× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, সোমবার , ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ সফর ১৪৪৩ হিঃ
মিরপুর কলেজ অধ্যক্ষের অভিযোগ

‘ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত একটি কুচক্রী মহল’

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) জুলাই ৮, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:২২ অপরাহ্ন

রাজধানীর অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী মিরপুর কলেজের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে অভিযোগ করেছেন কলেজটির অধ্যক্ষ গোলাম ওয়াদুদ। তিনি বলেন, স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা ও ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চাসহ সকল ক্ষেত্রে কলেজটি বিশেষভাবে সুনাম অর্জন করেছে। কিন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তিনি। এসময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আপনারা জানেন, ঢাকা মহানগরীর অন্তর্গত মিরপুর কলেজ একটি স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা ও ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চাসহ সকল ক্ষেত্রে কলেজটি বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। আমি ২০১৩ সাল থেকে সরকারি সকল বিধিবিধান মেনে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়ে কলেজের সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি, ঢাকা ১৪ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য প্রয়াত জনাব আসলামুল হকের দিক নির্দেশনা ও সহযোগিতায় বিগত দিনে কলেজের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যা সবাই অবগত।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে কলেজের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। কিন্ত গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি, প্রয়াত সাংসদ আসলামুল হকের জীবদ্দশায় তারা তাদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করার সাহস পাননি। তার মৃত্যুর পর পরই এই চক্রটি তাদের দীর্ঘদিনের লালিত হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। তারা বিভিন্ন ভিত্তিহীন ও মনগড়া কিছু কাল্পনিক তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বিভিন্ন অফিসে দরখাস্ত জমা দেয়। এভাবে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে এই স্বনামধন্য কলেজের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণœ করেছে। অথচ খোদ অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

অধ্যক্ষ গোলাম ওয়াদুদ বলেন, আমি দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে জানাতে চাই, ‘শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য জোট’র চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়ার সহযোগী একই সংগঠনের সদস্য মিরপুর কলেজের সাবেক দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ইসহাক হোসেন গং কর্তৃক, অত্র কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ হিসেবে আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখতে সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কলেজের সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ প্রাপ্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছি। তবুও কতিপয় শিক্ষক আমার নিকট থেকে অবৈধ ও অন্যায় সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে নানাভাবে বিভিন্নজনকে প্রভাবিত করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ প্রদানের অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। কিন্তু আমি আবারো দ্ব্যার্থহীনভাবে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তিনি আরো জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগে উল্লেখিত প্রতিটি ব্যয়সমূহ কলেজের সংশ্লিষ্ট কমিটি কর্তৃক সম্পন্ন করাসহ বিজ্ঞ গভর্নিংবডি কর্তৃক তা রেজুলেশনের মাধ্যমে যথাযথভাবে অনুমোদিত রয়েছে। কলেজের বার্ষিক সকল আয়-ব্যয় অভ্যন্তরীণ এবং সি.এ ফার্ম কর্তৃক ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছর পর্যন্ত অডিট করা আছে। আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পত্তির পরিমাণের যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তাও সঠিক নয়। যদিও অভিযোগুলোর ব্যাপারে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, যেহেতু তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি বা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে রিপোর্ট এখনো আমার কাছে পৌঁছায়নি, সেহেতু ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দু’টি গণমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ প্রচারের কারণে তদন্ত কাজকেও প্রভাবিত করেছে। তবে আমি আশা করি, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করলে তা মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং বাস্তবচিত্র সবার সামনে সঠিকভাবে উন্মোচিত হবে। এক্ষেত্রে আমি তদন্ত কমিটির কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর