× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৫ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ
রূপগঞ্জ ট্র্যাজেডি

সজীব গ্রুপের মালিক হাসেমসহ আরও দুই পুত্রের জামিন

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ থেকে
২০ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুলিশের দায়ের করা হত্যা মামলায় সজীব গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ আবুল হাসেমসহ তার দুই ছেলেকে গতকাল বিকালে জামিন দিয়েছে আদালত। এর আগে গত ১৪ই জুলাই তার আরও দুই ছেলেকে জামিন দেন আদালত। এ নিয়ে আটক হাসেমসহ তার সকল ছেলে জামিনে মুক্ত হলেন। এখনো কারাগারে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানের ৩ কর্মকর্তা। গতকাল নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালতে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেম, তার ছেলে হাসীব বিন হাসেম ওরফে সজীব ও অপর ছেলে তারেক ইব্রাহীম। এর আগে জামিন পান দুই ছেলে তাওসীব ইব্রাহীম এবং তানজীম ইব্রাহীম।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, গতকাল আবুল হাসেমসহ তার ২ ছেলের জামিন দিয়েছেন আদালত, এর আগে আরও ২ ছেলের জামিন হয়েছিল। এছাড়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন সজীব গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহানশাহ আজাদ, হাসেম ফুডসের উপ-মহাব্যবস্থাপক মামনুর রশীদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. সালাউদ্দিন।
ঘটনার মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে এমন গণহত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্তরা জামিনে বের হয়ে আসায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নাগরিক তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল। তিনি বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তের উপড় আমাদের কোনো কথা নেই।
আদালত তাদেরকে জামিনযোগ্য মনে করেছেন বলেই সেটা মঞ্জুর করেছেন। তবে এ ধরনের একটি স্পর্শকাতর মামলায় প্রধান অভিযুক্তদের দ্রুত সময়ে জামিন পেয়ে বের হয়ে আসাতে বিচার প্রার্থীদের বিচার কাজ নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।
প্রসঙ্গত- গত ৮ই জুলাই সন্ধ্যায় রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত সজিব গ্রুপের ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ডেমরা, কাঞ্চনসহ ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের ২০ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এ সময়ের মধ্যে ঝরে গেছে ৫২টি প্রাণ। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন শ্রমিক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর