× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ৫ আগস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২১ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

নাজমুন নাহারের জীবন ও বিশ্বভ্রমণের চ্যালেঞ্জ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ সপ্তাহ আগে) জুলাই ২২, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:১২ পূর্বাহ্ন

নাজমুন নাহার বিশ্বে প্রথম পতাকাবাহী বাংলাদেশি নারী।  লাল সবুজের পতাকা ইতিমধ্যে পৃথিবীর ১৪৪ দেশে পৌঁছে দেওয়ার রেকর্ড অর্জন করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের এই লাল-সবজের পতাকাকে বহন করার জন্য গত বিশ বছর ধরে নাজমুন পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে বিভিন্ন জনপদের মাঝে বাংলাদশের পতাকাকে তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকেও তিনি বিশ্বের দরবারে তাঁর পৃথিবী অভিযাত্রার মাঝে তুলে ধরেছেন।

দুর্গম পাহাড়, তুষারে আচ্ছন্ন শহর, উত্তপ্ত মরুভূমি, বিশাল সমুদ্র, বিষাক্ত পোকামাকড় কিংবা প্রতিকূল পরিবেশ কোনোকিছুই তাঁর বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব শান্তি, নারীর সমতা ও ক্ষমতায়নসহ সব জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন পৃথিবীর প্রতিটি দেশে অভিযাত্রা করবেন তিনি।

বিশ্বভ্রমণের অভিযাত্রার সময়  অনেকবার বিভিন্ন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন, ৫ বার মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন, তবুও বাংলাদেশের এই লাল-সবুজের পতাকা কে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য হাল ছাড়েননি তিনি। অনেক কষ্ট ও সংগ্রাম করে বাংলাদেশের লক্ষ-কোটি শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকাকে পৃথিবীর প্রতিটি দেশে পৌঁছে দিচ্ছেন বাংলাদেশের এই গর্বিত সন্তান নাজমুন নাহার।

করোনাকালে ও তিনি থেমে থাকেননি বাংলাদেশের পতাকা হাতে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছুটে যেতে। এর মধ্যেই তিনি উত্তর আফ্রিকার দেশ জিবুতি সুদান সোমালিল্যান্ড ও তারপর মালদ্বীপ ভ্রমণ করেন।
জুলাই মাসের শেষের দিকে তিনি আবার অভিযাত্র করবেন পূর্ব আফ্রিকার দেশ বুরুন্দি থেকে মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো ও অ্যাঙ্গোলা সহ দক্ষিনে নামিবিয়া পর্যন্ত।

যেভাবে শুরু
২০০০ সলে ভারতের ভুপালের পাঁচমারিতে 'ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এডভেঞ্চার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাঁর প্রথম বিশ্ব ভ্রমণের সূচনা হয়। সেখানে তিনি প্রথম বিশ্বের ৮০ দেশের ছেলে মেয়ের সামনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন! ১ জুন ২০১৮ সালে ।১০০ তম দেশ ভ্রমণের মাইলফলক সৃষ্টি করেন জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমান্তের ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের উপর  এবং ১৪৪ তম দেশে হিসেবে সফর করেন মালদ্বীপ।

বিশ্বভ্রমণে বাংলাদেশের পতাকা
বিশ্বের প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের পতাকাকে পৌঁছে দিয়ে এক অনন্য রেকর্ড গড়ার মাধ্যমে পুরো বিশ্বের মানুষের কাছে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিক মূল্যবোধকে এগিয়ে দিচ্ছেন নাজমুন নাহার। ইতিমধ্যে প্রতিটি মহাদেশে লাল সবুজের পতাকা নিয়ে নাজমুন ভ্রমণ করেছেন। বাংলাদেশের পতাকা হাতে তিনি  বিশ্ব শান্তির এক অনন্য দূত হিসাবেও কাজ করে যাচ্ছেন সারা বিশ্বে! এছাড়াও পথে পথে তিনি স্কুল, কলেজ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে বিশ্ব শান্তির বার্তা পৌঁছান! পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি করেন তার বিশ্ব ভ্রমণের মাধ্যেেম, এছাড়া বাল্য বিবাহ বন্ধের লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেন। শিশু ও তরুণদেরকে উৎসাহিত করেন তার বিশ্বভ্রমণে অভিযাত্রার মাধ্যেেম।

ভ্রমণের উৎসাহ শুরু যেভাবে
নাজমুন নাহারের জন্ম লক্ষিপুর সদর উপজেলার গঙ্গাপুরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। ইরান থেকে কয়েক শতাব্দী আগে বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জে বসতি স্থাপন শুরু করেছিলেন দৌলত গাজী খান। তাঁরই দৌহিত্র বংশধর নাজমুন নাহার। বাবা মোহাম্মদ আমিন একজন ব্যাবসায়ী ছিলেন। মা তাহেরা আমিন ছিলেন বাবার অতন্দ্র সহযোগী। দাদা আলহাজ্ব ফকীহ আহমদ উল্লাহ তৎকালীন সময়ের একজন ফিকাহ শাস্ত্রবিদ ও ইসলামিক স্কলার ছিলেন।

দাদা আহমদ উল্লাহ ১৯২৬ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত আরবের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন ঘোড়ায় ছড়ে, পায়ে হেঁটে, জাহাজে করে। বাবার মুখে শোনা দাদার ভ্রমণ জীবনের উৎসাহ শিশু বয়সে নাজমুন নাহারের মনে গেঁথে গিয়েছিলো।  নাজমুন ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশের ভ্রমণকাহিনী পড়তেন, ম্যাপের উপর গবেষণা ছিল তাঁর ছোটবেলা থেকেই। বাবা সবসময় তাঁকে উৎসাহ দিতেন। পৃথিবী ভ্রমণের স্বপ্ন জন্মের পর থেকেই তাঁর  ভেতরে লালিত হয়েছিল এভাবে।

বেশিরভাগ দেশ সড়কপথে ভ্রমণ  
২০ বছর তিনি পৃথিবীর পথে পথে ঘুরে চলেছেন বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বদরবারে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। ১৪৪ দেশের মধ্যে ১৪টি দেশ ভ্রমণে সঙ্গী ছিলেন তাঁর মা। বাকি দেশগুলো তিনি একাই ভ্রমণ করেছেন। দিনের পর দিন সর্বোচ্চ টানা ৫৮ ঘণ্টা, কখনো ৪৮ ঘণ্টা, কখনো ৩৬ ঘণ্টা তাঁকে বাসে জার্নি করতে হয়েছে এক দেশ থেকে আরেক দেশে। টানা কখনো ১৫ দেশ, কখনো ১৪ দেশ তিনি তিন মাস, চার মাস, পাঁচ মাসের জন্য সড়কপথে এক শহর থেকে আরেক শহরে, এক দেশ থেকে আরেক দেশে ভ্রমণ করেছেন।

ভ্রমণের খরচ যোগাতে যেভাবে
তিনি সুইডেনে পড়াশোনা করতে গিয়েছেন ২০০৬ সালে। পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করতেন। সামারে তিনি ১৭–১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে পয়সা জমাতেন শুধু ভ্রমণ করার জন্য। কম খরচে থাকতেন পৃথিবীর বিভিন্ন ট্রাভেলার্স হোস্টেলে। কখনো তাঁবু করে, কখনো কোচ সার্ফিংয়ের মাধ্যমে।  স্বল্প খরচে পৃথিবী রহমান করার জন্য সড়ক পথে ভ্রমণ করতেন নাজমুন, পৃথিবীর বিভিন্ন মহাদেশে জোন ভাগ করে করে একটানা ভ্রমণ করতেন। কোন দেশে ভ্রমণের পূর্বে তিনি সেই মহাদেশের ম্যাপ ও সেখানকার দর্শনীয় জায়গাগুলোর উপর গবেষণা করে নিতেন। সেখানকার পার্শ্ববর্তী রুটগুলো দেখে নিতেন কিভাবে কম খরচে সেখানে পৌঁছানো যায়।

বিশ্বভ্রমণে যত চ্যালেঞ্জ
ভ্রমণই নাজমুনের চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক। সেই চ্যালেঞ্জগুলোর কথা বর্ণনা করতে গিয়ে নাজমুন বলেন- বিশ্ব ভ্রমণের সময় মৃত্যুর হাতছানি থেকে ফিরে এসেছি বহুবার। মধ্যরাতে ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে আটকা পড়েছি। সাহারা মরুভূমিতে মরুঝড়ের মধ্যে পড়েছি, রক্তাক্ত হয়েছি। পোকা মাকড়ের কামড় খেয়েছি। অন্ধকারে অচেনা শহরে, আফ্রিকার জংলী শহরে পথ হারিয়েছি। তিনমাস আফ্রিকাতে আলু খেয়ে ছিলাম। কখনো না খেয়ে থেকেছি। কখনো কাঠ, কখনো পাথরের ওপর ঘুমিয়েছি।

কখনো আদিবাসীদের সঙ্গে মাটির ঘরে ঘুমিয়েছি। কখনো রাতের অন্ধকারে বর্ডার ক্রস করতে না পেরে অপরিচিত পরিবারের সঙ্গে থাকতে হয়েছে। ১৪২০০ ফুট উচ্চতায় পেরুর রেইনবো মাউনটেইনে অভিযাত্রায় আন্টিচুডের সমস্যার কারণে মৃত্যুর কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। মৃত্যুকে জয় করে সেই পর্বতশৃঙ্গে উঠতে সক্ষম হয়েছি। সমুদ্রের তলদেশে স্কুবা ডাইভিং-এর সময় পাইপ লিক হয়ে লবণাক্ত পানি খেয়েও বেঁচে ফিরেছি।

পশ্চিম আফ্রিকার গিনি কোনাক্রিতে ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে ৩টার সময় আটকা পড়েছিলাম। সেসময় ২৬ ঘণ্টা অনাহারে থেকেছি। আদিবাসীদের সঙ্গে কাটানো সেই লোমহর্ষক ঘটনা মনে পড়লে আজও শিহরে উঠি।

কিরগিস্তানের আলা আরচা পর্বত আরোহন করে নামার সময় পড়ে গিয়ে ছোট্ট একটি বুনো গাছের সঙ্গে ঝুলে ছিলাম। পড়ে গেলে হয়তো সেদিনই মৃত্যু হতো। গাছে ঝুলে থাকা আমাকে আয়মেরিক ও জুলিয়ান নামক দু'জন অভিযাত্রী বাঁচিয়েছিলেন।

পশ্চিম আফ্রিকার পথে পথে আমাকে অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু সবই মানসিক শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করেছি।সিয়েরালিওন থেকে লাইবেরিয়া যাওয়ার পথে ১১টি ভয়ঙ্কর কূপ পার হতে হয়েছিল। শুধু তাই নয়, রাস্তা কোথায় ভয়ঙ্কর উঁচু, খাড়া, কোথাও পিচ্ছিল। কোথাও রাস্তায় পড়ে থাকা গাছের ডাল সরিয়ে চলতে হয়েছিল। বিপদসংকুল ওই জায়গাগুলোতে কোনো না কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি সাহায্য করেছেন। পথ দেখিয়েছেন। যখনই কোনো সমস্যায় পড়েছি, কেউ না কেউ এগিয়ে এসেছেন। বিভিন্ন শহরে লোকাল ফ্যামিলির সঙ্গে থেকেছি। বিশ্ব মানচিত্রের সবচেয়ে কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছি মৌরিতানিয়ায়।

সেখানে সাহারার তপ্ত মরুঝড়ে আক্রান্ত হয়ে ধারালো বালির আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছি। সেনেগালের রোজ লেকে যাওয়ার সময় তিন ঘণ্টা জঙ্গলে হেঁটেছি। সেন্ট লুইতে একাকী পথ হারিয়ে আট কিলোমিটার অন্ধকার পথ হেঁটেছি।  ইথিওপিয়ার জঙ্গলে হামার আদিবাসীদের সঙ্গে গরুর কাঁচা মাংস খেয়ে বেঁচে থাকতে হয়েছে। সর্বোচ্চ আড়াই দিন না খেয়ে থেকেছি। পথে গাছ থেকে গাছের সাদা অরেঞ্জ খেয়ে দুই দিন পর আফ্রিকাতে পানির পিপাসা মিটিছি। চিলির আতাকামা যেখানে ১০০ বছরে বৃষ্টি হয়নি এমন আশ্চর্যজনক জায়গাতেও পা রেখেছি। বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাকে নিয়ে  কিছুদিনের মধ্যেই ১৫০ দেশ ভ্রমণের মাইলফলক অর্জন করবেন। তারপর চলতে থাকবে তার অভিযাত্রা জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯৫ দেশ পর্যন্ত।

সম্মাননা ও অর্জন  
বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাকে বহন করার জন্য দেশে-বিদেশে বহু সম্মাননা ও বহু গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন নজমুন নাহার। তাঁর এই বিরল কাজের জন্য তিনি পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা 'পিস টর্চ বিয়ারার অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এছাড়া তিনি পেয়েছেন
মিস আর্থ কুইন অ্যাওয়ার্ড, অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মাননা, গেম চেঞ্জার অব বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল উইমেন অব বাংলাদেশ, গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, অতীশ দীপঙ্কর গোল্ড মেডেল সম্মাননা, জনটা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, তিন বাংলা সম্মাননা ও রেড ক্রিসেন্ট মোটিভেশনাল অ্যাওয়ার্ড। জাম্বিয়া সরকারের গভর্নর হ্যারিয়েট কায়োনার কাছ থেকে ‘ফ্ল্যাগ গার্ল’ উপাধি, সফল নারী সম্মাননা, লক্ষ্মী তারুণ্য সম্মাননাসহ দেশে-বিদেশে মোট পঞ্চাশটির মতো সম্মাননা পেয়েছেন।

স্বমহিমায় উজ্জ্বল
একজন ইয়ূথ ও বাংলাদেশের পতাকা হাতে পিস রানার হিসাবে এই অভিযাত্রাকে ইতিহাসের সাক্ষী করে রাখার জন্য নিজ দেশের পতাকা বহন পৃথিবীর ইতিহাসে স্থান পাচ্ছে। সারা বিশ্বে নাজমুন নাহারের দেশাত্মবোধে জাগ্রত এই অভিযাত্রা পৃথিবীর পথে পথে বিশ্বমানবতার মাঝে আমাদেরকে আরো বেশি গর্বিত করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রওনক আফরোজ
২৩ জুলাই ২০২১, শুক্রবার, ৯:৫৫

এক অসাধারণ সাহসী বাঙালীকন্যার অসাধারণ কাহিনী। নাজমুনের জন্য শুভেচ্ছা, আকাশ হোক সীমান্ত। ভালোবাসা।

Md. Harun al-Rashid
২২ জুলাই ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৪০

এই পতাকা কন্যার সুস্বাস্হ্য ও দর্ঘায়ূ কামনা করি! সত্যিই তিনি নাজমুন নাহার বা উজ্জল চাঁদের মত।

অন্যান্য খবর