোন না কোন অজুহাত দেখিয়ে চলে যাবে, সরকার মুখে ঘোষণা করে লকডাউন বিধিনিষেধ বাস্তবে কিছু নেই, সরকার যদি আন্তরিক ভাবে দুসাপ্তাহ কারফিও দিতে পারে তাহলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে, কিন্তু সেটা তারা করছে না, সরকার কি তাদের নিজেদের স্বার্থে্ বিভিন্ন স্থানে কারফিউ দেয়না,, কিন্তু এখন পুরা জাতি কে বাঁচাতে কারফিউর প্রয়োজন সেটা সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে করছে না,

অন্যান্য খবর