× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

মনপুরায় জাতীয় গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ দেয়ার দাবি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জুন ২৫, ২০২১, শুক্রবার, ৫:৪৮ অপরাহ্ন

ভোলার মনপুরা উপজেলায় জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ঢাকাস্থ মনপুরা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে শতভাগ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অনেক দুর্গম চরাঞ্চলসহ ভোলার বিভিন্ন চরে ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। মনপুরা উপজেলার আশপাশে ১০-১২ হাজার মানুষ বসবাসকারী একটি ওয়ার্ডযুক্ত চরেও বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। কিন্তু চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মনপুরা একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হওয়া সত্ত্বেও দেড় লক্ষাধিক জনগোষ্ঠীর এই উপজেলায় জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। এতে মনপুরার সাধারণ শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না। তারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত বিদ্যুতের অভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। এতে মনপুরার বাসিন্দারা নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
শুধু তাই নয়; বিদ্যুৎ না থাকায় প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল ব্যবসা ও শিল্প সম্প্রসারণে ব্যাঘাত ঘটছে।
সংগঠনের আহ্বায়ক সিদ্দিক রহমান বলেন, মনপুরায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। এখানকার মানুষের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস মৎস্য আহরণ ও চাষাবাদ। কিন্তু এই মৎসজীবীদের আহরিত ইলিশ সংরক্ষণ ও বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না শুধু বিদ্যুৎ না থাকার কারণে।
সংগঠনের সদস্য সচিব মো. ইয়াছিন বলেন, এখানে ডিজেলচালিত একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও উপজেলা সদরের মাত্র দেড় হাজার বাসিন্দাদের রাতে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হয়, যা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। তিনি বলেন, দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, মনপুরার তিনটি ইউনিয়নে ওয়েষ্টার্ন রিনিউবল এনার্জি কোম্পানি সোলার প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এই কোম্পানি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নিচ্ছে ৩০ টাকা, মাসিক ভ্যাট ৭০ টাকা এবং এককালীন মিটার খরচ নিচ্ছে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা, যা বিশ্বের কোথাও নেই।
মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা বলেন, মনপুরার ৯৫ ভাগ মানুষ নিতান্ত দিনমজুর, জেলে, কৃষক। তাই ৩০ টাকা ইউনিটে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া উৎপাদন সীমাবদ্ধতার কারণে কোম্পানির বিদ্যুৎ মাত্র ৫ শতাংশ বাসিন্দারা পাচ্ছেন। তাই মুজিববর্ষের অঙ্গিকার বাস্তবায়ন হিসেবে মনপুরায়ও জাতীয় গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ দেওয়ার দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে ‘মনপুরায় জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চাই, বঙ্গবন্ধুর চিন্তানিবাসে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চাই’ শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ চাই’ সোলার গ্রীডের রক্তচোষা দাম বন্ধ হোক’ সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে শ্লোগান তোলেন উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর